ঢাকা ০২:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রথম রোজায় জান্নাত ফাউন্ডেশনে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সঙ্গে লিও ক্লাবের মানবিক ইফতার

  • প্রকাশঃ ০৩:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 35

পবিত্র মাহে রমজানের প্রথম রোজায় জান্নাত ফাউন্ডেশন-এ বেড়ে ওঠা সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে এক মানবিক ও আন্তরিক ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছে লিও ক্লাব অব চিটাগং সেন্ট্রাল। ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধের এই আয়োজনে শিশুদের মাঝে পারিবারিক উষ্ণতার অনুভূতি ফিরে আসে।

ইফতার আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন লিও ক্লাব অব চিটাগং সেন্ট্রালের প্রেসিডেন্ট লিও শারমিন আক্তার সাকি, ক্লাব ডিরেক্টর লিও সাইফুল আরেফিন এবং সদস্য লিও আহমদ সাঈদ। তারা শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান, খোঁজখবর নেন এবং একসঙ্গে ইফতারে অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে লিও শারমিন আক্তার সাকি বলেন, প্রথম রোজা সাধারণত সবাই পরিবারের সঙ্গে পালন করে। কিন্তু আমি খুঁজছি তাদের, যাদের পরিবার নেই এবং পরিবারের সঙ্গে ইফতার করার সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, জান্নাত ফাউন্ডেশনের মতো আশ্রয়কেন্দ্রগুলোই এসব শিশুর জন্য প্রকৃত পরিবার ও অভিভাবকের ভূমিকা পালন করছে। সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষদের এ ধরনের মানবিক উদ্যোগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য নিয়মিত এমন কর্মসূচি অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে মানবিকতার এই ধারাবাহিকতা আরও বিস্তৃত হবে।

শেয়ার করুন

প্রথম রোজায় জান্নাত ফাউন্ডেশনে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সঙ্গে লিও ক্লাবের মানবিক ইফতার

প্রকাশঃ ০৩:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পবিত্র মাহে রমজানের প্রথম রোজায় জান্নাত ফাউন্ডেশন-এ বেড়ে ওঠা সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে এক মানবিক ও আন্তরিক ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছে লিও ক্লাব অব চিটাগং সেন্ট্রাল। ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধের এই আয়োজনে শিশুদের মাঝে পারিবারিক উষ্ণতার অনুভূতি ফিরে আসে।

ইফতার আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন লিও ক্লাব অব চিটাগং সেন্ট্রালের প্রেসিডেন্ট লিও শারমিন আক্তার সাকি, ক্লাব ডিরেক্টর লিও সাইফুল আরেফিন এবং সদস্য লিও আহমদ সাঈদ। তারা শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান, খোঁজখবর নেন এবং একসঙ্গে ইফতারে অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে লিও শারমিন আক্তার সাকি বলেন, প্রথম রোজা সাধারণত সবাই পরিবারের সঙ্গে পালন করে। কিন্তু আমি খুঁজছি তাদের, যাদের পরিবার নেই এবং পরিবারের সঙ্গে ইফতার করার সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, জান্নাত ফাউন্ডেশনের মতো আশ্রয়কেন্দ্রগুলোই এসব শিশুর জন্য প্রকৃত পরিবার ও অভিভাবকের ভূমিকা পালন করছে। সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষদের এ ধরনের মানবিক উদ্যোগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য নিয়মিত এমন কর্মসূচি অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে মানবিকতার এই ধারাবাহিকতা আরও বিস্তৃত হবে।