ঢাকা ০৮:৫২ , Tue, ২২ Sep ২০২৬
বিশ্বসমাচার
অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার দক্ষ কর্মী ভিসায় নতুন নীতি, পেশা ও অবস্থান বিবেচনায় অগ্রাধিকার

তানজিম হোসেন
  • প্রকাশঃ ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৭
  • / 1
অস্ট্রেলিয়ায় দক্ষ কর্মী ভিসার আবেদন প্রক্রিয়াকরণে নতুন অগ্রাধিকার ব্যবস্থা চালু করেছে দেশটির সরকার ছবি: সংগৃহীত

ক্যানবেরা, ২২ সেপ্টেম্বর, (প্রজন্ম কথা) – অস্ট্রেলিয়ায় দক্ষ কর্মী হিসেবে যেতে আগ্রহী আবেদনকারীদের ভিসা প্রক্রিয়াকরণে নতুন অগ্রাধিকার ব্যবস্থা চালু করেছে দেশটির সরকার। নতুন ব্যবস্থায় সব আবেদন একই ক্রমে প্রক্রিয়াকরণ করা হবে না। আবেদনকারীর পেশা বা কর্মখাত, আবেদন জমা দেওয়ার সময় তিনি অস্ট্রেলিয়ায় ছিলেন কি না এবং কোন ধরনের দক্ষ কর্মী ভিসার জন্য আবেদন করেছেন, এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে প্রক্রিয়াকরণের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে।

নতুন ব্যবস্থা ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে। এর মাধ্যমে দক্ষ কর্মী ভিসার আবেদন প্রক্রিয়াকরণে আগের মন্ত্রী পর্যায়ের নির্দেশনা ১১৯-এর অগ্রাধিকার ব্যবস্থা প্রতিস্থাপিত হয়েছে। তবে নতুন ব্যবস্থায় ভিসার মৌলিক যোগ্যতার শর্ত পরিবর্তন করা হয়নি। অর্থাৎ কোনো আবেদনকারী ভিসার জন্য যোগ্য কি না, তা আগের মতোই সংশ্লিষ্ট ভিসার শর্ত অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। নতুন ব্যবস্থার মূল বিষয় হলো যোগ্য আবেদনগুলোর মধ্যে কোনটি আগে প্রক্রিয়াকরণ করা হবে, তা নির্ধারণ করা।

অস্থায়ী দক্ষ কর্মী ভিসার ক্ষেত্রে নির্মাণ, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষকতা ও শিক্ষা, কৃষি, জলজ চাষ, মৎস্য এবং প্রাকৃতিক সম্পদ খাতের আবেদনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও প্রতিরক্ষা খাতের স্বার্থসংশ্লিষ্ট আবেদনও এই অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। ফলে বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় দক্ষ কর্মী হিসেবে আবেদন করতে আগ্রহীদের জন্য নিজের পেশা বা কর্মক্ষেত্র এই অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতগুলোর মধ্যে পড়ে কি না, সেটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এর পরের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে দক্ষতা চাহিদাভিত্তিক ভিসা বা সাবক্লাস ৪৮২-এর বিশেষজ্ঞ দক্ষতা ধারার আবেদনকে। এরপর আবেদন জমা দেওয়ার সময় আবেদনকারী অস্ট্রেলিয়ায় ছিলেন কি না, সেটি বিবেচনা করা হবে। অর্থাৎ একই ধরনের যোগ্যতার ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করে আবেদন করা ব্যক্তির আবেদন দেশের বাইরে থেকে করা আবেদনের তুলনায় আগে প্রক্রিয়াকরণের সুযোগ পেতে পারে।

এর অর্থ হলো, বাংলাদেশে অবস্থান করে অস্ট্রেলিয়ার দক্ষ কর্মী ভিসার আবেদন করলে একই অগ্রাধিকার শ্রেণিতে থাকা কোনো অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক আবেদনকারীর তুলনায় প্রক্রিয়াকরণে পরে আসতে পারে। তবে অগ্রাধিকার পাওয়ার বিষয়টি ভিসা অনুমোদনের নিশ্চয়তা নয়। সংশ্লিষ্ট ভিসার সব যোগ্যতা পূরণ করতেই হবে।

