ঢাকা ১০:২৩ , Tue, ০১ Sep ২০২৬
বিশ্বসমাচার
যুক্তরাজ্যে

কমনওয়েলথ স্কলারশিপে যুক্তরাজ্যে বিনামূল্যে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডির সুযোগ

আয়ান সরকার
  • প্রকাশঃ ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৪
  • / 12
ছবি: সংগৃহীত

লন্ডন, ১ সেপ্টেম্বর, (প্রজন্ম কথা) উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশসহ কমনওয়েলথভুক্ত দেশের শিক্ষার্থীদের যুক্তরাজ্যে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি করার সুযোগ দিচ্ছে কমনওয়েলথ স্কলারশিপ। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি, যাতায়াত, আবাসনসহ বিভিন্ন খরচে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বরে শুরু হতে যাওয়া শিক্ষাবর্ষের জন্য আবেদনের শেষ সময় ২০ অক্টোবর ২০২৬।

যুক্তরাজ্য সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত এই স্কলারশিপ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য অন্যতম পরিচিত উচ্চশিক্ষা কর্মসূচি। ১৯৫৯ সালে এর যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে এর অর্থায়ন করছে যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস।

প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে যান। দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, চিকিৎসা ও অন্যান্য বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা ও আবিষ্কারের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে।

কী কী সুবিধা পাওয়া যাবে

কমনওয়েলথ স্কলারশিপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ টিউশন ফি বহন করা হবে। যুক্তরাজ্যে যাতায়াতের জন্য বিমানের টিকিটও দেওয়া হবে।

শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধার পাশাপাশি মাসে ১ হাজার ৭১২ পাউন্ড ভাতা দেওয়া হবে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ২ লাখ ৮৪ হাজার ৬৭৬ টাকা। লন্ডন মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থানকারী শিক্ষার্থীদের মাসিক ভাতা হবে ২ হাজার পাউন্ড।

এ ছাড়া শিক্ষাসফর, পোশাক কেনা এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে পরিবার নিয়ে থাকার জন্য অতিরিক্ত ভাতার ব্যবস্থা রয়েছে। শিক্ষার্থীর স্বামী বা স্ত্রী এবং ১৬ বছরের কম বয়সী সন্তান থাকলে নির্ধারিত হারে পরিবার ভাতা দেওয়া হতে পারে। এই ভাতার পরিমাণ প্রতিবছর পরিবর্তিত হতে পারে।

প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত সহায়তার ব্যবস্থাও রয়েছে।

আবেদনের যোগ্যতা

আবেদনকারীকে কমনওয়েলথভুক্ত কোনো দেশের নাগরিক হতে হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে স্নাতক পর্যায়ে উচ্চ দ্বিতীয় শ্রেণি বা ২.১ মানের ফল থাকতে হবে। বিকল্প হিসেবে প্রাসঙ্গিক বিষয়ে মাস্টার্সসহ নিম্ন দ্বিতীয় শ্রেণির ডিগ্রিও গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

২০২৭ সালের সেপ্টেম্বরে স্নাতকোত্তর বা পিএইচডি শিক্ষাবর্ষ শুরু হলে পড়াশোনা শুরু করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। একই সঙ্গে যে বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করা হবে, সেটির ভর্তি ও একাডেমিক শর্ত পূরণ করতে হবে।

আইইএলটিএস বাধ্যতামূলক নয়। তবে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ভাষা দক্ষতার নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে। আবেদনকারীকে ২০২৬ সালের মধ্যে অনার্স বা মাস্টার্স সম্পন্ন করতে হবে।

এ ছাড়া আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে কমনওয়েলথ স্কলারশিপ ছাড়া নিজস্ব অর্থায়নে যুক্তরাজ্যে পড়াশোনার খরচ বহন করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়।

যেসব নথি লাগবে

আবেদনের সময় অফিসিয়াল একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, কমপক্ষে দুইজনের সুপারিশপত্র এবং মোটিভেশন লেটার বা গবেষণা প্রস্তাবনা জমা দিতে হবে।

পিএইচডির আবেদনকারীদের সম্ভাব্য যুক্তরাজ্যভিত্তিক সুপারভাইজারের সমর্থনপত্রও প্রয়োজন হবে।

আবেদন করবেন যেভাবে

আগ্রহী শিক্ষার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। স্নাতকোত্তর কর্মসূচির আবেদন ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য কমনওয়েলথ মাস্টার্স স্কলারশিপ এবং পিএইচডির জন্য কমনওয়েলথ পিএইচডি স্কলারশিপ দেখুন।

