সমাজসেবায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জার্মান সরকারের বিশেষ সম্মাননা পেলেন শাকিল সৈয়দ
- প্রকাশঃ ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:৩৭
- / 9
বন, ৮ সেপ্টেম্বর, (প্রজন্ম কথা) – বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবামূলক কাজ এবং জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জার্মান সরকারের কাছ থেকে ‘এনগেজমেন্ট প্রাইস’ সম্মাননা পেয়েছেন বাংলাদেশি-জার্মান নাগরিক শাকিল সৈয়দ।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) জার্মানির ফেডারেল অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের (বিএমজেড) উদ্যোগে এই সম্মাননা দেওয়া হয়। শাকিল সৈয়দসহ এবার মোট সাতজনকে সম্মাননাটি দেওয়া হয়েছে।
জার্মানির বন শহরে বিএমজেডের দপ্তরে আয়োজিত ‘ওপেন ডে’ অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন দেশটির উন্নয়নমন্ত্রী রিম আলাবালি রাদোভান।
সম্মাননা পাওয়া অন্যদের মধ্যে রয়েছেন কোলনের গ্লোরিয়া নিয়াকুয়ে, ডুসেলডর্ফের ইউলিয়ুস লাটজেল, বার্লিনের বাতিয়া ব্লাঙ্কার্স, কারিন ম্লোডক ও নাতালিয়া ফিব্রিগ। এ ছাড়া বন শহরের ইয়েন্স মার্টেন্সকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উন্নয়নমন্ত্রী রিম আলাবালি রাদোভান বলেন, শাকিল সৈয়দসহ সম্মাননা পাওয়া সাত ব্যক্তি আন্তর্জাতিক সংহতি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। বর্তমান সময়ে জাতীয়তাবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদ বাড়তে থাকায় তাদের কাজ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
রিম আলাবালি রাদোভান বলেন, ‘আগে আমরা’ ধরনের মানসিকতা আরও জোরালো হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও সংহতির জন্য কাজ করা ব্যক্তিদের ভূমিকা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
শাকিল সৈয়দ বাংলাদেশ ও জার্মানির দ্বৈত নাগরিক এবং জার্মানির নুরেমবার্গে বসবাস করেন। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি বাংলাদেশের পিছিয়ে থাকা বিভিন্ন অঞ্চলে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনাসহ নানা সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন।
তার প্রতিষ্ঠিত ‘আশা-বাংলাদেশের জন্য প্রত্যাশা’ সংগঠনের মাধ্যমে তিনি এসব কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।
বিএমজেডের প্রশংসাপত্রে বলা হয়েছে, শাকিল সৈয়দ তার কাজের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাত্রার চিত্র জার্মানির মানুষের কাছে তুলে ধরছেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের উন্নয়নসংক্রান্ত বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ বোঝার ক্ষেত্রে জার্মানির সঙ্গে একটি সেতুবন্ধন তৈরিতেও তিনি ভূমিকা রাখছেন বলে প্রশংসাপত্রে উল্লেখ করা হয়।




























