ঢাকা ১১:৫৪ , Mon, ০৭ Sep ২০২৬

২০ বছরেই অক্সফোর্ডে পিএইচডি, হৃদ্‌রোগের নতুন চিকিৎসার সন্ধানে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অহনা

ফাহিম আহমেদ
  • প্রকাশঃ ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫:৪৬
  • / 10
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে হৃদ্‌রোগের জটিল সমস্যা নিয়ে গবেষণা করছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শুচিস্মিতা মৈত্র অহনা ছবি: প্রজন্ম কথা

বয়স তখন মাত্র ২০। স্নাতক শেষ করেই মাস্টার্সের ধাপ পেরোনোর আগেই বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় অক্সফোর্ডে ডিফিল করার সুযোগ পেয়েছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শুচিস্মিতা মৈত্র অহনা। সেই সাফল্যের এক বছর না পেরোতেই এখন তিনি অক্সফোর্ডের র‌্যাডক্লিফ ডিপার্টমেন্ট অব মেডিসিনে হৃদ্‌রোগের জটিল দুই সমস্যা নিয়ে গবেষণা করছেন।

বর্তমানে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সায়েন্সেস বিষয়ে ডিফিলের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী অহনা। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, তিনি রেইলি গবেষণা দলে কাজ করছেন। এই দলের গবেষণার অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হলো হৃদ্‌স্পন্দনের অনিয়মিত অবস্থা এট্রিয়াল ফিব্রিলেশন এবং হৃদ্‌পেশিতে অতিরিক্ত তন্তুময় টিস্যু তৈরি হওয়ার সমস্যা কার্ডিয়াক ফাইব্রোসিস।

অহনার গবেষণার লক্ষ্য এসব হৃদ্‌রোগের পেছনে থাকা জৈবিক ও আণবিক প্রক্রিয়া আরও ভালোভাবে বোঝা এবং সম্ভাব্য নতুন চিকিৎসার পথ খুঁজে বের করা। গবেষণা দলের কাজের মধ্যে রোগের কারণ অনুসন্ধান, রোগপ্রক্রিয়া বিশ্লেষণ এবং প্রাথমিক পর্যায়ের ওষুধ উন্নয়নের গবেষণাও রয়েছে।

অক্সফোর্ডে যোগ দেওয়ার পর ইতোমধ্যে নিজের গবেষণার কাজও উপস্থাপন করেছেন অহনা। র‌্যাডক্লিফ ডিপার্টমেন্ট অব মেডিসিনের আরডিএম ডে ২০২৬ আয়োজনে তিনি মানব হৃদ্‌পিণ্ডের এট্রিয়াল ফাইব্রোব্লাস্ট কোষে নতুন অ্যান্টিফাইব্রোটিক যৌগের কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণা পোস্টার উপস্থাপন করেন।

গবেষণাটিতে পরীক্ষাগারে মানব এট্রিয়াল ফাইব্রোব্লাস্টে নতুন অ্যান্টিফাইব্রোটিক যৌগের কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা হয়। বিদ্যমান ওষুধ বা যৌগের নতুন ব্যবহার খুঁজে বের করে হৃদ্‌পেশির ফাইব্রোসিস প্রতিরোধ বা কমানোর সম্ভাবনা অনুসন্ধানই ছিল এর অন্যতম লক্ষ্য।

এই গবেষণায় অক্সফোর্ডের কার্ডিওভাসকুলার মেডিসিন, টার্গেট ডিসকভারি ইনস্টিটিউট এবং কার্ডিওথোরাসিক সার্জারি বিভাগের গবেষকেরাও যুক্ত ছিলেন।

অহনার গবেষণার পরিধি হৃদ্‌রোগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। অক্সফোর্ডের অফিসিয়াল প্রোফাইলে তাঁকে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ার ও গবেষক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কার্ডিওভাসকুলার ইমেজিং, মলিকিউলার ডায়াগনস্টিকস এবং সার্জারি ও ক্লিনিক্যাল প্রয়োগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারও তাঁর গবেষণার আগ্রহের মধ্যে রয়েছে।

