ঢাকা ০১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থনৈতিক চাপে ফেলে পিছু হটতে বাধ্য করব: ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশঃ ০১:৩৯:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • / 3

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাত দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে রূপ নিতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলা অব্যাহত রেখে অর্থনৈতিক চাপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে পিছু হটতে বাধ্য করা হবে।

যুদ্ধের দশম দিনে এসে ইরানের পক্ষ থেকে এমন কঠোর অবস্থান প্রকাশ করা হয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ের বৈদেশিক নীতি উপদেষ্টা কামাল খারাজি সোমবার তেহরানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা নেই। তার মতে, এই সংঘাত এখন কেবল ‘অর্থনৈতিক আঘাতের’ মাধ্যমেই শেষ হতে পারে।

খারাজি বলেন, যুদ্ধের কারণে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে যে চাপ সৃষ্টি হচ্ছে, সেটিই শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে সংঘাত থামাতে বাধ্য করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, উপসাগরীয় আরব দেশ এবং অন্যান্য রাষ্ট্রগুলোর উচিত যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ সৃষ্টি করা, যাতে সংঘাত দ্রুত বন্ধ করা যায়।

খারাজির ভাষ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রভাবে বিভিন্ন দেশে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি ও জ্বালানির ঘাটতি দেখা দিতে পারে। সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে এসব অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়বে এবং তখন অন্য দেশগুলোর হস্তক্ষেপ অনিবার্য হয়ে উঠবে।

এদিকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলার ঘটনা ঘটেছে, যার প্রভাব পড়ছে বিশ্ববাজারেও। বিশেষ করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল বিঘ্নিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ঝুঁকিতে পড়ায় বিশ্ব অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”

শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থনৈতিক চাপে ফেলে পিছু হটতে বাধ্য করব: ইরান

প্রকাশঃ ০১:৩৯:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাত দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে রূপ নিতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলা অব্যাহত রেখে অর্থনৈতিক চাপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে পিছু হটতে বাধ্য করা হবে।

যুদ্ধের দশম দিনে এসে ইরানের পক্ষ থেকে এমন কঠোর অবস্থান প্রকাশ করা হয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ের বৈদেশিক নীতি উপদেষ্টা কামাল খারাজি সোমবার তেহরানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা নেই। তার মতে, এই সংঘাত এখন কেবল ‘অর্থনৈতিক আঘাতের’ মাধ্যমেই শেষ হতে পারে।

খারাজি বলেন, যুদ্ধের কারণে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে যে চাপ সৃষ্টি হচ্ছে, সেটিই শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে সংঘাত থামাতে বাধ্য করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, উপসাগরীয় আরব দেশ এবং অন্যান্য রাষ্ট্রগুলোর উচিত যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ সৃষ্টি করা, যাতে সংঘাত দ্রুত বন্ধ করা যায়।

খারাজির ভাষ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রভাবে বিভিন্ন দেশে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি ও জ্বালানির ঘাটতি দেখা দিতে পারে। সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে এসব অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়বে এবং তখন অন্য দেশগুলোর হস্তক্ষেপ অনিবার্য হয়ে উঠবে।

এদিকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলার ঘটনা ঘটেছে, যার প্রভাব পড়ছে বিশ্ববাজারেও। বিশেষ করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল বিঘ্নিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ঝুঁকিতে পড়ায় বিশ্ব অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”