রোববার (২৪ মে) আইন মন্ত্রণালয়-এর আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ (জিপি-পিপি শাখা) থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
আদেশ অনুযায়ী, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয় খরচে আসামিপক্ষের মামলা পরিচালনার জন্য ঢাকা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য মুসা কালিমুল্লাহ-কে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিধি অনুযায়ী তিনি ভাতা পাবেন বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে একই দিন বিকেলে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার-এর বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আদালত।
ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল-এর বিচারক মাসরুর সালেকীন আগামী ১ জুন অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ।
এর আগে বিকেল ৪টার দিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-এ দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন।
তদন্ত কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, সোহেল রানার বিরুদ্ধে সরাসরি ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ এবং স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে সহায়তার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।
অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার পর আশরাফুল হক মামলাটি বিচারের জন্য সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
শুনানির সময় দুই আসামিকে কড়া নিরাপত্তায় আদালতে হাজির করা হলেও তাদের এজলাসে তোলা হয়নি।
এর আগে গত বুধবার (২০ মে) প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। একই দিন তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।