ঢাকা ১০:৫৭ , Tue, ০১ Sep ২০২৬
বিশ্বসমাচার
যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে কমছে নিয়োগ, কম ছাঁটাইও; নতুন চাকরিপ্রার্থীরাই বেশি চাপে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশঃ ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:০১
  • / 6
যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে নিয়োগের গতি কমলেও ছাঁটাইয়ের হার তুলনামূলকভাবে নিচে রয়েছে ফাইল ছবি

ওয়াশিংটন, ২ সেপ্টেম্বর (প্রজন্ম কথা) – যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে নতুন কর্মী নিয়োগের গতি কমে গেলেও ছাঁটাইয়ের হার তুলনামূলকভাবে নিচে রয়েছে। স্ট্যানফোর্ড ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিক পলিসি রিসার্চের বিশ্লেষণে এই পরিস্থিতিকে কম নিয়োগ ও কম ছাঁটাইয়ের শ্রমবাজার হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন কর্মী নেওয়ার ক্ষেত্রে আগের তুলনায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। একই সময়ে কর্মীদের বড় পরিসরে ছাঁটাইও করছে না। ফলে চাকরিতে থাকা মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের স্থিতিশীলতা কিছুটা বজায় থাকলেও নতুন চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সুযোগ কমে গেছে।

গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়োগের গতি কমে যায় এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিও ধীর হয়ে আসে। এর বিপরীতে ছাঁটাইয়ের হার ঐতিহাসিকভাবে কম পর্যায়ে ছিল। এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে পড়তে পারেন নতুন চাকরিপ্রার্থীরা। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য পড়াশোনা শেষ করা তরুণদের জন্য প্রবেশ পর্যায়ের চাকরির সুযোগ কমে যাওয়ার বিষয়টি উদ্বেগ তৈরি করছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব নিয়েও শ্রমবাজারে আলোচনা চলছে। তবে স্ট্যানফোর্ডের সাম্প্রতিক গবেষণায় এআইয়ের কারণে সামগ্রিক মার্কিন কর্মসংস্থানে বড় ধরনের পতনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে নির্দিষ্ট কিছু পেশায় এর প্রভাব দেখা যেতে পারে। যেসব কাজ প্রযুক্তির মাধ্যমে সহজে স্বয়ংক্রিয় করা সম্ভব, সেসব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন কর্মী নিয়োগের পরিবর্তে এআইভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহারের দিকে যেতে পারে।

২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে উঠেছে নিয়োগের গতি আবার বাড়বে কি না। কম নিয়োগের বর্তমান প্রবণতা দীর্ঘস্থায়ী হলে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির গতি আরও ধীর হতে পারে।

স্ট্যানফোর্ডের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, অধিকাংশ পূর্বাভাসে মাঝারি মাত্রায় কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পাশাপাশি বেকারত্বের হার তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তার, অর্থনৈতিক নীতি ও সুদের হার শ্রমবাজারের গতিপথে প্রভাব ফেলতে পারে।

চাকরি ও আয়সংক্রান্ত পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে কর্মসংস্থান, আয় এবং জীবনযাত্রার ব্যয় ভোটারদের অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।

❤️
👏
🙂
😞

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে কমছে নিয়োগ, কম ছাঁটাইও; নতুন চাকরিপ্রার্থীরাই বেশি চাপে

প্রকাশঃ ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:০১

ওয়াশিংটন, ২ সেপ্টেম্বর (প্রজন্ম কথা) – যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে নতুন কর্মী নিয়োগের গতি কমে গেলেও ছাঁটাইয়ের হার তুলনামূলকভাবে নিচে রয়েছে। স্ট্যানফোর্ড ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিক পলিসি রিসার্চের বিশ্লেষণে এই পরিস্থিতিকে কম নিয়োগ ও কম ছাঁটাইয়ের শ্রমবাজার হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন কর্মী নেওয়ার ক্ষেত্রে আগের তুলনায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। একই সময়ে কর্মীদের বড় পরিসরে ছাঁটাইও করছে না। ফলে চাকরিতে থাকা মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের স্থিতিশীলতা কিছুটা বজায় থাকলেও নতুন চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সুযোগ কমে গেছে।

গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়োগের গতি কমে যায় এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিও ধীর হয়ে আসে। এর বিপরীতে ছাঁটাইয়ের হার ঐতিহাসিকভাবে কম পর্যায়ে ছিল। এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে পড়তে পারেন নতুন চাকরিপ্রার্থীরা। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য পড়াশোনা শেষ করা তরুণদের জন্য প্রবেশ পর্যায়ের চাকরির সুযোগ কমে যাওয়ার বিষয়টি উদ্বেগ তৈরি করছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব নিয়েও শ্রমবাজারে আলোচনা চলছে। তবে স্ট্যানফোর্ডের সাম্প্রতিক গবেষণায় এআইয়ের কারণে সামগ্রিক মার্কিন কর্মসংস্থানে বড় ধরনের পতনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে নির্দিষ্ট কিছু পেশায় এর প্রভাব দেখা যেতে পারে। যেসব কাজ প্রযুক্তির মাধ্যমে সহজে স্বয়ংক্রিয় করা সম্ভব, সেসব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন কর্মী নিয়োগের পরিবর্তে এআইভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহারের দিকে যেতে পারে।

২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে উঠেছে নিয়োগের গতি আবার বাড়বে কি না। কম নিয়োগের বর্তমান প্রবণতা দীর্ঘস্থায়ী হলে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির গতি আরও ধীর হতে পারে।

স্ট্যানফোর্ডের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, অধিকাংশ পূর্বাভাসে মাঝারি মাত্রায় কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পাশাপাশি বেকারত্বের হার তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তার, অর্থনৈতিক নীতি ও সুদের হার শ্রমবাজারের গতিপথে প্রভাব ফেলতে পারে।

চাকরি ও আয়সংক্রান্ত পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে কর্মসংস্থান, আয় এবং জীবনযাত্রার ব্যয় ভোটারদের অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।