ঢাকা ০৭:২০ , Thu, ২৩ Jul ২০২৬
বিশ্বসমাচার
আমেরিকা

আমেরিকায় নতুন এসেছেন? কম ইংরেজিতেও যেসব চাকরি দিয়ে শুরু করতে পারেন ক্যারিয়ার

কাবেরী চক্রবর্তী
  • প্রকাশঃ ২৩ জুলাই ২০২৬, ১২:২৬
  • / 4
গ্রাফিক্স: প্রজন্ম কথা

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন অভিবাসীদের জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা। অনেকের ধারণা, ভালো ইংরেজি না জানলে চাকরি পাওয়া সম্ভব নয়। তবে বাস্তবে এমন বেশ কয়েকটি খাত রয়েছে, যেখানে কাজের দক্ষতা ও প্রশিক্ষণকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে ওয়্যারহাউস, নির্মাণ, আতিথেয়তা এবং পরিচ্ছন্নতা খাতে ২০২৬ সালেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মী নিয়োগ হচ্ছে।

তবে কর্মসংস্থান-সংশ্লিষ্টরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, কোনো চাকরিতেই পুরোপুরি ইংরেজি ছাড়া কাজ করা সম্ভব নয়। নিরাপত্তা নির্দেশনা বোঝা, সহকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করা এবং মৌলিক যোগাযোগের জন্য অন্তত প্রাথমিক পর্যায়ের ইংরেজি জানা প্রয়োজন।

ওয়্যারহাউস অ্যাসোসিয়েট বা প্যাকেজ হ্যান্ডলার

অ্যামাজন, ওয়ালমার্ট, ফেডএক্স ও ইউপিএসের মতো প্রতিষ্ঠানে ওয়্যারহাউস অ্যাসোসিয়েট বা প্যাকেজ হ্যান্ডলারের চাহিদা তুলনামূলক বেশি। এসব প্রতিষ্ঠানে মূল কাজ পণ্য স্ক্যান করা, প্যাকিং এবং লোড-আনলোড করা।

অনেক ক্ষেত্রে নির্দেশনা স্ক্রিনে ছবি ও নম্বরের মাধ্যমে দেওয়া হয়। কিছু কর্মস্থলে বাংলা বা স্প্যানিশ ভাষাভাষী সুপারভাইজারও থাকেন। ২০২৬ সালে এ ধরনের চাকরিতে ঘণ্টাপ্রতি আনুমানিক ১৭ থেকে ২২ ডলার পর্যন্ত আয়ের সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি ওভারটাইম, স্বাস্থ্যবিমা এবং পদোন্নতির সুযোগও থাকে।

হাউসকিপিং ও পরিচ্ছন্নতা সেবা

হোটেল, হাসপাতাল, স্কুল এবং অফিস ভবনে হাউসকিপার, জ্যানিটর বা ক্লিনারের চাহিদা সবসময়ই থাকে। বিশেষ করে হোটেল হাউসকিপিং বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে জনপ্রিয় একটি পেশা।

রুম পরিষ্কার, বিছানা গোছানো এবং বাথরুম পরিষ্কারের মতো নির্ধারিত কাজ হওয়ায় কথোপকথনের প্রয়োজন তুলনামূলক কম। এ ধরনের কাজে ঘণ্টাপ্রতি সাধারণত ১৪ থেকে ১৯ ডলার পর্যন্ত আয় করা যায়। হোটেলে কাজ করলে অতিরিক্ত টিপস পাওয়ার সুযোগও থাকে। তবে হাসপাতালে কাজের ক্ষেত্রে তুলনামূলক বেশি ইংরেজি জানা প্রয়োজন হতে পারে।

ডিশওয়াশার, কিচেন হেলপার ও প্রেপ কুক

রেস্টুরেন্ট, ফাস্টফুড চেইন এবং হোটেলের রান্নাঘরে নিয়মিত কর্মী নিয়োগ হয়। ডিশওয়াশার, কিচেন হেলপার বা প্রেপ কুক হিসেবে কাজ করলে গ্রাহকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের প্রয়োজন কম থাকে।

সাধারণত শেফ বা সুপারভাইজার হাতে-কলমে কাজ শিখিয়ে দেন। এ ধরনের চাকরিতে ঘণ্টাপ্রতি আনুমানিক ১৩ থেকে ১৮ ডলার পর্যন্ত আয় করা সম্ভব। অনেক প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের জন্য বিনা মূল্যে খাবারের ব্যবস্থাও থাকে। অভিজ্ঞতা অর্জনের মাধ্যমে ডিশওয়াশার থেকে প্রেপ কুক, লাইন কুক এবং পরে শেফ পদে উন্নীত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

