ঢাকা ০২:৪০ , Mon, ১০ Aug ২০২৬
বিশ্বসমাচার
যুক্তরাষ্ট্র

আমেরিকায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য যেসব সুবিধা বিনামূল্যে পাওয়ার সুযোগ রয়েছে

আয়ান সরকার
  • প্রকাশঃ ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫৯
  • / 12
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র, ১০ আগস্ট, (প্রজন্ম কথা) – যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অনেক প্রবাসী বাংলাদেশিই সরকারি ও স্থানীয় কমিউনিটি পর্যায়ে পাওয়া বিভিন্ন বিনামূল্যের সুবিধা সম্পর্কে জানেন না। পরিবারের আয়, বসবাসের এলাকা এবং অন্যান্য যোগ্যতা পূরণ করলে খাবার, শিশুদের প্রয়োজনীয় সামগ্রী, ট্যাক্স সহায়তা, লাইব্রেরির বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং কিছু স্বাস্থ্যসেবাসহ নানা সুবিধা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

ছোট সন্তান রয়েছে এমন পরিবারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি কর্মসূচি হলো উইমেন, ইনফ্যান্টস অ্যান্ড চিলড্রেন (WIC)। নির্ধারিত আয়সীমার মধ্যে থাকা গর্ভবতী নারী, মা এবং পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুরা এই কর্মসূচির আওতায় নির্দিষ্ট পুষ্টিকর খাবার পাওয়ার সুযোগ পান। এর মধ্যে দুধ, বেবি ফর্মুলা, ডিম, সিরিয়াল ও ফলের মতো খাবার থাকতে পারে। যোগ্য বাংলাদেশি পরিবারগুলো নিজেদের এলাকার WIC কর্মসূচির নিয়ম ও আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য নিতে পারেন।

শিশুদের ডায়াপার ও ওয়াইপসের খরচ কমানোর সুযোগও কিছু এলাকায় রয়েছে। বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় কমিউনিটিতে পরিচালিত ডায়াপার ব্যাংকের মাধ্যমে যোগ্য পরিবারকে এসব সামগ্রী বিনামূল্যে দেওয়া হতে পারে। তবে এই সুবিধা সব জায়গায় একই রকম নয়। কোথায় কী ধরনের সহায়তা পাওয়া যাবে, তা স্থানীয় প্রতিষ্ঠান, যোগ্যতা ও সামগ্রীর প্রাপ্যতার ওপর নির্ভর করে।

শিশুদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও স্থানীয় পর্যায়ে কিছু বিনামূল্যের কর্মসূচি রয়েছে। নির্দিষ্ট ফায়ার ডিপার্টমেন্ট ও স্বাস্থ্য সংস্থা যোগ্য পরিবারকে কার সিট দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারে। কিছু এলাকায় গাড়িতে কার সিট সঠিকভাবে স্থাপনের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। ছোট সন্তান রয়েছে এমন পরিবার নিজেদের এলাকার ফায়ার ডিপার্টমেন্ট বা স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে এ বিষয়ে তথ্য জানতে পারেন।

পাবলিক লাইব্রেরির সুবিধাও অনেক ক্ষেত্রে বই ধার নেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। লাইব্রেরিভেদে সদস্যরা হটস্পট, ল্যাপটপ, মিউজিয়াম পাস, খেলনা এবং বিভিন্ন ব্যবহারিক সরঞ্জাম ধার নেওয়ার সুযোগ পেতে পারেন। কোথাও কোথাও সিড লাইব্রেরির মাধ্যমে মৌসুমি সবজির বীজও বিনামূল্যে দেওয়া হয়। তবে এসব সুবিধা লাইব্রেরির নিজস্ব নীতিমালা ও স্থানীয় প্রাপ্যতার ওপর নির্ভর করে।

