ঢাকা ০৬:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অভিনব নকশার পাটপন্যই পারে রপ্তানি বাজারে শক্ত অবস্থান নিতে ” কর্মশালার অভিমত

প্রজন্ম কথা ডেস্ক
  • প্রকাশঃ ০৬:৪৫:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
  • / 2

রপ্তানি বাজারে  সফলভাবে কাজ করার জন্য ডিজাইনের গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমান বিশ্ববাজার অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক। আন্তর্জাতিক বাজারের ক্রেতারা এখন শুধু একটি পণ্য কেনেন না, বরং তারা পণ্যের গুণগত মানের পাশাপাশি এর উপস্থাপন, ডিজাইন, রঙ, ব্যবহারিক দিক এবং আধুনিকতার প্রতিফলনও বিবেচনা করেন।

তাই আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী সঠিক রঙ, ফ্যাশন ট্রেন্ড এবং উপযোগী পণ্য নির্বাচন করে একজন উদ্যোক্তা কতটা দক্ষতার সঙ্গে তা ক্রেতাদের সামনে উপস্থাপন করতে পারেন, তার উপরই মূলত সফলতা নির্ভর করে।

তাই উদ‍্যোক্তাদের ডিজাইন বিষয়ে উৎকষতা অর্জনের দক্ষতা সৃষ্টির জন‍্য একটি কর্মশালা হয়ে গেলো গত ৯ মে থেকে ১৬ মে পর্যন্ত। সরকারের বাণিজ‍্য মন্ত্রনালয়ের বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল এবং বাংলাদেশ বহুমুখী পাটপণ্য উৎপাদক ও রপ্তানিকারক সমিতি যৌথভাবে কর্মশালাটির আয়োজন করেছিল।

কর্মশালাটি উদ্বোধন করেন পাট ও বস্ত্র মন্ত্রনালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান,জেপিডেসির এমডি জাহিদ হোসেন ও বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিলের রাজ্জাকুল ইসলাম।

একজন উদ্যোক্তার  সৃজনশীলতা, উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা এবং যুগোপযোগী ডিজাইন আন্তর্জাতিক বাজারে তার অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। একটি ভালো ডিজাইন শুধু পণ্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না, বরং সেটি ক্রেতার আগ্রহ তৈরি করে, বাজার সম্প্রসারণে সহায়তা করে এবং পণ্যের বাণিজ্যিক মূল্য বহুগুণ বৃদ্ধি করে। তাই বর্তমানে ডিজাইনকে শুধুমাত্র একটি শিল্প নয়, বরং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

বাংলাদেশের পাটজাত পণ্য, বিশেষ করে বহুমুখী পাটপণ্যের ডিজাইন ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে এখনো পর্যাপ্ত প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ গড়ে ওঠেনি। এ খাতে যারা রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন, তাদের অধিকাংশই ব্যক্তিগত উদ্যোগ, অভিজ্ঞতা এবং সীমিত সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকতে হলে আমাদের আরও গবেষণাভিত্তিক, আধুনিক এবং বাজারমুখী ডিজাইন উন্নয়নের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।

 এই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। নতুন উদ্যোক্তা এবং যারা স্থানীয় বাজারে কাজ করছেন, তাদের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়েই এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছিল । কর্মশালায় ৩০ জন উদ্যোক্তা অংশগ্রহণ করছেন ।  দেশের স্বনামধন্য ৩ জন ডিজাইনারের নেতৃত্বে কর্মশালাটি পরিচালিত হয়েছে ।

 কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানের বক্তারা আশা প্রকাশ করেন উদ্যোক্তারা আন্তর্জাতিক বাজার সম্পর্কে আরও সঠিক দিকনির্দেশনা, জ্ঞান এবং আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছেন। এর মাধ্যমে তারা রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে আরও কার্যকর ও গতিশীল ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন এবং বাংলাদেশের পাটপণ্যকে বিশ্ববাজারে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন।সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ডিজাইনার কোহিনুর বেগম,

শিল্পী শৈবাল সাহা,নেদারল‍্যান্ড ভিওিক  স্বচ্ছাসেবি সংস্থা পাম-এর বাংলাদেশ রিপ্রেজেন্টটিভ সাইফুল ইসলাম সুমন  এবং বাংলাদেশ  বহুমুখী  পাটজাতপন‍্য  উৎপাদক  ও  রপ্তানীকারক সমিতির সভাপতি মো: রাশেদুল করিম মুন্না।