কনস্ট্রাকশন ও ল্যান্ডস্কেপিং

নির্মাণশ্রমিক এবং ল্যান্ডস্কেপিং কর্মীদেরও যুক্তরাষ্ট্রে ভালো চাহিদা রয়েছে। এসব কাজে শারীরিক পরিশ্রম বেশি হলেও পারিশ্রমিক তুলনামূলক বেশি।

কাজের অধিকাংশই হাতে-কলমে শেখানো হয় এবং অনেক কর্মীদলে বাংলা বা স্প্যানিশ ভাষাভাষী সদস্য থাকেন। ঘণ্টাপ্রতি সাধারণত ১৮ থেকে ২৮ ডলার পর্যন্ত আয় করা যায়। তবে নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ বোঝার জন্য মৌলিক ইংরেজি জানা বাধ্যতামূলক। ওএসএইচএ (OSHA) সার্টিফিকেট থাকলে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

কৃষি খাত

এইচ-২এ (H-2A) ভিসা কর্মসূচির আওতায় ক্যালিফোর্নিয়া, ফ্লোরিডা ও টেক্সাসের বিভিন্ন খামারে কৃষিশ্রমিক নিয়োগ করা হয়।

ফসল সংগ্রহ, প্যাকিং এবং কৃষিকাজে যুক্ত এসব কর্মীর অনেকেই দলবদ্ধভাবে কাজ করেন। অনেক খামারে বাংলাদেশি ও মেক্সিকান কর্মীও থাকেন। এ ধরনের কাজে ঘণ্টাপ্রতি প্রায় ১৪ থেকে ১৭ ডলার পর্যন্ত আয়ের সুযোগ রয়েছে। কিছু প্রতিষ্ঠানে থাকার ব্যবস্থাও দেওয়া হয়।

ডেলিভারি ও রাইডশেয়ার

বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং কাজের অনুমতি থাকলে অ্যামাজন ফ্লেক্স, ডোরড্যাশ বা উবার ইটসের মতো প্ল্যাটফর্মে কাজ করা যেতে পারে।

এসব প্ল্যাটফর্মে বেশিরভাগ নির্দেশনা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে দেওয়া হয় এবং গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ সীমিত থাকে। টিপসসহ ঘণ্টাপ্রতি প্রায় ১৮ থেকে ২৫ ডলার পর্যন্ত আয় করা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈধ ওয়ার্ক অথরাইজেশন ছাড়া বড় প্রতিষ্ঠানগুলোতে চাকরি পাওয়া সম্ভব নয়। অ্যামাজন, ওয়ালমার্টসহ অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে ই-ভেরিফাই (E-Verify) ব্যবস্থার মাধ্যমে কর্মীর বৈধ কাগজপত্র যাচাই করা হয়। তুলনামূলক কম ইংরেজি লাগে এমন চাকরিতে প্রতিযোগিতা বেশি থাকায় শুরুতে বেতন কম হতে পারে। তবে ৬ থেকে ১২ মাস অভিজ্ঞতা অর্জনের পর সুপারভাইজার বা টিম লিড পদে উন্নীত হলে আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। কর্মজীবনে অগ্রগতির জন্য ইংরেজি শেখার ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। একই কর্মস্থলে ভালো ইংরেজি জানা কর্মীরা তুলনামূলক দ্রুত নেতৃত্বের দায়িত্ব পেয়ে থাকেন।

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে পাবলিক লাইব্রেরি ও কমিউনিটি সেন্টারে বিনা মূল্যে ইংরেজি শেখার ইএসএল (English as a Second Language) ক্লাস পরিচালিত হয়। এছাড়া ইউটিউবে পেশাভিত্তিক ইংরেজি শেখার ভিডিও এবং গুগল ট্রান্সলেটের কনভারসেশন মোডও নতুনদের জন্য সহায়ক হতে পারে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে অনেক অভিবাসীই প্রথম এক থেকে দুই বছর তুলনামূলক কম ইংরেজি লাগে এমন চাকরি দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। পাশাপাশি নিয়মিত ইংরেজি শেখার মাধ্যমে পরবর্তীতে আরও ভালো বেতনের চাকরিতে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

ডিসক্লেইমার: এই তথ্যগুলো সাধারণ তথ্যভিত্তিক। এটি কোনো চাকরির নিশ্চয়তা বা ভিসা-সংক্রান্ত পরামর্শ নয়। বেতন, নিয়োগের শর্ত ও কর্মপরিবেশ অঙ্গরাজ্য, প্রতিষ্ঠান এবং কাজের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।