ট্যাক্স রিটার্নের ক্ষেত্রেও যোগ্য প্রবাসীদের বিনামূল্যে সহায়তা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে IRS Free File অথবা Volunteer Income Tax Assistance (VITA) কেন্দ্রের মাধ্যমে বিনা খরচে ট্যাক্স রিটার্ন প্রস্তুত ও জমা দেওয়ার সুবিধা পাওয়া যেতে পারে। যাদের আয় ও অন্যান্য যোগ্যতা সংশ্লিষ্ট কর্মসূচির শর্তের মধ্যে পড়ে, তারা এসব সেবার বিষয়ে তথ্য যাচাই করতে পারেন।

গ্রীষ্মকালীন ছুটিতেও শিশুদের জন্য বিভিন্ন বিনামূল্যের কর্মসূচি চালু থাকে। অনেক স্কুল ডিস্ট্রিক্টে শিশুদের বিনামূল্যে খাবার এবং সামার প্রোগ্রামের ব্যবস্থা করা হয়। স্থানীয় কমিউনিটি সংগঠনগুলোর মাধ্যমেও শিশুদের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হতে পারে। স্কুলে নিয়মিত খাবারের সুবিধা বন্ধ থাকার সময় এসব কর্মসূচি কিছু পরিবারের জন্য সহায়ক হতে পারে।

বাড়ির প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহের ক্ষেত্রেও স্থানীয় কমিউনিটি উদ্যোগ কাজে আসতে পারে। বিভিন্ন Buy Nothing ধরনের গ্রুপে স্থানীয় বাসিন্দারা ভালো অবস্থায় থাকা সোফা, খাট, স্ট্রলার এবং শিশুদের বিভিন্ন সামগ্রী অন্যদের বিনামূল্যে দিয়ে থাকেন। তবে নির্দিষ্ট কোনো সামগ্রী সবসময় পাওয়া যাবে এমন নিশ্চয়তা নেই। এসব সুবিধা মূলত স্থানীয় কমিউনিটির সদস্যদের অংশগ্রহণের ওপর নির্ভর করে।

স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রেও কিছু স্থানীয় কর্মসূচিতে বিনামূল্যে সেবা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। বিভিন্ন ফার্মেসি, হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য মেলায় নির্দিষ্ট সময়ে ফ্লু টিকা, রক্তচাপ পরীক্ষা এবং কিছু ক্ষেত্রে মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা বা ডেন্টাল স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা করা হতে পারে। এসব সেবার ক্ষেত্রে আয়, বিমা, বয়স এবং স্থানীয় কর্মসূচির নিয়ম অনুযায়ী যোগ্যতার শর্ত থাকতে পারে।

কেনাকাটার ক্ষেত্রেও প্রবাসীদের একটি বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন। অনেক খুচরা প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত রিটার্ন নীতির আওতায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পণ্য ফেরত দিয়ে অর্থ ফেরত নেওয়ার সুযোগ থাকে। এটি সরকারি বিনামূল্যের সুবিধা নয়। প্রতিষ্ঠানভেদে রিটার্নের সময়সীমা, পণ্যের অবস্থা ও অন্যান্য শর্ত আলাদা হতে পারে। তাই কোনো পণ্য কেনার আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের রিটার্ন নীতি দেখে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

এসব সুবিধার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে একটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পুরো দেশে একই নিয়মে সব কর্মসূচি পরিচালিত হয় না। কোনো সুবিধার আয়সীমা, যোগ্যতা, আবেদন পদ্ধতি এবং সেবার পরিমাণ অঙ্গরাজ্য, কাউন্টি ও সিটি অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে। তাই বাংলাদেশি প্রবাসীদের নিজেদের এলাকার কাউন্টি অফিস, পাবলিক লাইব্রেরি, স্কুল ডিস্ট্রিক্ট, স্বাস্থ্য সংস্থা কিংবা সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করে নেওয়া উচিত।

বিশেষ করে নতুন অভিবাসী পরিবার বা ছোট সন্তান রয়েছে এমন পরিবারগুলো যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের পর নিজেদের এলাকার সরকারি ও কমিউনিটি কর্মসূচিগুলো সম্পর্কে খোঁজ নিলে প্রয়োজনের সময় বিভিন্ন সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে কোনো সুবিধার জন্য আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট কর্মসূচির বর্তমান যোগ্যতা, শর্ত ও নিয়ম অবশ্যই যাচাই করা প্রয়োজন।