অহনা কিংস কলেজ লন্ডন থেকে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে প্রথম শ্রেণির সম্মানসহ স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। স্নাতক পর্যায়ে তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল হার্ট অ্যাটাকের পর হৃদ্‌যন্ত্রে কী ধরনের পরিবর্তন ঘটে, তা পর্যবেক্ষণে টার্গেটেড মলিকিউলার এমআরআইয়ের ব্যবহার।

পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি ইপিএসআরসি সেন্টার ফর ডক্টরাল ট্রেনিং ইন স্মার্ট মেডিকেল ইমেজিংয়ে গবেষণা ফেলো হিসেবেও কাজ করেন। সেখানে সামার প্লেসমেন্টের অংশ হিসেবে রেটিনাল মাইক্রোসার্জারিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে গবেষণার সুযোগ পান।

মেডিসিন, প্রকৌশল, মেডিকেল ইমেজিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সমন্বিত এই অভিজ্ঞতা পরবর্তী সময়ে তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র তৈরিতে ভূমিকা রাখে।

স্নাতক শেষ করার পর অহনা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিফিলের সুযোগ পাওয়ার পাশাপাশি ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনে মাস্টার্স এবং যুক্তরাজ্যের একটি মেডিকেল স্কুলে এমবিবিএস প্রোগ্রামে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিলেন। কিংস কলেজ লন্ডনের ডক্টরাল ট্রেনিংয়ের জন্য পূর্ণ অর্থায়িত গবেষণা ফেলোশিপের জন্যও নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।

তবে শেষ পর্যন্ত মাস্টার্সে না গিয়ে সরাসরি অক্সফোর্ডে মেডিকেল সায়েন্সেসে ডিফিল শুরু করেন। মাত্র ২০ বছর বয়সে এই সিদ্ধান্ত তাঁকে যুক্তরাজ্যের উচ্চতর গবেষণার পরিসরে আলাদা পরিচিতি এনে দেয়। যুক্তরাজ্যের সাউথএন্ড হাই স্কুল ফর গার্লসে পড়ার সময় থেকেই বিভিন্ন একাডেমিক প্রতিযোগিতায় সাফল্য পান অহনা। গণিত, ইংরেজি ও বিজ্ঞানে জাতীয় পর্যায়ে শীর্ষস্থান অর্জনের পাশাপাশি গণিত প্রতিযোগিতাতেও প্রথম হন তিনি।

শিক্ষার বাইরেও ভাষা, জনসমক্ষে বক্তব্য ও শিল্পকলায় তাঁর আগ্রহ ছিল। ট্রিনিটি কলেজ লন্ডনের ব্রোঞ্জ ও সিলভার আর্টস অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন তিনি। জনসমক্ষে বক্তব্য দেওয়ার দক্ষতার জন্য ল্যামডা গ্রেড-৫ স্পিকিং ইন পাবলিকেও সাফল্য পান এবং জ্যাক পেচি স্পিক আউট চ্যালেঞ্জে আঞ্চলিক পর্যায়ে ফাইনালিস্ট হন।

বাংলাদেশি শিকড় নিয়ে যুক্তরাজ্যে বেড়ে ওঠা অহনার বাবা সুকান্ত মৈত্র একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক এবং মা কণিকা মুখার্জি সাবেক সহকারী শিক্ষক। তাঁর বাবার পৈতৃক বাড়ি বাংলাদেশের রাজবাড়ীতে এবং মায়ের পৈতৃক বাড়ি বরিশালে।

মাত্র ২০ বছর বয়সে মাস্টার্স ছাড়াই অক্সফোর্ডে ডিফিলের সুযোগ পাওয়া ছিল অহনার শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তবে তাঁর গবেষণার পথ এখন আরও নির্দিষ্ট হয়ে উঠেছে। বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ গবেষণা পরিবেশে তিনি এখন এট্রিয়াল ফিব্রিলেশন ও কার্ডিয়াক ফাইব্রোসিসের মতো জটিল হৃদ্‌রোগের পেছনের প্রক্রিয়া এবং সম্ভাব্য নতুন চিকিৎসা নিয়ে কাজ করছেন।

বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে মেডিকেল ইমেজিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হয়ে হৃদ্‌রোগ গবেষণায় তাঁর এই যাত্রা ভবিষ্যতে নতুন চিকিৎসা ও ওষুধ উন্নয়নের গবেষণায় আরও বিস্তৃত ভূমিকার সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