❤️
👏
🙂
😞

আমেরিকায় নতুন এসেছেন? কম ইংরেজিতেও যেসব চাকরি দিয়ে শুরু করতে পারেন ক্যারিয়ার

প্রকাশঃ ২৩ জুলাই ২০২৬, ১২:২৬

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন অভিবাসীদের জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা। অনেকের ধারণা, ভালো ইংরেজি না জানলে চাকরি পাওয়া সম্ভব নয়। তবে বাস্তবে এমন বেশ কয়েকটি খাত রয়েছে, যেখানে কাজের দক্ষতা ও প্রশিক্ষণকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে ওয়্যারহাউস, নির্মাণ, আতিথেয়তা এবং পরিচ্ছন্নতা খাতে ২০২৬ সালেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মী নিয়োগ হচ্ছে।

তবে কর্মসংস্থান-সংশ্লিষ্টরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, কোনো চাকরিতেই পুরোপুরি ইংরেজি ছাড়া কাজ করা সম্ভব নয়। নিরাপত্তা নির্দেশনা বোঝা, সহকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করা এবং মৌলিক যোগাযোগের জন্য অন্তত প্রাথমিক পর্যায়ের ইংরেজি জানা প্রয়োজন।

ওয়্যারহাউস অ্যাসোসিয়েট বা প্যাকেজ হ্যান্ডলার

অ্যামাজন, ওয়ালমার্ট, ফেডএক্স ও ইউপিএসের মতো প্রতিষ্ঠানে ওয়্যারহাউস অ্যাসোসিয়েট বা প্যাকেজ হ্যান্ডলারের চাহিদা তুলনামূলক বেশি। এসব প্রতিষ্ঠানে মূল কাজ পণ্য স্ক্যান করা, প্যাকিং এবং লোড-আনলোড করা।

অনেক ক্ষেত্রে নির্দেশনা স্ক্রিনে ছবি ও নম্বরের মাধ্যমে দেওয়া হয়। কিছু কর্মস্থলে বাংলা বা স্প্যানিশ ভাষাভাষী সুপারভাইজারও থাকেন। ২০২৬ সালে এ ধরনের চাকরিতে ঘণ্টাপ্রতি আনুমানিক ১৭ থেকে ২২ ডলার পর্যন্ত আয়ের সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি ওভারটাইম, স্বাস্থ্যবিমা এবং পদোন্নতির সুযোগও থাকে।

হাউসকিপিং ও পরিচ্ছন্নতা সেবা

হোটেল, হাসপাতাল, স্কুল এবং অফিস ভবনে হাউসকিপার, জ্যানিটর বা ক্লিনারের চাহিদা সবসময়ই থাকে। বিশেষ করে হোটেল হাউসকিপিং বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে জনপ্রিয় একটি পেশা।

রুম পরিষ্কার, বিছানা গোছানো এবং বাথরুম পরিষ্কারের মতো নির্ধারিত কাজ হওয়ায় কথোপকথনের প্রয়োজন তুলনামূলক কম। এ ধরনের কাজে ঘণ্টাপ্রতি সাধারণত ১৪ থেকে ১৯ ডলার পর্যন্ত আয় করা যায়। হোটেলে কাজ করলে অতিরিক্ত টিপস পাওয়ার সুযোগও থাকে। তবে হাসপাতালে কাজের ক্ষেত্রে তুলনামূলক বেশি ইংরেজি জানা প্রয়োজন হতে পারে।

ডিশওয়াশার, কিচেন হেলপার ও প্রেপ কুক

রেস্টুরেন্ট, ফাস্টফুড চেইন এবং হোটেলের রান্নাঘরে নিয়মিত কর্মী নিয়োগ হয়। ডিশওয়াশার, কিচেন হেলপার বা প্রেপ কুক হিসেবে কাজ করলে গ্রাহকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের প্রয়োজন কম থাকে।

সাধারণত শেফ বা সুপারভাইজার হাতে-কলমে কাজ শিখিয়ে দেন। এ ধরনের চাকরিতে ঘণ্টাপ্রতি আনুমানিক ১৩ থেকে ১৮ ডলার পর্যন্ত আয় করা সম্ভব। অনেক প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের জন্য বিনা মূল্যে খাবারের ব্যবস্থাও থাকে। অভিজ্ঞতা অর্জনের মাধ্যমে ডিশওয়াশার থেকে প্রেপ কুক, লাইন কুক এবং পরে শেফ পদে উন্নীত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