 

❤️
👏
🙂
😞

আমেরিকায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য যেসব সুবিধা বিনামূল্যে পাওয়ার সুযোগ রয়েছে

প্রকাশঃ ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫৯

যুক্তরাষ্ট্র, ১০ আগস্ট, (প্রজন্ম কথা) – যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অনেক প্রবাসী বাংলাদেশিই সরকারি ও স্থানীয় কমিউনিটি পর্যায়ে পাওয়া বিভিন্ন বিনামূল্যের সুবিধা সম্পর্কে জানেন না। পরিবারের আয়, বসবাসের এলাকা এবং অন্যান্য যোগ্যতা পূরণ করলে খাবার, শিশুদের প্রয়োজনীয় সামগ্রী, ট্যাক্স সহায়তা, লাইব্রেরির বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং কিছু স্বাস্থ্যসেবাসহ নানা সুবিধা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

ছোট সন্তান রয়েছে এমন পরিবারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি কর্মসূচি হলো উইমেন, ইনফ্যান্টস অ্যান্ড চিলড্রেন (WIC)। নির্ধারিত আয়সীমার মধ্যে থাকা গর্ভবতী নারী, মা এবং পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুরা এই কর্মসূচির আওতায় নির্দিষ্ট পুষ্টিকর খাবার পাওয়ার সুযোগ পান। এর মধ্যে দুধ, বেবি ফর্মুলা, ডিম, সিরিয়াল ও ফলের মতো খাবার থাকতে পারে। যোগ্য বাংলাদেশি পরিবারগুলো নিজেদের এলাকার WIC কর্মসূচির নিয়ম ও আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য নিতে পারেন।

শিশুদের ডায়াপার ও ওয়াইপসের খরচ কমানোর সুযোগও কিছু এলাকায় রয়েছে। বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় কমিউনিটিতে পরিচালিত ডায়াপার ব্যাংকের মাধ্যমে যোগ্য পরিবারকে এসব সামগ্রী বিনামূল্যে দেওয়া হতে পারে। তবে এই সুবিধা সব জায়গায় একই রকম নয়। কোথায় কী ধরনের সহায়তা পাওয়া যাবে, তা স্থানীয় প্রতিষ্ঠান, যোগ্যতা ও সামগ্রীর প্রাপ্যতার ওপর নির্ভর করে।

শিশুদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও স্থানীয় পর্যায়ে কিছু বিনামূল্যের কর্মসূচি রয়েছে। নির্দিষ্ট ফায়ার ডিপার্টমেন্ট ও স্বাস্থ্য সংস্থা যোগ্য পরিবারকে কার সিট দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারে। কিছু এলাকায় গাড়িতে কার সিট সঠিকভাবে স্থাপনের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। ছোট সন্তান রয়েছে এমন পরিবার নিজেদের এলাকার ফায়ার ডিপার্টমেন্ট বা স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে এ বিষয়ে তথ্য জানতে পারেন।

পাবলিক লাইব্রেরির সুবিধাও অনেক ক্ষেত্রে বই ধার নেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। লাইব্রেরিভেদে সদস্যরা হটস্পট, ল্যাপটপ, মিউজিয়াম পাস, খেলনা এবং বিভিন্ন ব্যবহারিক সরঞ্জাম ধার নেওয়ার সুযোগ পেতে পারেন। কোথাও কোথাও সিড লাইব্রেরির মাধ্যমে মৌসুমি সবজির বীজও বিনামূল্যে দেওয়া হয়। তবে এসব সুবিধা লাইব্রেরির নিজস্ব নীতিমালা ও স্থানীয় প্রাপ্যতার ওপর নির্ভর করে।

ট্যাক্স রিটার্নের ক্ষেত্রেও যোগ্য প্রবাসীদের বিনামূল্যে সহায়তা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে IRS Free File অথবা Volunteer Income Tax Assistance (VITA) কেন্দ্রের মাধ্যমে বিনা খরচে ট্যাক্স রিটার্ন প্রস্তুত ও জমা দেওয়ার সুবিধা পাওয়া যেতে পারে। যাদের আয় ও অন্যান্য যোগ্যতা সংশ্লিষ্ট কর্মসূচির শর্তের মধ্যে পড়ে, তারা এসব সেবার বিষয়ে তথ্য যাচাই করতে পারেন।