 

শেয়ার করুন

অভিনব নকশার পাটপন্যই পারে রপ্তানি বাজারে শক্ত অবস্থান নিতে ” কর্মশালার অভিমত

প্রকাশঃ ০৬:৪৫:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

রপ্তানি বাজারে  সফলভাবে কাজ করার জন্য ডিজাইনের গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমান বিশ্ববাজার অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক। আন্তর্জাতিক বাজারের ক্রেতারা এখন শুধু একটি পণ্য কেনেন না, বরং তারা পণ্যের গুণগত মানের পাশাপাশি এর উপস্থাপন, ডিজাইন, রঙ, ব্যবহারিক দিক এবং আধুনিকতার প্রতিফলনও বিবেচনা করেন।

তাই আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী সঠিক রঙ, ফ্যাশন ট্রেন্ড এবং উপযোগী পণ্য নির্বাচন করে একজন উদ্যোক্তা কতটা দক্ষতার সঙ্গে তা ক্রেতাদের সামনে উপস্থাপন করতে পারেন, তার উপরই মূলত সফলতা নির্ভর করে।

তাই উদ‍্যোক্তাদের ডিজাইন বিষয়ে উৎকষতা অর্জনের দক্ষতা সৃষ্টির জন‍্য একটি কর্মশালা হয়ে গেলো গত ৯ মে থেকে ১৬ মে পর্যন্ত। সরকারের বাণিজ‍্য মন্ত্রনালয়ের বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল এবং বাংলাদেশ বহুমুখী পাটপণ্য উৎপাদক ও রপ্তানিকারক সমিতি যৌথভাবে কর্মশালাটির আয়োজন করেছিল।

কর্মশালাটি উদ্বোধন করেন পাট ও বস্ত্র মন্ত্রনালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান,জেপিডেসির এমডি জাহিদ হোসেন ও বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিলের রাজ্জাকুল ইসলাম।

একজন উদ্যোক্তার  সৃজনশীলতা, উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা এবং যুগোপযোগী ডিজাইন আন্তর্জাতিক বাজারে তার অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। একটি ভালো ডিজাইন শুধু পণ্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না, বরং সেটি ক্রেতার আগ্রহ তৈরি করে, বাজার সম্প্রসারণে সহায়তা করে এবং পণ্যের বাণিজ্যিক মূল্য বহুগুণ বৃদ্ধি করে। তাই বর্তমানে ডিজাইনকে শুধুমাত্র একটি শিল্প নয়, বরং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

বাংলাদেশের পাটজাত পণ্য, বিশেষ করে বহুমুখী পাটপণ্যের ডিজাইন ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে এখনো পর্যাপ্ত প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ গড়ে ওঠেনি। এ খাতে যারা রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন, তাদের অধিকাংশই ব্যক্তিগত উদ্যোগ, অভিজ্ঞতা এবং সীমিত সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকতে হলে আমাদের আরও গবেষণাভিত্তিক, আধুনিক এবং বাজারমুখী ডিজাইন উন্নয়নের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।

 এই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। নতুন উদ্যোক্তা এবং যারা স্থানীয় বাজারে কাজ করছেন, তাদের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়েই এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছিল । কর্মশালায় ৩০ জন উদ্যোক্তা অংশগ্রহণ করছেন ।  দেশের স্বনামধন্য ৩ জন ডিজাইনারের নেতৃত্বে কর্মশালাটি পরিচালিত হয়েছে ।

 কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানের বক্তারা আশা প্রকাশ করেন উদ্যোক্তারা আন্তর্জাতিক বাজার সম্পর্কে আরও সঠিক দিকনির্দেশনা, জ্ঞান এবং আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছেন। এর মাধ্যমে তারা রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে আরও কার্যকর ও গতিশীল ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন এবং বাংলাদেশের পাটপণ্যকে বিশ্ববাজারে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন।সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ডিজাইনার কোহিনুর বেগম,

শিল্পী শৈবাল সাহা,নেদারল‍্যান্ড ভিওিক  স্বচ্ছাসেবি সংস্থা পাম-এর বাংলাদেশ রিপ্রেজেন্টটিভ সাইফুল ইসলাম সুমন  এবং বাংলাদেশ  বহুমুখী  পাটজাতপন‍্য  উৎপাদক  ও  রপ্তানীকারক সমিতির সভাপতি মো: রাশেদুল করিম মুন্না।