ঢাকা ০৮:২৫ , Sun, ১৬ Aug ২০২৬
খেলাধুলা
ক্রিকেট

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে বিধ্বস্ত করে, ২৩ বছর পর বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়

খেলা ডেস্ক
  • প্রকাশঃ ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২৫
  • / 9
বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের জয় উদযাপন ছবি: এএফপি

ডারউইন, ১৬ আগস্ট, (প্রজন্ম কথা) – অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২৩ বছর পর টেস্ট খেলতে নেমে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। জয়ের জন্য ৫৭ রানের লক্ষ্য পেয়ে চতুর্থ দিনেই তা পেরিয়ে যায় বাংলাদেশ, হাতে তখনও এক দিনের বেশি সময় ছিল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দেশের মাটির বাইরে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় টেস্ট জয়।

২০১৭ সালে মিরপুরে অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবার টেস্টে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। এবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এসে সেই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি হলো আরও বড় ব্যবধানে। ডারউইনের টেস্টে বাংলাদেশের জয়ের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল প্রথম তিন দিনেই। চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনে মেহেদী হাসান মিরাজের ঘূর্ণিতে অস্ট্রেলিয়ার শেষ দিকের ব্যাটিং ভেঙে পড়ার পর বাংলাদেশের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র ৫৭ রান।

অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে একাই ১০৪ রান করেন ক্যামেরন গ্রিন। তার সেঞ্চুরিতে ইনিংস হার এড়ায় স্বাগতিকেরা। তবে গ্রিন ছাড়া অস্ট্রেলিয়ার অন্য ব্যাটসম্যানরা বাংলাদেশের বোলারদের সামনে বড় প্রতিরোধ গড়তে পারেননি।

চতুর্থ দিনের সকালের উইকেট থেকে টার্ন ও বাউন্স আদায় করে নেন মিরাজ। ইনিংসের ৬০তম ওভারে তার ঘুরে আসা একটি বল কিছুটা লাফিয়ে ব্যাটের কানায় লেগে উইকেটের পেছনে ক্যাচ যায়। এরপর ৬৬, ৭৪ ও ৯৬তম ওভারে তিনি ফিরিয়ে দেন বো ওয়েবস্টার, প্যাট কামিন্স ও নাথান লায়নকে। ৬৬ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়ে টেস্টে ১৫তমবারের মতো এক ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েন মিরাজ।

অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট নেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

লাঞ্চের আগে অস্ট্রেলিয়া ৩১ ওভার ব্যাটিং করে ৩ উইকেট হারায়। তিনটি উইকেটই নেন মিরাজ। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রান করায় দিনের খেলা শুরু হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার জন্য ৬৭ রানে পিছিয়ে থেকে। হাতে ছিল ৬ উইকেট। প্রথম সেশনের শেষে ৭ উইকেটে ২৪৩ রান নিয়ে লাঞ্চে যায় তারা। তখন ১৫ রানের লিড পেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া এবং হাতে ছিল ৩ উইকেট।

মিরাজ লাঞ্চের বিরতিতে সাবেক অস্ট্রেলীয় পেসার ও ধারাভাষ্যকার ব্রেন্ডন জুলিয়ানকে নিজের বোলিং সম্পর্কে বলেন, সহজভাবে বোলিং করার চেষ্টা করেছেন তিনি। অফ স্টাম্পের বাইরের ফুটমার্কে বল করার পাশাপাশি প্রতিটি ওভারে উইকেট নেওয়ার চেষ্টা না করে শৃঙ্খলা বজায় রাখাকে গুরুত্ব দিয়েছেন।

লাঞ্চের পর ১১ দশমিক ১ ওভারের মধ্যেই বাকি তিন উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। ক্যামেরন গ্রিনের ১০৪ রানের ইনিংসের সমাপ্তি ঘটান প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট নেওয়া হাসান মাহমুদ। দুই ইনিংস মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ৯টি উইকেট নেন হাসান।

