ঢাকা ১১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেষ মুহূর্তে বারবার গোল হজম—কারণ কী? কাবরেরার ব্যাখ্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশঃ ০৯:৪০:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫
  • / 88

নেপালের বিপক্ষে শেষ দিকে গোল হজম করে জয় হাতছাড়া হয়েছে বাংলাদেশের।   ছবি: সংগৃহীত  


২০২৫ সালে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের একমাত্র জয় এসেছে জুলাইয়ে ভুটানের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে। দ্বিতীয় জয়টির খুব কাছাকাছি গিয়েও তা হাতছাড়া হয়েছে গতকাল নেপালের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে। হামজা চৌধুরীর জোড়া গোলে নব্বই মিনিট পর্যন্ত ২–১ গোলে এগিয়ে থাকলেও যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে গোল হজম করে ম্যাচ শেষ করতে হয় ২–২ ড্রয়ে।

এর আগে অক্টোবর মাসে হংকংয়ের বিপক্ষে ৩–৩ অবস্থায় যোগ করা সময়ের ১১তম মিনিটে গোল হজম করে বাংলাদেশ হেরে যায় ৪–৩ ব্যবধানে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে—বাংলাদেশ কেন ম্যাচের একেবারে শেষ অংশে এসে গোল হজম করে?

নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে শেষ দিকে গোল হজমের কারণ জানতে চাইলে বাংলাদেশ দলের স্প্যানিশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরা বিষয়টি মানসিক দুর্বলতা বলে মানতে রাজি নন। তিনি বলেন,
“আমি বলব না এটা মানসিক সমস্যা। অনুশীলনে এবং ম্যাচে আমরা শত শত বার এই ধরনের আক্রমণ ঠেকানোর অনুশীলন করি। যেকোনো ম্যাচে এমন হতে পারে। হ্যাঁ, সাম্প্রতিক সময়ে বারবার ঘটছে, কিন্তু আমি মনে করি না এটা মানসিক সমস্যা।”

শেষ দিকে খেলোয়াড়দের মনোযোগ বিচ্যুত হওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও কাবরেরা মনে করেন, খেলোয়াড়দের ইচ্ছা–প্রচেষ্টায় ঘাটতি নেই।
তিনি বলেন,

খেলোয়াড়রা ২৫ মিনিট নয়, ৯৫ বা ১০০ মিনিট পর্যন্ত ডিফেন্ড করতে চায়। আমরা গোল ঠেকাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করি, প্রতিপক্ষও গোল করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে। দুই দলের জন্যই পরিস্থিতি সমান।

আগামী মঙ্গলবার ভারতের বিপক্ষে এশিয়ান কাপ বাছাই ম্যাচের আগে এই পুনরাবৃত্তি নিয়ে চিন্তিত কোচ কাবরেরা। তিনি বলেন,

আমরা ভুলগুলো বিশ্লেষণ করব, ভিডিও দেখে প্রস্তুতি নেব। ভারতের বিপক্ষে যেন এমনটা আর না ঘটে, সে জন্য আমাদের এখন চার দিন সময় আছে। এই সময়ে ভুলগুলো সংশোধন করার চেষ্টা করব।

নেপালের বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল ‘ফিফা প্রীতি’। কিন্তু ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি বাছাই পর্বের গুরুত্বপূর্ণ লড়াই—সেখানেই শেষ মুহূর্তের দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার চ্যালেঞ্জ কাবরেরা ও তাঁর শিষ্যদের সামনে।

শেয়ার করুন

শেষ মুহূর্তে বারবার গোল হজম—কারণ কী? কাবরেরার ব্যাখ্যা

প্রকাশঃ ০৯:৪০:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫

নেপালের বিপক্ষে শেষ দিকে গোল হজম করে জয় হাতছাড়া হয়েছে বাংলাদেশের।   ছবি: সংগৃহীত  


২০২৫ সালে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের একমাত্র জয় এসেছে জুলাইয়ে ভুটানের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে। দ্বিতীয় জয়টির খুব কাছাকাছি গিয়েও তা হাতছাড়া হয়েছে গতকাল নেপালের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে। হামজা চৌধুরীর জোড়া গোলে নব্বই মিনিট পর্যন্ত ২–১ গোলে এগিয়ে থাকলেও যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে গোল হজম করে ম্যাচ শেষ করতে হয় ২–২ ড্রয়ে।

এর আগে অক্টোবর মাসে হংকংয়ের বিপক্ষে ৩–৩ অবস্থায় যোগ করা সময়ের ১১তম মিনিটে গোল হজম করে বাংলাদেশ হেরে যায় ৪–৩ ব্যবধানে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে—বাংলাদেশ কেন ম্যাচের একেবারে শেষ অংশে এসে গোল হজম করে?

নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে শেষ দিকে গোল হজমের কারণ জানতে চাইলে বাংলাদেশ দলের স্প্যানিশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরা বিষয়টি মানসিক দুর্বলতা বলে মানতে রাজি নন। তিনি বলেন,
“আমি বলব না এটা মানসিক সমস্যা। অনুশীলনে এবং ম্যাচে আমরা শত শত বার এই ধরনের আক্রমণ ঠেকানোর অনুশীলন করি। যেকোনো ম্যাচে এমন হতে পারে। হ্যাঁ, সাম্প্রতিক সময়ে বারবার ঘটছে, কিন্তু আমি মনে করি না এটা মানসিক সমস্যা।”

শেষ দিকে খেলোয়াড়দের মনোযোগ বিচ্যুত হওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও কাবরেরা মনে করেন, খেলোয়াড়দের ইচ্ছা–প্রচেষ্টায় ঘাটতি নেই।
তিনি বলেন,

খেলোয়াড়রা ২৫ মিনিট নয়, ৯৫ বা ১০০ মিনিট পর্যন্ত ডিফেন্ড করতে চায়। আমরা গোল ঠেকাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করি, প্রতিপক্ষও গোল করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে। দুই দলের জন্যই পরিস্থিতি সমান।

আগামী মঙ্গলবার ভারতের বিপক্ষে এশিয়ান কাপ বাছাই ম্যাচের আগে এই পুনরাবৃত্তি নিয়ে চিন্তিত কোচ কাবরেরা। তিনি বলেন,

আমরা ভুলগুলো বিশ্লেষণ করব, ভিডিও দেখে প্রস্তুতি নেব। ভারতের বিপক্ষে যেন এমনটা আর না ঘটে, সে জন্য আমাদের এখন চার দিন সময় আছে। এই সময়ে ভুলগুলো সংশোধন করার চেষ্টা করব।

নেপালের বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল ‘ফিফা প্রীতি’। কিন্তু ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি বাছাই পর্বের গুরুত্বপূর্ণ লড়াই—সেখানেই শেষ মুহূর্তের দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার চ্যালেঞ্জ কাবরেরা ও তাঁর শিষ্যদের সামনে।