❤️
👏
🙂
😞

২০ বছরেই অক্সফোর্ডে পিএইচডি, হৃদ্‌রোগের নতুন চিকিৎসার সন্ধানে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অহনা

প্রকাশঃ ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫:৪৬

বয়স তখন মাত্র ২০। স্নাতক শেষ করেই মাস্টার্সের ধাপ পেরোনোর আগেই বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় অক্সফোর্ডে ডিফিল করার সুযোগ পেয়েছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শুচিস্মিতা মৈত্র অহনা। সেই সাফল্যের এক বছর না পেরোতেই এখন তিনি অক্সফোর্ডের র‌্যাডক্লিফ ডিপার্টমেন্ট অব মেডিসিনে হৃদ্‌রোগের জটিল দুই সমস্যা নিয়ে গবেষণা করছেন।

বর্তমানে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সায়েন্সেস বিষয়ে ডিফিলের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী অহনা। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, তিনি রেইলি গবেষণা দলে কাজ করছেন। এই দলের গবেষণার অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হলো হৃদ্‌স্পন্দনের অনিয়মিত অবস্থা এট্রিয়াল ফিব্রিলেশন এবং হৃদ্‌পেশিতে অতিরিক্ত তন্তুময় টিস্যু তৈরি হওয়ার সমস্যা কার্ডিয়াক ফাইব্রোসিস।

অহনার গবেষণার লক্ষ্য এসব হৃদ্‌রোগের পেছনে থাকা জৈবিক ও আণবিক প্রক্রিয়া আরও ভালোভাবে বোঝা এবং সম্ভাব্য নতুন চিকিৎসার পথ খুঁজে বের করা। গবেষণা দলের কাজের মধ্যে রোগের কারণ অনুসন্ধান, রোগপ্রক্রিয়া বিশ্লেষণ এবং প্রাথমিক পর্যায়ের ওষুধ উন্নয়নের গবেষণাও রয়েছে।

অক্সফোর্ডে যোগ দেওয়ার পর ইতোমধ্যে নিজের গবেষণার কাজও উপস্থাপন করেছেন অহনা। র‌্যাডক্লিফ ডিপার্টমেন্ট অব মেডিসিনের আরডিএম ডে ২০২৬ আয়োজনে তিনি মানব হৃদ্‌পিণ্ডের এট্রিয়াল ফাইব্রোব্লাস্ট কোষে নতুন অ্যান্টিফাইব্রোটিক যৌগের কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণা পোস্টার উপস্থাপন করেন।

গবেষণাটিতে পরীক্ষাগারে মানব এট্রিয়াল ফাইব্রোব্লাস্টে নতুন অ্যান্টিফাইব্রোটিক যৌগের কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা হয়। বিদ্যমান ওষুধ বা যৌগের নতুন ব্যবহার খুঁজে বের করে হৃদ্‌পেশির ফাইব্রোসিস প্রতিরোধ বা কমানোর সম্ভাবনা অনুসন্ধানই ছিল এর অন্যতম লক্ষ্য।

এই গবেষণায় অক্সফোর্ডের কার্ডিওভাসকুলার মেডিসিন, টার্গেট ডিসকভারি ইনস্টিটিউট এবং কার্ডিওথোরাসিক সার্জারি বিভাগের গবেষকেরাও যুক্ত ছিলেন।

অহনার গবেষণার পরিধি হৃদ্‌রোগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। অক্সফোর্ডের অফিসিয়াল প্রোফাইলে তাঁকে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ার ও গবেষক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কার্ডিওভাসকুলার ইমেজিং, মলিকিউলার ডায়াগনস্টিকস এবং সার্জারি ও ক্লিনিক্যাল প্রয়োগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারও তাঁর গবেষণার আগ্রহের মধ্যে রয়েছে।

অহনা কিংস কলেজ লন্ডন থেকে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে প্রথম শ্রেণির সম্মানসহ স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। স্নাতক পর্যায়ে তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল হার্ট অ্যাটাকের পর হৃদ্‌যন্ত্রে কী ধরনের পরিবর্তন ঘটে, তা পর্যবেক্ষণে টার্গেটেড মলিকিউলার এমআরআইয়ের ব্যবহার।

পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি ইপিএসআরসি সেন্টার ফর ডক্টরাল ট্রেনিং ইন স্মার্ট মেডিকেল ইমেজিংয়ে গবেষণা ফেলো হিসেবেও কাজ করেন। সেখানে সামার প্লেসমেন্টের অংশ হিসেবে রেটিনাল মাইক্রোসার্জারিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে গবেষণার সুযোগ পান।

মেডিসিন, প্রকৌশল, মেডিকেল ইমেজিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সমন্বিত এই অভিজ্ঞতা পরবর্তী সময়ে তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র তৈরিতে ভূমিকা রাখে।

স্নাতক শেষ করার পর অহনা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিফিলের সুযোগ পাওয়ার পাশাপাশি ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনে মাস্টার্স এবং যুক্তরাজ্যের একটি মেডিকেল স্কুলে এমবিবিএস প্রোগ্রামে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিলেন। কিংস কলেজ লন্ডনের ডক্টরাল ট্রেনিংয়ের জন্য পূর্ণ অর্থায়িত গবেষণা ফেলোশিপের জন্যও নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।

তবে শেষ পর্যন্ত মাস্টার্সে না গিয়ে সরাসরি অক্সফোর্ডে মেডিকেল সায়েন্সেসে ডিফিল শুরু করেন। মাত্র ২০ বছর বয়সে এই সিদ্ধান্ত তাঁকে যুক্তরাজ্যের উচ্চতর গবেষণার পরিসরে আলাদা পরিচিতি এনে দেয়। যুক্তরাজ্যের সাউথএন্ড হাই স্কুল ফর গার্লসে পড়ার সময় থেকেই বিভিন্ন একাডেমিক প্রতিযোগিতায় সাফল্য পান অহনা। গণিত, ইংরেজি ও বিজ্ঞানে জাতীয় পর্যায়ে শীর্ষস্থান অর্জনের পাশাপাশি গণিত প্রতিযোগিতাতেও প্রথম হন তিনি।

শিক্ষার বাইরেও ভাষা, জনসমক্ষে বক্তব্য ও শিল্পকলায় তাঁর আগ্রহ ছিল। ট্রিনিটি কলেজ লন্ডনের ব্রোঞ্জ ও সিলভার আর্টস অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন তিনি। জনসমক্ষে বক্তব্য দেওয়ার দক্ষতার জন্য ল্যামডা গ্রেড-৫ স্পিকিং ইন পাবলিকেও সাফল্য পান এবং জ্যাক পেচি স্পিক আউট চ্যালেঞ্জে আঞ্চলিক পর্যায়ে ফাইনালিস্ট হন।

বাংলাদেশি শিকড় নিয়ে যুক্তরাজ্যে বেড়ে ওঠা অহনার বাবা সুকান্ত মৈত্র একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক এবং মা কণিকা মুখার্জি সাবেক সহকারী শিক্ষক। তাঁর বাবার পৈতৃক বাড়ি বাংলাদেশের রাজবাড়ীতে এবং মায়ের পৈতৃক বাড়ি বরিশালে।

মাত্র ২০ বছর বয়সে মাস্টার্স ছাড়াই অক্সফোর্ডে ডিফিলের সুযোগ পাওয়া ছিল অহনার শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তবে তাঁর গবেষণার পথ এখন আরও নির্দিষ্ট হয়ে উঠেছে। বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ গবেষণা পরিবেশে তিনি এখন এট্রিয়াল ফিব্রিলেশন ও কার্ডিয়াক ফাইব্রোসিসের মতো জটিল হৃদ্‌রোগের পেছনের প্রক্রিয়া এবং সম্ভাব্য নতুন চিকিৎসা নিয়ে কাজ করছেন।

বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে মেডিকেল ইমেজিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হয়ে হৃদ্‌রোগ গবেষণায় তাঁর এই যাত্রা ভবিষ্যতে নতুন চিকিৎসা ও ওষুধ উন্নয়নের গবেষণায় আরও বিস্তৃত ভূমিকার সম্ভাবনা তৈরি করেছে।