৫৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই জশ হ্যাজলউডের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা তানজিদ হাসান। এরপর সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক মিলে দলের জয় নিশ্চিত করেন।

সাদমান ২৫ রানে অপরাজিত থাকেন। মুমিনুল অপরাজিত থাকেন ৩০ রানে। ওয়েবস্টারকে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে বাউন্ডারি মেরে জয়সূচক রানটি করেন মুমিনুল।

বাংলাদেশের জয়ের মুহূর্তে মারারা স্টেডিয়ামের গ্যালারি থেকে ভেসে আসে ‘বাংলাদেশ, বাংলাদেশ’ স্লোগান। অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী বাংলাদেশিদের উচ্ছ্বাসে ডারউইনের মাঠে তৈরি হয় ভিন্ন এক পরিবেশ। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা ড্রেসিংরুমের সামনে একে অন্যকে জড়িয়ে ধরে উদ্‌যাপন করেন। বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ার শিবিরে নেমে আসে নীরবতা।

চতুর্থ দিনে খেলা গড়ালেও গ্যালারিতে অস্ট্রেলীয় দর্শকের উপস্থিতি ছিল কম। ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও মারারা স্টেডিয়ামের গ্যালারি অনেকটাই ফাঁকা ছিল। আগের তিন দিনের তুলনায় মাঠের বাইরেও ছিল অনেক কম আনুষ্ঠানিকতা।

স্টেডিয়ামের প্রিমিয়াম এক্সপেরিয়েন্স লাউঞ্জও ছিল ফাঁকা। আগের দিনগুলোতে সাবেক ক্রিকেটার, ক্রিকেট কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে লাউঞ্জটি সরব ছিল। সেখানে সারা দিনের জন্য বুফে খাবার ও বিভিন্ন পানীয়ের আয়োজনও থাকত। চতুর্থ দিনে কোনো খাবারের টেবিলও বসানো হয়নি।

লাউঞ্জের এক কর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, ডারউইন টেস্ট তৃতীয় দিনের পর আর গড়াবে না ধরে নিয়ে চতুর্থ দিনের জন্য কেউ প্রিমিয়াম এক্সপেরিয়েন্স লাউঞ্জের টিকিট কাটেননি। পরে ম্যাচ চতুর্থ দিনে গড়ালেও অস্ট্রেলিয়ার পরিস্থিতির কারণে নতুন করে টিকিট বিক্রি হয়নি। তাই স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ আগেই জানিয়েছিল, চতুর্থ দিনে লাউঞ্জটি বন্ধ থাকবে।

ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পাশাপাশি ম্যাচজুড়ে বোলিংয়েও দারুণ ভূমিকা রাখেন হাসান মাহমুদ। তার পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে ম্যাচসেরার পুরস্কার পান তিনি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

অস্ট্রেলিয়া: ১৯৮ ও ২৮৪
ক্যামেরন গ্রিন: ১০৪, স্টিভ স্মিথ ৪৪, মার্নাস লাবুশেন ৩১, অ্যালেক্স ক্যারি ৩০, মিচেল স্টার্ক ১৮, নাথান লায়ন ১৫
বাংলাদেশের বোলার: মেহেদী হাসান মিরাজ ৫/৬৬, হাসান মাহমুদ ৩/৫৬, তাসকিন আহমেদ ১/৬৬, তাইজুল ইসলাম ১/৫১

বাংলাদেশ: ৪২৬ ও ১/৫৭
মুমিনুল হক: ৩০, সাদমান ইসলাম ২৫, তানজিদ হাসান ০
অস্ট্রেলিয়ার বোলার: জশ হ্যাজলউড ১/৫, মিচেল স্টার্ক ০/১৫, নাথান লায়ন ০/২৩

ফল: বাংলাদেশ ৯ উইকেটে জয়ী
ম্যাচসেরা: হাসান মাহমুদ
সিরিজ: দুই ম্যাচের সিরিজে বাংলাদেশ ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে

❤️
👏
🙂
😞

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে বিধ্বস্ত করে, ২৩ বছর পর বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়

প্রকাশঃ ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২৫

ডারউইন, ১৬ আগস্ট, (প্রজন্ম কথা) – অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২৩ বছর পর টেস্ট খেলতে নেমে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। জয়ের জন্য ৫৭ রানের লক্ষ্য পেয়ে চতুর্থ দিনেই তা পেরিয়ে যায় বাংলাদেশ, হাতে তখনও এক দিনের বেশি সময় ছিল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দেশের মাটির বাইরে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় টেস্ট জয়।

২০১৭ সালে মিরপুরে অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবার টেস্টে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। এবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এসে সেই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি হলো আরও বড় ব্যবধানে। ডারউইনের টেস্টে বাংলাদেশের জয়ের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল প্রথম তিন দিনেই। চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনে মেহেদী হাসান মিরাজের ঘূর্ণিতে অস্ট্রেলিয়ার শেষ দিকের ব্যাটিং ভেঙে পড়ার পর বাংলাদেশের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র ৫৭ রান।

অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে একাই ১০৪ রান করেন ক্যামেরন গ্রিন। তার সেঞ্চুরিতে ইনিংস হার এড়ায় স্বাগতিকেরা। তবে গ্রিন ছাড়া অস্ট্রেলিয়ার অন্য ব্যাটসম্যানরা বাংলাদেশের বোলারদের সামনে বড় প্রতিরোধ গড়তে পারেননি।

চতুর্থ দিনের সকালের উইকেট থেকে টার্ন ও বাউন্স আদায় করে নেন মিরাজ। ইনিংসের ৬০তম ওভারে তার ঘুরে আসা একটি বল কিছুটা লাফিয়ে ব্যাটের কানায় লেগে উইকেটের পেছনে ক্যাচ যায়। এরপর ৬৬, ৭৪ ও ৯৬তম ওভারে তিনি ফিরিয়ে দেন বো ওয়েবস্টার, প্যাট কামিন্স ও নাথান লায়নকে। ৬৬ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়ে টেস্টে ১৫তমবারের মতো এক ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েন মিরাজ।

অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট নেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

লাঞ্চের আগে অস্ট্রেলিয়া ৩১ ওভার ব্যাটিং করে ৩ উইকেট হারায়। তিনটি উইকেটই নেন মিরাজ। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রান করায় দিনের খেলা শুরু হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার জন্য ৬৭ রানে পিছিয়ে থেকে। হাতে ছিল ৬ উইকেট। প্রথম সেশনের শেষে ৭ উইকেটে ২৪৩ রান নিয়ে লাঞ্চে যায় তারা। তখন ১৫ রানের লিড পেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া এবং হাতে ছিল ৩ উইকেট।

মিরাজ লাঞ্চের বিরতিতে সাবেক অস্ট্রেলীয় পেসার ও ধারাভাষ্যকার ব্রেন্ডন জুলিয়ানকে নিজের বোলিং সম্পর্কে বলেন, সহজভাবে বোলিং করার চেষ্টা করেছেন তিনি। অফ স্টাম্পের বাইরের ফুটমার্কে বল করার পাশাপাশি প্রতিটি ওভারে উইকেট নেওয়ার চেষ্টা না করে শৃঙ্খলা বজায় রাখাকে গুরুত্ব দিয়েছেন।

লাঞ্চের পর ১১ দশমিক ১ ওভারের মধ্যেই বাকি তিন উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। ক্যামেরন গ্রিনের ১০৪ রানের ইনিংসের সমাপ্তি ঘটান প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট নেওয়া হাসান মাহমুদ। দুই ইনিংস মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ৯টি উইকেট নেন হাসান।