আবেদনের শেষ সময়: ২০ অক্টোবর ২০২৬

❤️
👏
🙂
😞

কমনওয়েলথ স্কলারশিপে যুক্তরাজ্যে বিনামূল্যে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডির সুযোগ

প্রকাশঃ ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৪

লন্ডন, ১ সেপ্টেম্বর, (প্রজন্ম কথা) উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশসহ কমনওয়েলথভুক্ত দেশের শিক্ষার্থীদের যুক্তরাজ্যে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি করার সুযোগ দিচ্ছে কমনওয়েলথ স্কলারশিপ। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি, যাতায়াত, আবাসনসহ বিভিন্ন খরচে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বরে শুরু হতে যাওয়া শিক্ষাবর্ষের জন্য আবেদনের শেষ সময় ২০ অক্টোবর ২০২৬।

যুক্তরাজ্য সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত এই স্কলারশিপ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য অন্যতম পরিচিত উচ্চশিক্ষা কর্মসূচি। ১৯৫৯ সালে এর যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে এর অর্থায়ন করছে যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস।

প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে যান। দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, চিকিৎসা ও অন্যান্য বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা ও আবিষ্কারের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে।

কী কী সুবিধা পাওয়া যাবে

কমনওয়েলথ স্কলারশিপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ টিউশন ফি বহন করা হবে। যুক্তরাজ্যে যাতায়াতের জন্য বিমানের টিকিটও দেওয়া হবে।

শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধার পাশাপাশি মাসে ১ হাজার ৭১২ পাউন্ড ভাতা দেওয়া হবে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ২ লাখ ৮৪ হাজার ৬৭৬ টাকা। লন্ডন মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থানকারী শিক্ষার্থীদের মাসিক ভাতা হবে ২ হাজার পাউন্ড।

এ ছাড়া শিক্ষাসফর, পোশাক কেনা এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে পরিবার নিয়ে থাকার জন্য অতিরিক্ত ভাতার ব্যবস্থা রয়েছে। শিক্ষার্থীর স্বামী বা স্ত্রী এবং ১৬ বছরের কম বয়সী সন্তান থাকলে নির্ধারিত হারে পরিবার ভাতা দেওয়া হতে পারে। এই ভাতার পরিমাণ প্রতিবছর পরিবর্তিত হতে পারে।

প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত সহায়তার ব্যবস্থাও রয়েছে।

আবেদনের যোগ্যতা

আবেদনকারীকে কমনওয়েলথভুক্ত কোনো দেশের নাগরিক হতে হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে স্নাতক পর্যায়ে উচ্চ দ্বিতীয় শ্রেণি বা ২.১ মানের ফল থাকতে হবে। বিকল্প হিসেবে প্রাসঙ্গিক বিষয়ে মাস্টার্সসহ নিম্ন দ্বিতীয় শ্রেণির ডিগ্রিও গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

২০২৭ সালের সেপ্টেম্বরে স্নাতকোত্তর বা পিএইচডি শিক্ষাবর্ষ শুরু হলে পড়াশোনা শুরু করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। একই সঙ্গে যে বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করা হবে, সেটির ভর্তি ও একাডেমিক শর্ত পূরণ করতে হবে।

আইইএলটিএস বাধ্যতামূলক নয়। তবে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ভাষা দক্ষতার নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে। আবেদনকারীকে ২০২৬ সালের মধ্যে অনার্স বা মাস্টার্স সম্পন্ন করতে হবে।

এ ছাড়া আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে কমনওয়েলথ স্কলারশিপ ছাড়া নিজস্ব অর্থায়নে যুক্তরাজ্যে পড়াশোনার খরচ বহন করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়।

যেসব নথি লাগবে

আবেদনের সময় অফিসিয়াল একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, কমপক্ষে দুইজনের সুপারিশপত্র এবং মোটিভেশন লেটার বা গবেষণা প্রস্তাবনা জমা দিতে হবে।

পিএইচডির আবেদনকারীদের সম্ভাব্য যুক্তরাজ্যভিত্তিক সুপারভাইজারের সমর্থনপত্রও প্রয়োজন হবে।

আবেদন করবেন যেভাবে

আগ্রহী শিক্ষার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। স্নাতকোত্তর কর্মসূচির আবেদন ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য কমনওয়েলথ মাস্টার্স স্কলারশিপ এবং পিএইচডির জন্য কমনওয়েলথ পিএইচডি স্কলারশিপ দেখুন।

আবেদনের শেষ সময়: ২০ অক্টোবর ২০২৬