স্থায়ী ও অস্থায়ী দক্ষ কর্মী ভিসার ক্ষেত্রেও নতুন অগ্রাধিকার ব্যবস্থা চালু হয়েছে। স্থায়ী দক্ষ কর্মী ভিসায়ও নির্মাণ, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষকতা ও শিক্ষা, কৃষি, জলজ চাষ, মৎস্য এবং প্রাকৃতিক সম্পদ খাতের আবেদনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও প্রতিরক্ষা খাতের স্বার্থসংশ্লিষ্ট আবেদনও অগ্রাধিকার পাবে। এরপর অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানরত আবেদনকারী এবং পরে দেশের বাইরে থাকা আবেদনকারীদের আবেদন বিবেচনা করা হবে।

নতুন ব্যবস্থার আওতায় আগে জমা দেওয়া এবং বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন আবেদনও নতুন অগ্রাধিকার কাঠামোর আওতায় পড়তে পারে। ফলে ১৯ সেপ্টেম্বরের আগে আবেদন করা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও নতুন অগ্রাধিকার ব্যবস্থার প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার দক্ষতা চাহিদাভিত্তিক ভিসা বা সাবক্লাস ৪৮২-এর বর্তমান কাঠামো ২০২৪ সালের ৭ ডিসেম্বর চালু হয়। এর আগে একই সাবক্লাসের অধীনে অস্থায়ী দক্ষতার ঘাটতি ভিসা চালু ছিল। বর্তমানে নতুন কাঠামোর অধীনেই সাবক্লাস ৪৮২-এর আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে।

তবে কোনো আবেদন অগ্রাধিকার পেলেই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভিসা পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, আবেদন সম্পূর্ণ কি না, প্রয়োজনীয় সব নথি জমা দেওয়া হয়েছে কি না, অতিরিক্ত তথ্য চাইলে তা কত দ্রুত দেওয়া হচ্ছে এবং স্বাস্থ্য, চরিত্র ও জাতীয় নিরাপত্তা যাচাইয়ে কত সময় লাগছে, এসব বিষয়ের ওপর প্রক্রিয়াকরণের সময় নির্ভর করে। আবেদনের জটিলতা এবং একই সময়ে কতসংখ্যক আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, সেটিও সময়ের ওপর প্রভাব ফেলে। স্থায়ী ভিসার ক্ষেত্রে অভিবাসন কর্মসূচিতে নির্ধারিত আসনসংখ্যাও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন বিভাগের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাইয়ে স্থায়ী দক্ষ কর্মী ভিসার মধ্যম প্রক্রিয়াকরণ সময় ছিল আট মাস এবং অস্থায়ী দক্ষ কর্মী ভিসার ক্ষেত্রে তা ছিল ৯৮ দিন। তবে এগুলো মধ্যম সময়, ব্যক্তিভেদে প্রকৃত সময় কম বা বেশি হতে পারে। নতুন অগ্রাধিকার ব্যবস্থার কারণে আবেদনগুলোও সবসময় জমা দেওয়ার তারিখের ক্রমানুসারে নিষ্পত্তি হবে না।

বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য তাই শুধু নিজের পেশা সংশ্লিষ্ট ভিসার যোগ্যতার তালিকায় আছে কি না, সেটি জানা যথেষ্ট নয়। পেশাটি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতের মধ্যে পড়ে কি না, আবেদন করার সময় আবেদনকারী কোথায় অবস্থান করছেন এবং প্রয়োজনীয় সব নথি ও তথ্য সঠিকভাবে জমা দেওয়া হয়েছে কি না, এসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ।

তবে নতুন অগ্রাধিকার ব্যবস্থার অর্থ ভিসার যোগ্যতার শর্ত শিথিল করা নয়। আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট ভিসার সব যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় নথি, স্বাস্থ্য ও চরিত্রসংক্রান্ত শর্ত এবং অস্ট্রেলিয়ার অন্যান্য অভিবাসন বিধি পূরণ করতে হবে।