৫৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই জশ হ্যাজলউডের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা তানজিদ হাসান। এরপর সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক মিলে দলের জয় নিশ্চিত করেন।

সাদমান ২৫ রানে অপরাজিত থাকেন। মুমিনুল অপরাজিত থাকেন ৩০ রানে। ওয়েবস্টারকে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে বাউন্ডারি মেরে জয়সূচক রানটি করেন মুমিনুল।

বাংলাদেশের জয়ের মুহূর্তে মারারা স্টেডিয়ামের গ্যালারি থেকে ভেসে আসে ‘বাংলাদেশ, বাংলাদেশ’ স্লোগান। অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী বাংলাদেশিদের উচ্ছ্বাসে ডারউইনের মাঠে তৈরি হয় ভিন্ন এক পরিবেশ। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা ড্রেসিংরুমের সামনে একে অন্যকে জড়িয়ে ধরে উদ্‌যাপন করেন। বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ার শিবিরে নেমে আসে নীরবতা।

চতুর্থ দিনে খেলা গড়ালেও গ্যালারিতে অস্ট্রেলীয় দর্শকের উপস্থিতি ছিল কম। ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও মারারা স্টেডিয়ামের গ্যালারি অনেকটাই ফাঁকা ছিল। আগের তিন দিনের তুলনায় মাঠের বাইরেও ছিল অনেক কম আনুষ্ঠানিকতা।

স্টেডিয়ামের প্রিমিয়াম এক্সপেরিয়েন্স লাউঞ্জও ছিল ফাঁকা। আগের দিনগুলোতে সাবেক ক্রিকেটার, ক্রিকেট কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে লাউঞ্জটি সরব ছিল। সেখানে সারা দিনের জন্য বুফে খাবার ও বিভিন্ন পানীয়ের আয়োজনও থাকত। চতুর্থ দিনে কোনো খাবারের টেবিলও বসানো হয়নি।

লাউঞ্জের এক কর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, ডারউইন টেস্ট তৃতীয় দিনের পর আর গড়াবে না ধরে নিয়ে চতুর্থ দিনের জন্য কেউ প্রিমিয়াম এক্সপেরিয়েন্স লাউঞ্জের টিকিট কাটেননি। পরে ম্যাচ চতুর্থ দিনে গড়ালেও অস্ট্রেলিয়ার পরিস্থিতির কারণে নতুন করে টিকিট বিক্রি হয়নি। তাই স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ আগেই জানিয়েছিল, চতুর্থ দিনে লাউঞ্জটি বন্ধ থাকবে।

ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পাশাপাশি ম্যাচজুড়ে বোলিংয়েও দারুণ ভূমিকা রাখেন হাসান মাহমুদ। তার পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে ম্যাচসেরার পুরস্কার পান তিনি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

অস্ট্রেলিয়া: ১৯৮ ও ২৮৪
ক্যামেরন গ্রিন: ১০৪, স্টিভ স্মিথ ৪৪, মার্নাস লাবুশেন ৩১, অ্যালেক্স ক্যারি ৩০, মিচেল স্টার্ক ১৮, নাথান লায়ন ১৫
বাংলাদেশের বোলার: মেহেদী হাসান মিরাজ ৫/৬৬, হাসান মাহমুদ ৩/৫৬, তাসকিন আহমেদ ১/৬৬, তাইজুল ইসলাম ১/৫১

বাংলাদেশ: ৪২৬ ও ১/৫৭
মুমিনুল হক: ৩০, সাদমান ইসলাম ২৫, তানজিদ হাসান ০
অস্ট্রেলিয়ার বোলার: জশ হ্যাজলউড ১/৫, মিচেল স্টার্ক ০/১৫, নাথান লায়ন ০/২৩

ফল: বাংলাদেশ ৯ উইকেটে জয়ী
ম্যাচসেরা: হাসান মাহমুদ
সিরিজ: দুই ম্যাচের সিরিজে বাংলাদেশ ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে