ঢাকা ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঐতিহাসিক কুবা মসজিদে ২০২৫ সালে ২ কোটি ৬০ লাখ মুসল্লির আগমন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশঃ ০৩:৩০:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 23

ইসলামের ইতিহাসে প্রথম প্রতিষ্ঠিত মসজিদ হিসেবে খ্যাত মদিনার মসজিদে কুবায় ২০২৫ সালে ইবাদত ও জিয়ারতের জন্য আগমন করেছেন ২ কোটি ৬০ লাখেরও বেশি মুসল্লি ও দর্শনার্থী। বিপুল এই সমাগম মসজিদটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও আধ্যাত্মিক মর্যাদাকেই নতুন করে তুলে ধরেছে।

সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বছরজুড়ে দেশ-বিদেশ থেকে আগত মুসল্লিরা কুবা মসজিদে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে বিশেষ আধ্যাত্মিক প্রশান্তি লাভ করেন। মুসল্লিদের অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ করতে মসজিদটিকে ঘিরে একটি সমন্বিত ও আধুনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে।

২০২৫ সালজুড়ে মদিনা অঞ্চল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে মসজিদে কুবায় ব্যাপক উন্নয়ন ও সংস্কারকাজ পরিচালিত হয়। এর অংশ হিসেবে নতুন করে ২ হাজার ৫০০ বর্গমিটার আয়তনের নামাজের স্থান প্রস্তুত করা হয়েছে। পাশাপাশি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়িয়ে ১৬০ টনের বেশি করা হয়েছে, যা গরম মৌসুমে মুসল্লিদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করছে।

দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে মসজিদের বাইরে ১৫০টিরও বেশি ছাউনি স্থাপন করা হয়েছে। একই সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তিতে উন্নীত করা হয়েছে সাউন্ড সিস্টেম, যেখানে যুক্ত করা হয়েছে ১৬০টি স্পিকার। মসজিদের আঙিনাজুড়ে প্রায় ৩ হাজার বর্গমিটার এলাকায় নতুন কার্পেট বিছানো হয়েছে, যাতে মুসল্লিরা নিরাপদ ও আরামদায়ক পরিবেশে ইবাদত করতে পারেন।

সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব উন্নয়নকাজ সৌদি ভিশন ২০৩০-এর অংশ। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো কুবা মসজিদের মতো ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে আগত মুসল্লি ও দর্শনার্থীদের জন্য আরও উন্নত ও স্মরণীয় অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা।

ইসলামের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিকতার এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে মসজিদে কুবা আজও বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের গভীর শ্রদ্ধা ও আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে রয়েছে।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”

প্রাসঙ্গিক

শেয়ার করুন

ঐতিহাসিক কুবা মসজিদে ২০২৫ সালে ২ কোটি ৬০ লাখ মুসল্লির আগমন

প্রকাশঃ ০৩:৩০:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

ইসলামের ইতিহাসে প্রথম প্রতিষ্ঠিত মসজিদ হিসেবে খ্যাত মদিনার মসজিদে কুবায় ২০২৫ সালে ইবাদত ও জিয়ারতের জন্য আগমন করেছেন ২ কোটি ৬০ লাখেরও বেশি মুসল্লি ও দর্শনার্থী। বিপুল এই সমাগম মসজিদটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও আধ্যাত্মিক মর্যাদাকেই নতুন করে তুলে ধরেছে।

সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বছরজুড়ে দেশ-বিদেশ থেকে আগত মুসল্লিরা কুবা মসজিদে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে বিশেষ আধ্যাত্মিক প্রশান্তি লাভ করেন। মুসল্লিদের অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ করতে মসজিদটিকে ঘিরে একটি সমন্বিত ও আধুনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে।

২০২৫ সালজুড়ে মদিনা অঞ্চল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে মসজিদে কুবায় ব্যাপক উন্নয়ন ও সংস্কারকাজ পরিচালিত হয়। এর অংশ হিসেবে নতুন করে ২ হাজার ৫০০ বর্গমিটার আয়তনের নামাজের স্থান প্রস্তুত করা হয়েছে। পাশাপাশি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়িয়ে ১৬০ টনের বেশি করা হয়েছে, যা গরম মৌসুমে মুসল্লিদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করছে।

দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে মসজিদের বাইরে ১৫০টিরও বেশি ছাউনি স্থাপন করা হয়েছে। একই সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তিতে উন্নীত করা হয়েছে সাউন্ড সিস্টেম, যেখানে যুক্ত করা হয়েছে ১৬০টি স্পিকার। মসজিদের আঙিনাজুড়ে প্রায় ৩ হাজার বর্গমিটার এলাকায় নতুন কার্পেট বিছানো হয়েছে, যাতে মুসল্লিরা নিরাপদ ও আরামদায়ক পরিবেশে ইবাদত করতে পারেন।

সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব উন্নয়নকাজ সৌদি ভিশন ২০৩০-এর অংশ। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো কুবা মসজিদের মতো ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে আগত মুসল্লি ও দর্শনার্থীদের জন্য আরও উন্নত ও স্মরণীয় অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা।

ইসলামের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিকতার এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে মসজিদে কুবা আজও বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের গভীর শ্রদ্ধা ও আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে রয়েছে।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”