ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ত্রয়োদশ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার–১ (নাসিরনগর) আসনে জামানত হারালেন যারা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া (নাসিরনগর) প্রতিনিধি
  • প্রকাশঃ ০১:৫৬:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 47


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–১ (নাসিরনগর) সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা আটজন প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজন তাদের জামানত হারিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশের কম ভোট পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জমা দেওয়া জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে মোট ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ। মোট প্রদত্ত ভোটের মধ্যে ৩ হাজার ২২১টি ভোট বাতিল হওয়ায় বৈধ ভোট হিসেবে গণ্য হয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮০৮টি। সে হিসাবে জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ভোটের সীমা নির্ধারিত ছিল ১৮ হাজার ২২৬টি।

এই সীমার নিচে ভোট পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন—
স্বতন্ত্র প্রার্থী কলার ছড়ি প্রতীক নিয়ে ১৭ হাজার ৬২৪ ভোট পাওয়া ইকবাল চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হাতপাখা প্রতীকে ৮৯৪ ভোট পাওয়া হুসাইন আহমদ, জাতীয় পার্টির প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীকে ২৬৪ ভোট পাওয়া মো. শাহ আলম, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থী আপেল প্রতীকে ১৩৮ ভোট পাওয়া মো. শরীফ মৃধা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হাঁস প্রতীকে ১০৬ ভোট পাওয়া মো. হাবিবুর রহমান।

নির্বাচনী ফলাফলে এসব প্রার্থীর ভোটের হার নির্ধারিত সীমার নিচে থাকায় বিধি অনুযায়ী তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”

শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার–১ (নাসিরনগর) আসনে জামানত হারালেন যারা

প্রকাশঃ ০১:৫৬:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–১ (নাসিরনগর) সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা আটজন প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজন তাদের জামানত হারিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশের কম ভোট পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জমা দেওয়া জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে মোট ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ। মোট প্রদত্ত ভোটের মধ্যে ৩ হাজার ২২১টি ভোট বাতিল হওয়ায় বৈধ ভোট হিসেবে গণ্য হয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮০৮টি। সে হিসাবে জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ভোটের সীমা নির্ধারিত ছিল ১৮ হাজার ২২৬টি।

এই সীমার নিচে ভোট পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন—
স্বতন্ত্র প্রার্থী কলার ছড়ি প্রতীক নিয়ে ১৭ হাজার ৬২৪ ভোট পাওয়া ইকবাল চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হাতপাখা প্রতীকে ৮৯৪ ভোট পাওয়া হুসাইন আহমদ, জাতীয় পার্টির প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীকে ২৬৪ ভোট পাওয়া মো. শাহ আলম, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থী আপেল প্রতীকে ১৩৮ ভোট পাওয়া মো. শরীফ মৃধা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হাঁস প্রতীকে ১০৬ ভোট পাওয়া মো. হাবিবুর রহমান।

নির্বাচনী ফলাফলে এসব প্রার্থীর ভোটের হার নির্ধারিত সীমার নিচে থাকায় বিধি অনুযায়ী তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”