❤️
👏
🙂
😞

অস্ট্রেলিয়ার দক্ষ কর্মী ভিসায় নতুন নীতি, পেশা ও অবস্থান বিবেচনায় অগ্রাধিকার

প্রকাশঃ ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৭

ক্যানবেরা, ২২ সেপ্টেম্বর, (প্রজন্ম কথা) – অস্ট্রেলিয়ায় দক্ষ কর্মী হিসেবে যেতে আগ্রহী আবেদনকারীদের ভিসা প্রক্রিয়াকরণে নতুন অগ্রাধিকার ব্যবস্থা চালু করেছে দেশটির সরকার। নতুন ব্যবস্থায় সব আবেদন একই ক্রমে প্রক্রিয়াকরণ করা হবে না। আবেদনকারীর পেশা বা কর্মখাত, আবেদন জমা দেওয়ার সময় তিনি অস্ট্রেলিয়ায় ছিলেন কি না এবং কোন ধরনের দক্ষ কর্মী ভিসার জন্য আবেদন করেছেন, এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে প্রক্রিয়াকরণের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে।

নতুন ব্যবস্থা ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে। এর মাধ্যমে দক্ষ কর্মী ভিসার আবেদন প্রক্রিয়াকরণে আগের মন্ত্রী পর্যায়ের নির্দেশনা ১১৯-এর অগ্রাধিকার ব্যবস্থা প্রতিস্থাপিত হয়েছে। তবে নতুন ব্যবস্থায় ভিসার মৌলিক যোগ্যতার শর্ত পরিবর্তন করা হয়নি। অর্থাৎ কোনো আবেদনকারী ভিসার জন্য যোগ্য কি না, তা আগের মতোই সংশ্লিষ্ট ভিসার শর্ত অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। নতুন ব্যবস্থার মূল বিষয় হলো যোগ্য আবেদনগুলোর মধ্যে কোনটি আগে প্রক্রিয়াকরণ করা হবে, তা নির্ধারণ করা।

অস্থায়ী দক্ষ কর্মী ভিসার ক্ষেত্রে নির্মাণ, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষকতা ও শিক্ষা, কৃষি, জলজ চাষ, মৎস্য এবং প্রাকৃতিক সম্পদ খাতের আবেদনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও প্রতিরক্ষা খাতের স্বার্থসংশ্লিষ্ট আবেদনও এই অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। ফলে বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় দক্ষ কর্মী হিসেবে আবেদন করতে আগ্রহীদের জন্য নিজের পেশা বা কর্মক্ষেত্র এই অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতগুলোর মধ্যে পড়ে কি না, সেটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এর পরের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে দক্ষতা চাহিদাভিত্তিক ভিসা বা সাবক্লাস ৪৮২-এর বিশেষজ্ঞ দক্ষতা ধারার আবেদনকে। এরপর আবেদন জমা দেওয়ার সময় আবেদনকারী অস্ট্রেলিয়ায় ছিলেন কি না, সেটি বিবেচনা করা হবে। অর্থাৎ একই ধরনের যোগ্যতার ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করে আবেদন করা ব্যক্তির আবেদন দেশের বাইরে থেকে করা আবেদনের তুলনায় আগে প্রক্রিয়াকরণের সুযোগ পেতে পারে।

এর অর্থ হলো, বাংলাদেশে অবস্থান করে অস্ট্রেলিয়ার দক্ষ কর্মী ভিসার আবেদন করলে একই অগ্রাধিকার শ্রেণিতে থাকা কোনো অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক আবেদনকারীর তুলনায় প্রক্রিয়াকরণে পরে আসতে পারে। তবে অগ্রাধিকার পাওয়ার বিষয়টি ভিসা অনুমোদনের নিশ্চয়তা নয়। সংশ্লিষ্ট ভিসার সব যোগ্যতা পূরণ করতেই হবে।

