ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের নেতৃত্বে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ত্রিশিতা মওলা
- প্রকাশঃ ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৭
- / 25
ঢাকা, ৩ অক্টোবর, (প্রজন্ম কথা) – বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন কূটনীতিক ত্রিশিতা মওলা ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন। মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন নয়াদিল্লি সফরে থাকায় বর্তমানে দূতাবাসের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি।
ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের নেতৃত্ব দেওয়া প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কূটনীতিক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া ত্রিশিতা পেশাদার মার্কিন পররাষ্ট্রসেবা কর্মকর্তা। স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কূটনৈতিক কার্যক্রমে এরই মধ্যে সক্রিয় হয়েছেন তিনি।
নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পর বৃহস্পতিবার ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র সরকারের দেওয়া ৫ লাখ ডেঙ্গু এনএস১ দ্রুত শনাক্তকরণ পরীক্ষার কিট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সারদার মো. সাখাওয়াত হোসাইনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন ত্রিশিতা। কিটগুলো যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে পরিচালিত স্ট্রাইডস কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশে সরবরাহ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কিটগুলো প্রথমে কেন্দ্রীয় ওষুধাগারে সংরক্ষণ করা হবে। পরে চাহিদার ভিত্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে বিতরণ করা হবে।
ত্রিশিতা ২০০৮ সালে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিশেষায়িত সাধারণ কর্মকর্তা হিসেবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে যোগ দেন। এর আগে বাংলাদেশে কনস্যুলার দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
কূটনৈতিক জীবনে সুইজারল্যান্ড, উত্তর মেসিডোনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও পডগোরিৎসায় ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন। আলবেনিয়ার রাজধানী তিরানায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসেও ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
নিউইয়র্কে জন্ম ও বেড়ে ওঠা ত্রিশিতা বার্নার্ড কলেজ, কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি ও গণিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে ঢাকায় মহানগর পুলিশ কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধিদলের বৈঠকেও নেতৃত্ব দেন ত্রিশিতা।
বৈঠকে বিশেষায়িত পুলিশিং, প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নিরাপত্তা সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
দূতাবাসের নেতৃত্বে নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পর স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে এসব কার্যক্রমে ত্রিশিতার সক্রিয় উপস্থিতি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগের ধারাবাহিকতাও তুলে ধরছে।


















