ঢাকা ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়া অনন্য গাঙ্গুলীর ‘আত্মহত্যা’

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশঃ ০৭:৩০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 13

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করা অনন্য গাঙ্গুলীর আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর পৌর শহরের বাজার পাড়ায় নিজ বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

অনন্য গাঙ্গুলী ছিলেন কোটচাঁদপুর পৌর মহিলা ডিগ্রি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক প্রদ্যুৎ কুমার গাঙ্গুলী ও স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রাধারানী ভট্টাচার্য্যের বড় সন্তান। তাঁদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। অনন্যর ছোট বোন লিথি মনি গাঙ্গুলীও বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত।

পিএসসি, জেএসসি ও এসএসসি—তিন পরীক্ষাতেই কৃতিত্বের সঙ্গে বৃত্তি অর্জন করেছিলেন অনন্য। তবে কলেজে ওঠার পর মানসিক অসুস্থতাসহ বিভিন্ন কারণে প্রায় পাঁচ বছর পড়ালেখা থেকে দূরে ছিলেন তিনি। পরে আবার পড়াশোনায় ফিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন। ওই বছর প্রকাশিত ফলাফলে তাঁর মোট নম্বর ছিল ১০৩.৯৫ (মূল পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে ৮৩.৯৫)। পরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অনন্য দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। পরিবারের ধারণা, মানসিক যন্ত্রণা থেকেই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। অনন্যর বাবা জানান, তাঁর ছেলে অত্যন্ত মেধাবী হলেও বেশ কিছুদিন ধরে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল।

কোটচাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

অনন্য গাঙ্গুলীর অকাল মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”

শেয়ার করুন

ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়া অনন্য গাঙ্গুলীর ‘আত্মহত্যা’

প্রকাশঃ ০৭:৩০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করা অনন্য গাঙ্গুলীর আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর পৌর শহরের বাজার পাড়ায় নিজ বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

অনন্য গাঙ্গুলী ছিলেন কোটচাঁদপুর পৌর মহিলা ডিগ্রি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক প্রদ্যুৎ কুমার গাঙ্গুলী ও স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রাধারানী ভট্টাচার্য্যের বড় সন্তান। তাঁদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। অনন্যর ছোট বোন লিথি মনি গাঙ্গুলীও বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত।

পিএসসি, জেএসসি ও এসএসসি—তিন পরীক্ষাতেই কৃতিত্বের সঙ্গে বৃত্তি অর্জন করেছিলেন অনন্য। তবে কলেজে ওঠার পর মানসিক অসুস্থতাসহ বিভিন্ন কারণে প্রায় পাঁচ বছর পড়ালেখা থেকে দূরে ছিলেন তিনি। পরে আবার পড়াশোনায় ফিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন। ওই বছর প্রকাশিত ফলাফলে তাঁর মোট নম্বর ছিল ১০৩.৯৫ (মূল পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে ৮৩.৯৫)। পরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অনন্য দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। পরিবারের ধারণা, মানসিক যন্ত্রণা থেকেই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। অনন্যর বাবা জানান, তাঁর ছেলে অত্যন্ত মেধাবী হলেও বেশ কিছুদিন ধরে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল।

কোটচাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

অনন্য গাঙ্গুলীর অকাল মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”