স্থায়ী ও অস্থায়ী দক্ষ কর্মী ভিসার ক্ষেত্রেও নতুন অগ্রাধিকার ব্যবস্থা চালু হয়েছে। স্থায়ী দক্ষ কর্মী ভিসায়ও নির্মাণ, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষকতা ও শিক্ষা, কৃষি, জলজ চাষ, মৎস্য এবং প্রাকৃতিক সম্পদ খাতের আবেদনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও প্রতিরক্ষা খাতের স্বার্থসংশ্লিষ্ট আবেদনও অগ্রাধিকার পাবে। এরপর অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানরত আবেদনকারী এবং পরে দেশের বাইরে থাকা আবেদনকারীদের আবেদন বিবেচনা করা হবে।

নতুন ব্যবস্থার আওতায় আগে জমা দেওয়া এবং বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন আবেদনও নতুন অগ্রাধিকার কাঠামোর আওতায় পড়তে পারে। ফলে ১৯ সেপ্টেম্বরের আগে আবেদন করা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও নতুন অগ্রাধিকার ব্যবস্থার প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার দক্ষতা চাহিদাভিত্তিক ভিসা বা সাবক্লাস ৪৮২-এর বর্তমান কাঠামো ২০২৪ সালের ৭ ডিসেম্বর চালু হয়। এর আগে একই সাবক্লাসের অধীনে অস্থায়ী দক্ষতার ঘাটতি ভিসা চালু ছিল। বর্তমানে নতুন কাঠামোর অধীনেই সাবক্লাস ৪৮২-এর আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে।

তবে কোনো আবেদন অগ্রাধিকার পেলেই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভিসা পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, আবেদন সম্পূর্ণ কি না, প্রয়োজনীয় সব নথি জমা দেওয়া হয়েছে কি না, অতিরিক্ত তথ্য চাইলে তা কত দ্রুত দেওয়া হচ্ছে এবং স্বাস্থ্য, চরিত্র ও জাতীয় নিরাপত্তা যাচাইয়ে কত সময় লাগছে, এসব বিষয়ের ওপর প্রক্রিয়াকরণের সময় নির্ভর করে। আবেদনের জটিলতা এবং একই সময়ে কতসংখ্যক আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, সেটিও সময়ের ওপর প্রভাব ফেলে। স্থায়ী ভিসার ক্ষেত্রে অভিবাসন কর্মসূচিতে নির্ধারিত আসনসংখ্যাও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন বিভাগের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাইয়ে স্থায়ী দক্ষ কর্মী ভিসার মধ্যম প্রক্রিয়াকরণ সময় ছিল আট মাস এবং অস্থায়ী দক্ষ কর্মী ভিসার ক্ষেত্রে তা ছিল ৯৮ দিন। তবে এগুলো মধ্যম সময়, ব্যক্তিভেদে প্রকৃত সময় কম বা বেশি হতে পারে। নতুন অগ্রাধিকার ব্যবস্থার কারণে আবেদনগুলোও সবসময় জমা দেওয়ার তারিখের ক্রমানুসারে নিষ্পত্তি হবে না।

বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য তাই শুধু নিজের পেশা সংশ্লিষ্ট ভিসার যোগ্যতার তালিকায় আছে কি না, সেটি জানা যথেষ্ট নয়। পেশাটি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতের মধ্যে পড়ে কি না, আবেদন করার সময় আবেদনকারী কোথায় অবস্থান করছেন এবং প্রয়োজনীয় সব নথি ও তথ্য সঠিকভাবে জমা দেওয়া হয়েছে কি না, এসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ।

তবে নতুন অগ্রাধিকার ব্যবস্থার অর্থ ভিসার যোগ্যতার শর্ত শিথিল করা নয়। আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট ভিসার সব যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় নথি, স্বাস্থ্য ও চরিত্রসংক্রান্ত শর্ত এবং অস্ট্রেলিয়ার অন্যান্য অভিবাসন বিধি পূরণ করতে হবে।