ঢাকা ০৯:৫৭ , Tue, ২০ Oct ২০২৬
বিশ্বসমাচার
যুক্তরাষ্ট্র

মেডিকেয়ারের নতুন নিয়মে বাড়তে পারে ওষুধের খরচ, পরিকল্পনা বাছাইয়ে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়

মুশফিকুর রহমান
  • প্রকাশঃ ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:১১
  • / 3
যুক্তরাষ্ট্রে মেডিকেয়ারের বার্ষিক উন্মুক্ত নিবন্ধন শুরু হয়েছে, চলবে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ২০২৭ সালে বিমা পরিকল্পনার সংখ্যা কমতে পারে এবং সাময়িক ভর্তুকি বন্ধ হওয়ায় কিছু সুবিধাভোগীর ওষুধের খরচ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ছবি: এবিসি নিউজ

ওয়াশিংটন, ২১ অক্টোবর (প্রজন্ম কথা) – যুক্তরাষ্ট্রের প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী নাগরিকদের জন্য সরকারি স্বাস্থ্যবিমা কর্মসূচি মেডিকেয়ারের বার্ষিক পরিকল্পনা বাছাইয়ের সময় শুরু হয়েছে। আগামী ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত সুবিধাভোগীরা ২০২৭ সালের জন্য নিজেদের স্বাস্থ্যবিমা পরিকল্পনা পরিবর্তন বা নতুন পরিকল্পনা বেছে নিতে পারবেন। তবে বেসরকারি বিমা প্রতিষ্ঠানের পরিচালিত মেডিকেয়ার অ্যাডভান্টেজ পরিকল্পনার সংখ্যা কমে আসায় অনেককে নতুন পরিকল্পনা খুঁজতে হতে পারে। একই সঙ্গে ওষুধের বিমা খরচও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মেডিকেয়ার মূলত ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মার্কিন নাগরিকদের স্বাস্থ্যবিমা সুবিধা দেয়। পাশাপাশি নির্দিষ্ট শর্ত পূরণকারী কম বয়সী প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরাও এ কর্মসূচির আওতায় আসেন। বার্ষিক উন্মুক্ত নিবন্ধনের সময় সুবিধাভোগীরা প্রচলিত মেডিকেয়ার এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পরিচালিত মেডিকেয়ার অ্যাডভান্টেজ পরিকল্পনার মধ্যে বেছে নিতে পারেন।

কমছে মেডিকেয়ার অ্যাডভান্টেজ পরিকল্পনার সংখ্যা

প্রায় ৩ কোটি ৫০ লাখ মানুষ মেডিকেয়ার অ্যাডভান্টেজের আওতায় রয়েছেন। এ পরিকল্পনাগুলো বেসরকারি বিমা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করলেও মেডিকেয়ারের নির্ধারিত নিয়ম মানতে হয়। এর মধ্যে চিকিৎসার জন্য রোগীর নিজস্ব ব্যয়ের সীমা নির্ধারণ এবং প্রচলিত মেডিকেয়ারের আওতাভুক্ত সেবাগুলো অন্তর্ভুক্ত রাখার বিধান রয়েছে।

স্বাস্থ্যনীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কেএফএফের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৭ সালে একজন মেডিকেয়ার সুবিধাভোগী গড়ে ৩৫টি মেডিকেয়ার অ্যাডভান্টেজ পরিকল্পনার মধ্যে বেছে নিতে পারবেন। ২০২৬ সালে এ সংখ্যা ছিল ৩৯টি। অর্থাৎ গড়ে পরিকল্পনার সংখ্যা চারটি কমছে।

কিছু এলাকায় বিমা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পরিকল্পনা বন্ধ করে দিচ্ছে বা সেবার পরিধি কমাচ্ছে। ফলে বর্তমান পরিকল্পনা বন্ধ হয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট সুবিধাভোগীদের নতুন পরিকল্পনা বেছে নিতে হবে।

কেএফএফের আরেক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২০২৭ সালে মেডিকেয়ার অ্যাডভান্টেজের প্রায় ১ শতাংশ সুবিধাভোগীর জন্য সাধারণ নিবন্ধনকালে কোনো ওষুধের বিমা পরিকল্পনা পাওয়া যাবে না। এ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে ১৯৩টি কাউন্টিতে। ২০২৬ সালে এমন কাউন্টির সংখ্যা ছিল ১২৩টি।

ওষুধের বিমায় ভর্তুকি বন্ধের প্রভাব

মেডিকেয়ারের ওষুধের খরচ বহনে সহায়তাকারী পার্ট ডি কর্মসূচির আওতায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দেওয়া ওষুধের বিমা পরিকল্পনার জন্য সাময়িক ভর্তুকি কর্মসূচি চালু ছিল। ট্রাম্প প্রশাসন চলতি বছর কর্মসূচিটি বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। এর নাম ছিল ‘পার্ট ডি প্রিমিয়াম স্ট্যাবিলাইজেশন ডেমোনস্ট্রেশন’।

