আজ মাঠে নামছে রাজনৈতিক দলগুলো: কোথায় শুরু হচ্ছে কার প্রচারণা
- প্রকাশঃ ১০:৩০:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
- / 35
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা বুধবার প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর আজ বৃহস্পতিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছেন। এর মধ্য দিয়ে দেশজুড়ে সংসদ নির্বাচনের মাঠপর্যায়ের প্রচারণার সূচনা হলো।
নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, প্রার্থীরা আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত প্রচারণা চালাতে পারবেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোটও অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
নির্বাচনী প্রচারের প্রথম দিন আজ সকালে সিলেট নগরের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে জনসভা দিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করেছে বিএনপি। এই সমাবেশে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন। প্রথম দিনেই তিনি সিলেটের সমাবেশ ছাড়াও মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অনুষ্ঠিত সমাবেশগুলোতে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী আজ বেলা ২টায় রাজধানীর মিরপুরে আদর্শ স্কুল মাঠে নির্বাচনী জনসভার আয়োজন করেছে। দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ ১০–দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা এই জনসভায় উপস্থিত থাকবেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। উল্লেখ্য, জনসভাস্থলটি জামায়াতে ইসলামীর আমিরের নির্বাচনী এলাকা ঢাকা–১৫ আসনের অন্তর্ভুক্ত।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসপি) আজ সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় তিন নেতার সমাধি ও শহীদ ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচার শুরু করছে। জিয়ারত শেষে দলটির প্রচার কর্মসূচি তিন নেতার সমাধি থেকে জাতীয় প্রেসক্লাব পর্যন্ত যাবে। এনসপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ শীর্ষ নেতারা এই কর্মসূচিতে অংশ নেবেন বলে দলটি জানিয়েছে।
এদিকে, আজ বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার শুরু করবে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)।
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি আজ সকাল ৯টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার চরলহনিয়াতে তাঁর বাবার কবর জিয়ারত ও পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে ‘মাথাল’ প্রতীকের নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন।
নির্বাচনী প্রচারের সূচনার মধ্য দিয়ে দেশজুড়ে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের ব্যস্ততা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।



