কনস্ট্রাকশন ও ল্যান্ডস্কেপিং

নির্মাণশ্রমিক এবং ল্যান্ডস্কেপিং কর্মীদেরও যুক্তরাষ্ট্রে ভালো চাহিদা রয়েছে। এসব কাজে শারীরিক পরিশ্রম বেশি হলেও পারিশ্রমিক তুলনামূলক বেশি।

কাজের অধিকাংশই হাতে-কলমে শেখানো হয় এবং অনেক কর্মীদলে বাংলা বা স্প্যানিশ ভাষাভাষী সদস্য থাকেন। ঘণ্টাপ্রতি সাধারণত ১৮ থেকে ২৮ ডলার পর্যন্ত আয় করা যায়। তবে নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ বোঝার জন্য মৌলিক ইংরেজি জানা বাধ্যতামূলক। ওএসএইচএ (OSHA) সার্টিফিকেট থাকলে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

কৃষি খাত

এইচ-২এ (H-2A) ভিসা কর্মসূচির আওতায় ক্যালিফোর্নিয়া, ফ্লোরিডা ও টেক্সাসের বিভিন্ন খামারে কৃষিশ্রমিক নিয়োগ করা হয়।

ফসল সংগ্রহ, প্যাকিং এবং কৃষিকাজে যুক্ত এসব কর্মীর অনেকেই দলবদ্ধভাবে কাজ করেন। অনেক খামারে বাংলাদেশি ও মেক্সিকান কর্মীও থাকেন। এ ধরনের কাজে ঘণ্টাপ্রতি প্রায় ১৪ থেকে ১৭ ডলার পর্যন্ত আয়ের সুযোগ রয়েছে। কিছু প্রতিষ্ঠানে থাকার ব্যবস্থাও দেওয়া হয়।

ডেলিভারি ও রাইডশেয়ার

বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং কাজের অনুমতি থাকলে অ্যামাজন ফ্লেক্স, ডোরড্যাশ বা উবার ইটসের মতো প্ল্যাটফর্মে কাজ করা যেতে পারে।

এসব প্ল্যাটফর্মে বেশিরভাগ নির্দেশনা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে দেওয়া হয় এবং গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ সীমিত থাকে। টিপসসহ ঘণ্টাপ্রতি প্রায় ১৮ থেকে ২৫ ডলার পর্যন্ত আয় করা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈধ ওয়ার্ক অথরাইজেশন ছাড়া বড় প্রতিষ্ঠানগুলোতে চাকরি পাওয়া সম্ভব নয়। অ্যামাজন, ওয়ালমার্টসহ অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে ই-ভেরিফাই (E-Verify) ব্যবস্থার মাধ্যমে কর্মীর বৈধ কাগজপত্র যাচাই করা হয়। তুলনামূলক কম ইংরেজি লাগে এমন চাকরিতে প্রতিযোগিতা বেশি থাকায় শুরুতে বেতন কম হতে পারে। তবে ৬ থেকে ১২ মাস অভিজ্ঞতা অর্জনের পর সুপারভাইজার বা টিম লিড পদে উন্নীত হলে আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। কর্মজীবনে অগ্রগতির জন্য ইংরেজি শেখার ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। একই কর্মস্থলে ভালো ইংরেজি জানা কর্মীরা তুলনামূলক দ্রুত নেতৃত্বের দায়িত্ব পেয়ে থাকেন।

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে পাবলিক লাইব্রেরি ও কমিউনিটি সেন্টারে বিনা মূল্যে ইংরেজি শেখার ইএসএল (English as a Second Language) ক্লাস পরিচালিত হয়। এছাড়া ইউটিউবে পেশাভিত্তিক ইংরেজি শেখার ভিডিও এবং গুগল ট্রান্সলেটের কনভারসেশন মোডও নতুনদের জন্য সহায়ক হতে পারে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে অনেক অভিবাসীই প্রথম এক থেকে দুই বছর তুলনামূলক কম ইংরেজি লাগে এমন চাকরি দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। পাশাপাশি নিয়মিত ইংরেজি শেখার মাধ্যমে পরবর্তীতে আরও ভালো বেতনের চাকরিতে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

ডিসক্লেইমার: এই তথ্যগুলো সাধারণ তথ্যভিত্তিক। এটি কোনো চাকরির নিশ্চয়তা বা ভিসা-সংক্রান্ত পরামর্শ নয়। বেতন, নিয়োগের শর্ত ও কর্মপরিবেশ অঙ্গরাজ্য, প্রতিষ্ঠান এবং কাজের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।