যুক্তরাষ্ট্রের মেডিকেয়ার ও মেডিকেইড সেবা কেন্দ্রের প্রশাসক মেহমেত ওজের দাবি, এ কর্মসূচি বিমা কোম্পানিগুলোকে সুবিধা দিচ্ছিল। ভর্তুকির মেয়াদ চলতি বছরের শেষে শেষ হওয়ার কথা।

এবিসি নিউজকে প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভর্তুকি বন্ধ হলে ওষুধের বিমা পরিকল্পনার মাসিক প্রিমিয়াম বাড়তে পারে এবং এতে প্রায় অর্ধেক সুবিধাভোগী প্রভাবিত হতে পারেন।

স্বাস্থ্যনীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কেএফএফের মেডিকেয়ারবিষয়ক কর্মসূচির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও পরিচালক জুলিয়েট কুবানস্কি এক বিবৃতিতে বলেন, ২০২৭ সালে অতিরিক্ত ভর্তুকি না থাকায় কিছু স্বতন্ত্র ওষুধের বিমা পরিকল্পনার গ্রাহককে আগের কয়েক বছরের তুলনায় বেশি হারে প্রিমিয়াম বৃদ্ধির মুখে পড়তে হতে পারে। তবে প্রতিটি পরিকল্পনার নির্দিষ্ট খরচ এখনো জানা যায়নি।

মেডিকেয়ার পেমেন্ট অ্যাডভাইজরি কমিশনের ২০২৬ সালের মার্চের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ভর্তুকির কারণে ২০২৫ সালে ওষুধের বিমার গড় মাসিক প্রিমিয়াম ২৬ ডলার এবং ২০২৬ সালে ১৬ ডলার কম ছিল।

ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি ইন সেন্ট লুইসের জনস্বাস্থ্য বিভাগের অধ্যাপক ও স্বাস্থ্যনীতি বিশ্লেষক টিমোথি ম্যাকব্রাইড এবিসি নিউজকে বলেন, পার্ট ডি কর্মসূচির ভর্তুকিতে পরিবর্তনের প্রভাব উল্লেখযোগ্য হতে পারে।

তবে মেহমেত ওজ জুলাইয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, মেডিকেয়ারের অধিকাংশ সুবিধাভোগীর প্রিমিয়াম ১০ ডলারের বেশি বাড়বে না। কারও কারও ক্ষেত্রে খরচ আরও কম হতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বাড়ছে বার্ষিক নিজস্ব ব্যয়ের সীমা ও কর্তনযোগ্য অর্থ

পার্ট ডি কর্মসূচিতে ওষুধের জন্য সুবিধাভোগীদের নিজস্ব পকেট থেকে দেওয়া বার্ষিক ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণের ব্যবস্থাও রয়েছে। পাশাপাশি ২০২৭ সালে প্রচলিত কর্তনযোগ্য অর্থের পরিমাণ ৬১৫ ডলার থেকে বেড়ে ৭০০ ডলার হবে।

কর্তনযোগ্য অর্থ হলো বিমা সুবিধা কার্যকর হওয়ার আগে নির্দিষ্ট সেবার জন্য গ্রাহককে নিজের পকেট থেকে যে অর্থ দিতে হয়। ফলে কেবল মাসিক প্রিমিয়াম বিবেচনা করলেই ওষুধের প্রকৃত খরচ সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা পাওয়া যাবে না।

ম্যাকব্রাইডের পরামর্শ, বিমা পরিকল্পনা বাছাইয়ের সময় মাসিক প্রিমিয়ামের পাশাপাশি কর্তনযোগ্য অর্থ এবং নিজস্ব ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমাও বিবেচনা করা প্রয়োজন। এসব শর্তের পরিবর্তন গ্রাহকের মোট ব্যয়ে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।

৭ ডিসেম্বরের আগে কী করবেন

মেডিকেয়ারের সুবিধাভোগীদের বর্তমান বিমা পরিকল্পনা ২০২৭ সালেও চালু থাকবে কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন। পাশাপাশি নতুন বছরের মাসিক প্রিমিয়াম, ওষুধের আওতা, কর্তনযোগ্য অর্থ এবং নিজস্ব ব্যয়ের সীমা তুলনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষ করে যাঁদের মেডিকেয়ার অ্যাডভান্টেজ পরিকল্পনা বন্ধ হচ্ছে বা যাঁরা ওষুধের বিমার জন্য আলাদা পরিকল্পনার ওপর নির্ভরশীল, তাঁদের বিকল্পগুলো আগেভাগে যাচাই করা উচিত। নিবন্ধনের শেষ দিন ৭ ডিসেম্বর। নতুন পরিকল্পনা বেছে নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট বিমা প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত শর্ত এবং মেডিকেয়ারের সরকারি তথ্য মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন।