গ্রীষ্মকালীন ছুটিতেও শিশুদের জন্য বিভিন্ন বিনামূল্যের কর্মসূচি চালু থাকে। অনেক স্কুল ডিস্ট্রিক্টে শিশুদের বিনামূল্যে খাবার এবং সামার প্রোগ্রামের ব্যবস্থা করা হয়। স্থানীয় কমিউনিটি সংগঠনগুলোর মাধ্যমেও শিশুদের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হতে পারে। স্কুলে নিয়মিত খাবারের সুবিধা বন্ধ থাকার সময় এসব কর্মসূচি কিছু পরিবারের জন্য সহায়ক হতে পারে।

বাড়ির প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহের ক্ষেত্রেও স্থানীয় কমিউনিটি উদ্যোগ কাজে আসতে পারে। বিভিন্ন Buy Nothing ধরনের গ্রুপে স্থানীয় বাসিন্দারা ভালো অবস্থায় থাকা সোফা, খাট, স্ট্রলার এবং শিশুদের বিভিন্ন সামগ্রী অন্যদের বিনামূল্যে দিয়ে থাকেন। তবে নির্দিষ্ট কোনো সামগ্রী সবসময় পাওয়া যাবে এমন নিশ্চয়তা নেই। এসব সুবিধা মূলত স্থানীয় কমিউনিটির সদস্যদের অংশগ্রহণের ওপর নির্ভর করে।

স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রেও কিছু স্থানীয় কর্মসূচিতে বিনামূল্যে সেবা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। বিভিন্ন ফার্মেসি, হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য মেলায় নির্দিষ্ট সময়ে ফ্লু টিকা, রক্তচাপ পরীক্ষা এবং কিছু ক্ষেত্রে মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা বা ডেন্টাল স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা করা হতে পারে। এসব সেবার ক্ষেত্রে আয়, বিমা, বয়স এবং স্থানীয় কর্মসূচির নিয়ম অনুযায়ী যোগ্যতার শর্ত থাকতে পারে।

কেনাকাটার ক্ষেত্রেও প্রবাসীদের একটি বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন। অনেক খুচরা প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত রিটার্ন নীতির আওতায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পণ্য ফেরত দিয়ে অর্থ ফেরত নেওয়ার সুযোগ থাকে। এটি সরকারি বিনামূল্যের সুবিধা নয়। প্রতিষ্ঠানভেদে রিটার্নের সময়সীমা, পণ্যের অবস্থা ও অন্যান্য শর্ত আলাদা হতে পারে। তাই কোনো পণ্য কেনার আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের রিটার্ন নীতি দেখে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

এসব সুবিধার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে একটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পুরো দেশে একই নিয়মে সব কর্মসূচি পরিচালিত হয় না। কোনো সুবিধার আয়সীমা, যোগ্যতা, আবেদন পদ্ধতি এবং সেবার পরিমাণ অঙ্গরাজ্য, কাউন্টি ও সিটি অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে। তাই বাংলাদেশি প্রবাসীদের নিজেদের এলাকার কাউন্টি অফিস, পাবলিক লাইব্রেরি, স্কুল ডিস্ট্রিক্ট, স্বাস্থ্য সংস্থা কিংবা সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করে নেওয়া উচিত।

বিশেষ করে নতুন অভিবাসী পরিবার বা ছোট সন্তান রয়েছে এমন পরিবারগুলো যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের পর নিজেদের এলাকার সরকারি ও কমিউনিটি কর্মসূচিগুলো সম্পর্কে খোঁজ নিলে প্রয়োজনের সময় বিভিন্ন সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে কোনো সুবিধার জন্য আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট কর্মসূচির বর্তমান যোগ্যতা, শর্ত ও নিয়ম অবশ্যই যাচাই করা প্রয়োজন।