লেবাননেও যুদ্ধবিরতি ইরানের মতোই জরুরি: গালিবাফ
- প্রকাশঃ ০৬:৫১:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
- / 5
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ । ছবি: রয়টার্স
লেবাননেও যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা ইরানের জন্য নিজ দেশের মতোই গুরুত্বপূর্ণ- এমন মন্তব্য করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। লেবাননের পার্লামেন্ট স্পিকার নাবিহ বেরির সঙ্গে ফোনালাপের পর বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা জানান।
গালিবাফ বলেন, চলমান সংঘাত নিরসনে একটি কার্যকর চুক্তির আওতায় সব অস্থিতিশীল অঞ্চলে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে তেহরান কাজ করে যাচ্ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, লেবাননে শান্তি প্রতিষ্ঠা ইরানের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে গালিবাফ জানান, আলোচনার মাধ্যমে শত্রুপক্ষকে সংঘাত বন্ধে বাধ্য করার চেষ্টা চলছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত অগ্রগতি হয়নি।
গত সপ্তাহে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ইরানি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন গালিবাফ। যদিও সেই বৈঠক ফলপ্রসূ কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়। ইরানের দাবি, প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি লেবাননেও সমভাবে কার্যকর হতে হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এ অবস্থানের সঙ্গে একমত নয়।
এদিকে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির ইরান সফর করছেন। সফরের অংশ হিসেবে তিনি তেহরানে উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা প্রতিনিধিদল নিয়ে পৌঁছান এবং গালিবাফসহ শীর্ষ ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ইরানের সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা এবং সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা আলোচনার পরিকল্পনা নিয়ে এসেছেন।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গেও তার বৈঠক হয়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান শিগগিরই আবারও আলোচনায় বসতে আগ্রহী, যদিও এখনো সময় ও স্থান নির্ধারণ হয়নি।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে কার্যকর দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির আওতায় লেবাননও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং উভয় পক্ষই আলোচনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আগ্রহ দেখাচ্ছে।