সূত্র: এবিসি নিউজ

❤️
👏
🙂
😞

মেডিকেয়ারের নতুন নিয়মে বাড়তে পারে ওষুধের খরচ, পরিকল্পনা বাছাইয়ে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়

প্রকাশঃ ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:১১

ওয়াশিংটন, ২১ অক্টোবর (প্রজন্ম কথা) – যুক্তরাষ্ট্রের প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী নাগরিকদের জন্য সরকারি স্বাস্থ্যবিমা কর্মসূচি মেডিকেয়ারের বার্ষিক পরিকল্পনা বাছাইয়ের সময় শুরু হয়েছে। আগামী ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত সুবিধাভোগীরা ২০২৭ সালের জন্য নিজেদের স্বাস্থ্যবিমা পরিকল্পনা পরিবর্তন বা নতুন পরিকল্পনা বেছে নিতে পারবেন। তবে বেসরকারি বিমা প্রতিষ্ঠানের পরিচালিত মেডিকেয়ার অ্যাডভান্টেজ পরিকল্পনার সংখ্যা কমে আসায় অনেককে নতুন পরিকল্পনা খুঁজতে হতে পারে। একই সঙ্গে ওষুধের বিমা খরচও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মেডিকেয়ার মূলত ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মার্কিন নাগরিকদের স্বাস্থ্যবিমা সুবিধা দেয়। পাশাপাশি নির্দিষ্ট শর্ত পূরণকারী কম বয়সী প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরাও এ কর্মসূচির আওতায় আসেন। বার্ষিক উন্মুক্ত নিবন্ধনের সময় সুবিধাভোগীরা প্রচলিত মেডিকেয়ার এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পরিচালিত মেডিকেয়ার অ্যাডভান্টেজ পরিকল্পনার মধ্যে বেছে নিতে পারেন।

কমছে মেডিকেয়ার অ্যাডভান্টেজ পরিকল্পনার সংখ্যা

প্রায় ৩ কোটি ৫০ লাখ মানুষ মেডিকেয়ার অ্যাডভান্টেজের আওতায় রয়েছেন। এ পরিকল্পনাগুলো বেসরকারি বিমা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করলেও মেডিকেয়ারের নির্ধারিত নিয়ম মানতে হয়। এর মধ্যে চিকিৎসার জন্য রোগীর নিজস্ব ব্যয়ের সীমা নির্ধারণ এবং প্রচলিত মেডিকেয়ারের আওতাভুক্ত সেবাগুলো অন্তর্ভুক্ত রাখার বিধান রয়েছে।

স্বাস্থ্যনীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কেএফএফের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৭ সালে একজন মেডিকেয়ার সুবিধাভোগী গড়ে ৩৫টি মেডিকেয়ার অ্যাডভান্টেজ পরিকল্পনার মধ্যে বেছে নিতে পারবেন। ২০২৬ সালে এ সংখ্যা ছিল ৩৯টি। অর্থাৎ গড়ে পরিকল্পনার সংখ্যা চারটি কমছে।

কিছু এলাকায় বিমা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পরিকল্পনা বন্ধ করে দিচ্ছে বা সেবার পরিধি কমাচ্ছে। ফলে বর্তমান পরিকল্পনা বন্ধ হয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট সুবিধাভোগীদের নতুন পরিকল্পনা বেছে নিতে হবে।

কেএফএফের আরেক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২০২৭ সালে মেডিকেয়ার অ্যাডভান্টেজের প্রায় ১ শতাংশ সুবিধাভোগীর জন্য সাধারণ নিবন্ধনকালে কোনো ওষুধের বিমা পরিকল্পনা পাওয়া যাবে না। এ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে ১৯৩টি কাউন্টিতে। ২০২৬ সালে এমন কাউন্টির সংখ্যা ছিল ১২৩টি।

ওষুধের বিমায় ভর্তুকি বন্ধের প্রভাব

মেডিকেয়ারের ওষুধের খরচ বহনে সহায়তাকারী পার্ট ডি কর্মসূচির আওতায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দেওয়া ওষুধের বিমা পরিকল্পনার জন্য সাময়িক ভর্তুকি কর্মসূচি চালু ছিল। ট্রাম্প প্রশাসন চলতি বছর কর্মসূচিটি বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। এর নাম ছিল ‘পার্ট ডি প্রিমিয়াম স্ট্যাবিলাইজেশন ডেমোনস্ট্রেশন’।

যুক্তরাষ্ট্রের মেডিকেয়ার ও মেডিকেইড সেবা কেন্দ্রের প্রশাসক মেহমেত ওজের দাবি, এ কর্মসূচি বিমা কোম্পানিগুলোকে সুবিধা দিচ্ছিল। ভর্তুকির মেয়াদ চলতি বছরের শেষে শেষ হওয়ার কথা।

এবিসি নিউজকে প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভর্তুকি বন্ধ হলে ওষুধের বিমা পরিকল্পনার মাসিক প্রিমিয়াম বাড়তে পারে এবং এতে প্রায় অর্ধেক সুবিধাভোগী প্রভাবিত হতে পারেন।

স্বাস্থ্যনীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কেএফএফের মেডিকেয়ারবিষয়ক কর্মসূচির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও পরিচালক জুলিয়েট কুবানস্কি এক বিবৃতিতে বলেন, ২০২৭ সালে অতিরিক্ত ভর্তুকি না থাকায় কিছু স্বতন্ত্র ওষুধের বিমা পরিকল্পনার গ্রাহককে আগের কয়েক বছরের তুলনায় বেশি হারে প্রিমিয়াম বৃদ্ধির মুখে পড়তে হতে পারে। তবে প্রতিটি পরিকল্পনার নির্দিষ্ট খরচ এখনো জানা যায়নি।

মেডিকেয়ার পেমেন্ট অ্যাডভাইজরি কমিশনের ২০২৬ সালের মার্চের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ভর্তুকির কারণে ২০২৫ সালে ওষুধের বিমার গড় মাসিক প্রিমিয়াম ২৬ ডলার এবং ২০২৬ সালে ১৬ ডলার কম ছিল।

ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি ইন সেন্ট লুইসের জনস্বাস্থ্য বিভাগের অধ্যাপক ও স্বাস্থ্যনীতি বিশ্লেষক টিমোথি ম্যাকব্রাইড এবিসি নিউজকে বলেন, পার্ট ডি কর্মসূচির ভর্তুকিতে পরিবর্তনের প্রভাব উল্লেখযোগ্য হতে পারে।

তবে মেহমেত ওজ জুলাইয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, মেডিকেয়ারের অধিকাংশ সুবিধাভোগীর প্রিমিয়াম ১০ ডলারের বেশি বাড়বে না। কারও কারও ক্ষেত্রে খরচ আরও কম হতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বাড়ছে বার্ষিক নিজস্ব ব্যয়ের সীমা ও কর্তনযোগ্য অর্থ

পার্ট ডি কর্মসূচিতে ওষুধের জন্য সুবিধাভোগীদের নিজস্ব পকেট থেকে দেওয়া বার্ষিক ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণের ব্যবস্থাও রয়েছে। পাশাপাশি ২০২৭ সালে প্রচলিত কর্তনযোগ্য অর্থের পরিমাণ ৬১৫ ডলার থেকে বেড়ে ৭০০ ডলার হবে।

কর্তনযোগ্য অর্থ হলো বিমা সুবিধা কার্যকর হওয়ার আগে নির্দিষ্ট সেবার জন্য গ্রাহককে নিজের পকেট থেকে যে অর্থ দিতে হয়। ফলে কেবল মাসিক প্রিমিয়াম বিবেচনা করলেই ওষুধের প্রকৃত খরচ সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা পাওয়া যাবে না।

ম্যাকব্রাইডের পরামর্শ, বিমা পরিকল্পনা বাছাইয়ের সময় মাসিক প্রিমিয়ামের পাশাপাশি কর্তনযোগ্য অর্থ এবং নিজস্ব ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমাও বিবেচনা করা প্রয়োজন। এসব শর্তের পরিবর্তন গ্রাহকের মোট ব্যয়ে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।

৭ ডিসেম্বরের আগে কী করবেন

মেডিকেয়ারের সুবিধাভোগীদের বর্তমান বিমা পরিকল্পনা ২০২৭ সালেও চালু থাকবে কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন। পাশাপাশি নতুন বছরের মাসিক প্রিমিয়াম, ওষুধের আওতা, কর্তনযোগ্য অর্থ এবং নিজস্ব ব্যয়ের সীমা তুলনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষ করে যাঁদের মেডিকেয়ার অ্যাডভান্টেজ পরিকল্পনা বন্ধ হচ্ছে বা যাঁরা ওষুধের বিমার জন্য আলাদা পরিকল্পনার ওপর নির্ভরশীল, তাঁদের বিকল্পগুলো আগেভাগে যাচাই করা উচিত। নিবন্ধনের শেষ দিন ৭ ডিসেম্বর। নতুন পরিকল্পনা বেছে নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট বিমা প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত শর্ত এবং মেডিকেয়ারের সরকারি তথ্য মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন।

সূত্র: এবিসি নিউজ