অস্ট্রেলিয়ায় দক্ষ কর্মী ভিসার আবেদনে নতুন অগ্রাধিকার, গুরুত্ব পাবে ৭ খাত
- প্রকাশঃ ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৩
- / 21
ক্যানবেরা, ২০ অক্টোবর (প্রজন্ম কথা) – অস্ট্রেলিয়ায় দক্ষ কর্মীদের ভিসার আবেদন প্রক্রিয়াকরণে নতুন অগ্রাধিকার ব্যবস্থা কার্যকর হয়েছে। গত ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে চালু হওয়া নতুন নির্দেশনায় নির্মাণ, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, কৃষি, জলজ চাষ, মৎস্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ খাতের নির্দিষ্ট পেশার আবেদন আগে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ ছাড়া আইন প্রয়োগ ও প্রতিরক্ষা খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু পেশাও অগ্রাধিকার পাচ্ছে।
অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নতুন ব্যবস্থায় অস্থায়ী দক্ষ কর্মী ভিসা এবং নির্দিষ্ট স্থায়ী ও আঞ্চলিক দক্ষ ভিসার আবেদন আলাদা নির্দেশনার ভিত্তিতে প্রক্রিয়াকরণ করা হবে। অস্থায়ী দক্ষ কর্মী ভিসা সাবক্লাস ৪৮২-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নির্দেশনা ১২১ এবং নির্দিষ্ট স্থায়ী ও আঞ্চলিক দক্ষ ভিসার ক্ষেত্রে নির্দেশনা ১২২ অনুসরণ করা হবে।
কোন কোন খাত অগ্রাধিকার পাবে
নতুন নির্দেশনায় অগ্রাধিকার পাওয়া খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে:
১. নির্মাণ
২. স্বাস্থ্যসেবা
৩. শিক্ষা ও শিক্ষকতা
৪. কৃষি
৫. জলজ চাষ
৬. মৎস্য
৭. প্রাকৃতিক সম্পদ
এ ছাড়া আইন প্রয়োগ ও প্রতিরক্ষা খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নির্দিষ্ট পেশার আবেদনও অগ্রাধিকার পেতে পারে।
তবে তালিকাভুক্ত কোনো খাতে কাজ করলেই আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে অগ্রাধিকার পাবে না। আবেদনকারীর মনোনীত পেশা ও কাজের ধরন সংশ্লিষ্ট সরকারি নির্দেশনার শর্ত পূরণ করছে কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।
অস্ট্রেলিয়ার বাইরে থেকে আবেদন করলেও অগ্রাধিকার পাওয়ার সুযোগ
নতুন ব্যবস্থায় অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত পেশার যোগ্য আবেদনকারীরা অস্ট্রেলিয়ার ভেতরে কিংবা বাইরে থেকে আবেদন করলেও প্রথম অগ্রাধিকারে বিবেচিত হতে পারেন।
অন্যদিকে, অগ্রাধিকার তালিকার বাইরে থাকা পেশার আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে আবেদন করার সময় তাঁরা অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছিলেন কি না এবং তাঁদের আবেদন অন্য কোনো আবেদনকারীর আবেদনের সঙ্গে যুক্ত কি না।
ফলে আবেদনকারীর পেশা ও অবস্থানের পাশাপাশি আবেদনের ধরনও প্রক্রিয়াকরণের অগ্রাধিকার নির্ধারণে ভূমিকা রাখতে পারে।
ভিসা পাওয়া কি সহজ হবে
আবেদন প্রক্রিয়াকরণে অগ্রাধিকার পাওয়ার অর্থ ভিসা অনুমোদন নিশ্চিত হওয়া নয়। এর অর্থ, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণকারী আবেদনগুলো অন্য আবেদনগুলোর আগে বিবেচনার সুযোগ পাবে।
ভিসা পেতে আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট শ্রেণির সব শর্ত পূরণ করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে প্রয়োজনীয় দক্ষতা, ইংরেজি ভাষার যোগ্যতা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নিয়োগকর্তার স্পনসরশিপ বা মনোনয়নসংক্রান্ত শর্ত।
অস্ট্রেলিয়ায় দক্ষ কর্মী হিসেবে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন এমন বাংলাদেশিদের তাই পেশার নামের ওপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। নিজের মনোনীত পেশা সরকারি শ্রেণিবিন্যাসে কীভাবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ভিসার অন্যান্য শর্ত কী, তা যাচাই করা জরুরি।
সূত্র: অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়





























