ঢাকা ০১:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বার্নাব্যুর নাটকীয় রাতে বেনফিকাকে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করল রিয়াল

মুশফিকুর রহমান মিরাজ
  • প্রকাশঃ ১২:৪৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 9

ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে আবারও নিজেদের ঐতিহ্য প্রমাণ করল রিয়াল মাদ্রিদ। পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত কামব্যাক করে বেনফিকাকে ২–১ গোলে হারিয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা। দুই লেগ মিলিয়ে ৩–১ অ্যাগ্রিগেট জয়ে তারা উঠে গেছে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ–এর শেষ ষোলোতে।

ম্যাচের শুরুতেই ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা। প্রথমার্ধের ১৪ মিনিটে বেনফিকার স্ট্রাইকার সিলভার দুর্দান্ত এক গোল রিয়ালকে পিছিয়ে দেয়। তবে বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি সমতায় ফিরতে। ১৬ মিনিটে আউরেলিয়েন তচুয়ামেনি ফেদেরিকো ভালভেরদের পাস থেকে শক্তিশালী শটে গোল করে ব্যবধান ঘুচিয়ে দেন।

এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় রিয়াল মাদ্রিদ। একের পর এক আক্রমণে চাপ সৃষ্টি করলেও বেনফিকার রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষক আনাতোলি ট্রুবিন দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র একাধিক সুযোগ পেলেও গোলের দেখা পাচ্ছিলেন না। মনে হচ্ছিল ম্যাচটি ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছে।

তবে শেষ পর্যন্ত বার্নাব্যুর কামব্যাকের গল্প আবারও লেখা হয়। ম্যাচের ৮০ মিনিটে ভালভেরদের লম্বা পাস ধরে বক্সে ঢুকে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এতে ২–১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় রিয়াল। গ্যালারিতে উল্লাসে ফেটে পড়ে দর্শকরা।

শেষ দশ মিনিটে বেনফিকা আক্রমণ বাড়ালেও আর কোনো গোল করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ২–১ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় রিয়াল মাদ্রিদ। অ্যাগ্রিগেটে ৩–১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে তারা নিশ্চিত করে শেষ ষোলোর টিকিট।

এই জয়ে বড় ম্যাচে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের কার্যকারিতাই আবার প্রমাণিত হলো। অন্যদিকে লড়াই করে হেরেও প্রশংসা কুড়িয়েছে বেনফিকা। তবে বার্নাব্যুতে রিয়ালের ঐতিহ্যবাহী প্রত্যাবর্তনের গল্প থামানো গেল না।

শেয়ার করুন

বার্নাব্যুর নাটকীয় রাতে বেনফিকাকে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করল রিয়াল

প্রকাশঃ ১২:৪৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে আবারও নিজেদের ঐতিহ্য প্রমাণ করল রিয়াল মাদ্রিদ। পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত কামব্যাক করে বেনফিকাকে ২–১ গোলে হারিয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা। দুই লেগ মিলিয়ে ৩–১ অ্যাগ্রিগেট জয়ে তারা উঠে গেছে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ–এর শেষ ষোলোতে।

ম্যাচের শুরুতেই ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা। প্রথমার্ধের ১৪ মিনিটে বেনফিকার স্ট্রাইকার সিলভার দুর্দান্ত এক গোল রিয়ালকে পিছিয়ে দেয়। তবে বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি সমতায় ফিরতে। ১৬ মিনিটে আউরেলিয়েন তচুয়ামেনি ফেদেরিকো ভালভেরদের পাস থেকে শক্তিশালী শটে গোল করে ব্যবধান ঘুচিয়ে দেন।

এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় রিয়াল মাদ্রিদ। একের পর এক আক্রমণে চাপ সৃষ্টি করলেও বেনফিকার রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষক আনাতোলি ট্রুবিন দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র একাধিক সুযোগ পেলেও গোলের দেখা পাচ্ছিলেন না। মনে হচ্ছিল ম্যাচটি ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছে।

তবে শেষ পর্যন্ত বার্নাব্যুর কামব্যাকের গল্প আবারও লেখা হয়। ম্যাচের ৮০ মিনিটে ভালভেরদের লম্বা পাস ধরে বক্সে ঢুকে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এতে ২–১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় রিয়াল। গ্যালারিতে উল্লাসে ফেটে পড়ে দর্শকরা।

শেষ দশ মিনিটে বেনফিকা আক্রমণ বাড়ালেও আর কোনো গোল করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ২–১ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় রিয়াল মাদ্রিদ। অ্যাগ্রিগেটে ৩–১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে তারা নিশ্চিত করে শেষ ষোলোর টিকিট।

এই জয়ে বড় ম্যাচে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের কার্যকারিতাই আবার প্রমাণিত হলো। অন্যদিকে লড়াই করে হেরেও প্রশংসা কুড়িয়েছে বেনফিকা। তবে বার্নাব্যুতে রিয়ালের ঐতিহ্যবাহী প্রত্যাবর্তনের গল্প থামানো গেল না।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”