মার্কিন নাগরিকত্বের পর স্বামী-সন্তান থেকে বাবা-মা, কাদের নিতে পারবেন যুক্তরাষ্ট্রে, জানুন নিয়ম
- প্রকাশঃ ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১০
- / 0
ওয়াশিংটন, ১ সেপ্টেম্বর, (প্রজন্ম কথা) – ঢাকায় বসে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সন্তানের ফোনের অপেক্ষায় থাকা একটি পরিবারের কথা ভাবুন। ছেলে বা মেয়ে বহু বছর আগে মার্কিন নাগরিকত্ব পেয়েছেন। এখন বাবা-মাকে নিজের কাছে নিতে চান। আবার কারও স্বামী বা স্ত্রী কিংবা ভাই-বোনও যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে যাওয়ার সুযোগের অপেক্ষায় আছেন। এমন পরিবারের জন্য মার্কিন অভিবাসন আইনে পারিবারিক স্পনসরশিপ একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। তবে কোন স্বজনকে কীভাবে নেওয়া যাবে, তা নির্ভর করে আত্মীয়তার ধরন, ভিসা শ্রেণি এবং নির্ধারিত যোগ্যতার ওপর।
মার্কিন নাগরিকরা নির্দিষ্ট পারিবারিক সম্পর্কের ভিত্তিতে স্বামী বা স্ত্রী, সন্তান, বাবা-মা এবং ভাই-বোনকে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য স্পনসর করতে পারেন। এসব সম্পর্কের ক্ষেত্রে আলাদা ভিসা শ্রেণি ও নিয়ম প্রযোজ্য।
মার্কিন নাগরিকের স্বামী বা স্ত্রী এবং ২১ বছরের কম বয়সী অবিবাহিত সন্তান সাধারণত ‘ইমিডিয়েট রিলেটিভ’ শ্রেণির আওতায় পড়েন। এই শ্রেণিতে প্রতিবছর ভিসা দেওয়ার নির্দিষ্ট সংখ্যাগত সীমা নেই। একই শ্রেণিতে ২১ বছর বা তার বেশি বয়সী মার্কিন নাগরিকের বাবা-মাও পারিবারিক অভিবাসনের জন্য আবেদন করতে পারেন।
অন্যদিকে, মার্কিন নাগরিকের ভাই-বোন এবং ২১ বছরের বেশি বয়সী বা বিবাহিত সন্তান ‘ফ্যামিলি প্রেফারেন্স’ শ্রেণির আওতায় পড়েন। এই শ্রেণিতে প্রতিবছর নির্দিষ্ট সংখ্যক ভিসা দেওয়া হয়। ফলে এসব আবেদনকারীর ক্ষেত্রে ভিসা পাওয়ার জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে।
তবে কোনো ব্যক্তির সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক থাকলেই যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে যাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত হয় না। যিনি স্বজনকে স্পনসর করবেন, তাঁকে নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। একই সঙ্গে যাঁর জন্য আবেদন করা হচ্ছে, তাঁকেও অভিবাসন আইনের অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হবে।
গ্রিন কার্ডধারীদের পারিবারিক স্পনসরশিপের সুযোগ মার্কিন নাগরিকদের তুলনায় সীমিত। তাঁরা সাধারণত স্বামী বা স্ত্রী এবং অবিবাহিত সন্তানদের জন্য আবেদন করতে পারেন। বাবা-মা বা ভাই-বোনের জন্য একই ধরনের পারিবারিক অভিবাসন আবেদন করার সুযোগ তাঁদের নেই।
অর্থাৎ, মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে নেওয়ার সুযোগ অনেকটাই বিস্তৃত হয়। তবে কোনো স্বজন কত দ্রুত ভিসা পাবেন, তা নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট ভিসা শ্রেণি এবং ভিসা নম্বরের প্রাপ্যতার ওপর।














