ঢাকা ০৯:১৩ , Tue, ০৮ Sep ২০২৬
বিশ্বসমাচার
যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন নাগরিকত্বের লিখিত পরীক্ষায় যে ৪ ভুলে ফেল হতে পারেন

প্রজন্ম কথা ডেস্ক
  • প্রকাশঃ ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫:১৬
  • / 8
মার্কিন নাগরিকত্বের ইংরেজি লিখিত পরীক্ষায় কর্মকর্তার বলা বাক্য লিখতে হয় ছবি: সংগৃহীত

ওয়াশিংটন, ৮ সেপ্টেম্বর, (প্রজন্ম কথা) – মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়ায় ইংরেজি লিখিত পরীক্ষায় কর্মকর্তার বলা বাক্যের অর্থ ঠিকভাবে প্রকাশ করতে না পারলে আবেদনকারী ওই অংশে অকৃতকার্য হতে পারেন। তবে বানান, বড় হাতের অক্ষর বা যতিচিহ্নে কিছু ভুল থাকলেও তা অর্থ বোঝার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি না করলে সাধারণত ফেল হিসেবে গণ্য করা হয় না। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা কর্তৃপক্ষের স্কোরিং নির্দেশিকায় পরীক্ষার উত্তর কীভাবে মূল্যায়ন করা হবে, তা স্পষ্ট করা হয়েছে।

নাগরিকত্বের সাক্ষাৎকারের অংশ হিসেবে ইংরেজি ভাষার পড়া, লেখা ও বলার দক্ষতা যাচাই করা হয়। লিখিত পরীক্ষায় কর্মকর্তা একটি বাক্য পড়ে শোনান এবং আবেদনকারীকে সেটি লিখতে হয়। তিনটি বাক্যের মধ্যে একটি সঠিকভাবে লিখতে পারলেই লিখিত অংশে ইংরেজিতে লেখার সক্ষমতা প্রমাণ করা যায়।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদনকারীর লেখা বাক্যটি কর্মকর্তার কাছে পাঠযোগ্য হতে হবে এবং মূল বাক্যের সঙ্গে সাধারণ অর্থের মিল থাকতে হবে। অর্থ বোঝা গেলে কিছু বানান, ব্যাকরণ, যতিচিহ্ন বা বড় হাতের অক্ষরের ভুল গ্রহণযোগ্য হতে পারে। সংখ্যাও শব্দে বা অঙ্কে লেখা যেতে পারে।

যে ৪ ধরনের ভুলে লিখিত পরীক্ষায় সমস্যা হতে পারে

১. বলা বাক্যের বদলে ভিন্ন বাক্য লেখা

কর্মকর্তা যে বাক্যটি লিখতে বলছেন, তার পরিবর্তে অন্য বাক্য লিখলে তা পরীক্ষার নির্ধারিত উত্তরের সঙ্গে মিলবে না। ফলে প্রয়োজনীয় অর্থ প্রকাশ না পাওয়ায় উত্তরটি গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে।

২. বলা শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ লেখা

কর্মকর্তার বলা কোনো শব্দকে সংক্ষিপ্ত করে লিখলে তা গ্রহণযোগ্য নয়। ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, বলা কোনো শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ লিখলে আবেদনকারী লিখিত পরীক্ষার ওই উত্তরের জন্য প্রয়োজনীয় মান পূরণ করতে পারবেন না।

৩. পুরো বাক্য না লিখে কিছু না লেখা বা খুব অল্প লেখা

কর্মকর্তার বলা বাক্যের পরিবর্তে কিছুই না লেখা, কিংবা এমন অল্প কিছু শব্দ লেখা যাতে বাক্যের মূল অর্থ প্রকাশ পায় না, তা গ্রহণযোগ্য উত্তরের মান পূরণ করবে না। তবে অর্থে প্রভাব না ফেললে ছোট কিছু শব্দ বাদ পড়ার সুযোগ রয়েছে।

৪. এমনভাবে লেখা যাতে বাক্যটি বোঝা না যায়

হাতের লেখা কর্মকর্তার কাছে পাঠযোগ্য হতে হবে। লেখা এমন অস্পষ্ট হলে যাতে বাক্যটি পড়া বা এর অর্থ বোঝা সম্ভব না হয়, সেটি লিখিত পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার কারণ হতে পারে।

বানান ভুল হলেই কি ফেল?

না। ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকা অনুযায়ী, বানান, ব্যাকরণ, যতিচিহ্ন বা বড় হাতের অক্ষর ব্যবহারে ভুল থাকলেও সেই ভুল যদি বাক্যের অর্থ বুঝতে বাধা না দেয়, তাহলে আবেদনকারীকে শুধু ওই কারণে ফেল করা যাবে না। মূল বিষয় হলো লেখাটি থেকে বাক্যের সাধারণ অর্থ বোঝা যাচ্ছে কি না।

লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ইউএসসিআইএস ইংরেজি লেখার পরীক্ষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোর একটি তালিকাও প্রকাশ করেছে। আবেদনকারীরা ওই তালিকার শব্দ ব্যবহার করে সম্ভাব্য বাক্য লেখার অনুশীলন করতে পারেন।

প্রথমবার নাগরিকত্ব পরীক্ষার কোনো অংশে ব্যর্থ হলেও আবেদনকারীর আবার সেই অংশ দেওয়ার সুযোগ থাকে। ইউএসসিআইএসের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রথম সাক্ষাৎকারে কোনো অংশে ব্যর্থ হলে দ্বিতীয় সাক্ষাৎকারে সেই অংশ পুনরায় দিতে হয়। সাধারণত প্রথম সাক্ষাৎকারের ৬০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হয়।

তাই লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় কর্মকর্তার বলা বাক্য মনোযোগ দিয়ে শোনা, বাক্যের মূল অর্থ ঠিক রাখা, সংক্ষিপ্ত রূপ এড়িয়ে চলা এবং হাতের লেখা পরিষ্কার রাখার দিকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

সূত্র: লেজিট

❤️
👏
🙂
😞

মার্কিন নাগরিকত্বের লিখিত পরীক্ষায় যে ৪ ভুলে ফেল হতে পারেন

প্রকাশঃ ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫:১৬

ওয়াশিংটন, ৮ সেপ্টেম্বর, (প্রজন্ম কথা) – মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়ায় ইংরেজি লিখিত পরীক্ষায় কর্মকর্তার বলা বাক্যের অর্থ ঠিকভাবে প্রকাশ করতে না পারলে আবেদনকারী ওই অংশে অকৃতকার্য হতে পারেন। তবে বানান, বড় হাতের অক্ষর বা যতিচিহ্নে কিছু ভুল থাকলেও তা অর্থ বোঝার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি না করলে সাধারণত ফেল হিসেবে গণ্য করা হয় না। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা কর্তৃপক্ষের স্কোরিং নির্দেশিকায় পরীক্ষার উত্তর কীভাবে মূল্যায়ন করা হবে, তা স্পষ্ট করা হয়েছে।

নাগরিকত্বের সাক্ষাৎকারের অংশ হিসেবে ইংরেজি ভাষার পড়া, লেখা ও বলার দক্ষতা যাচাই করা হয়। লিখিত পরীক্ষায় কর্মকর্তা একটি বাক্য পড়ে শোনান এবং আবেদনকারীকে সেটি লিখতে হয়। তিনটি বাক্যের মধ্যে একটি সঠিকভাবে লিখতে পারলেই লিখিত অংশে ইংরেজিতে লেখার সক্ষমতা প্রমাণ করা যায়।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদনকারীর লেখা বাক্যটি কর্মকর্তার কাছে পাঠযোগ্য হতে হবে এবং মূল বাক্যের সঙ্গে সাধারণ অর্থের মিল থাকতে হবে। অর্থ বোঝা গেলে কিছু বানান, ব্যাকরণ, যতিচিহ্ন বা বড় হাতের অক্ষরের ভুল গ্রহণযোগ্য হতে পারে। সংখ্যাও শব্দে বা অঙ্কে লেখা যেতে পারে।

যে ৪ ধরনের ভুলে লিখিত পরীক্ষায় সমস্যা হতে পারে

১. বলা বাক্যের বদলে ভিন্ন বাক্য লেখা

কর্মকর্তা যে বাক্যটি লিখতে বলছেন, তার পরিবর্তে অন্য বাক্য লিখলে তা পরীক্ষার নির্ধারিত উত্তরের সঙ্গে মিলবে না। ফলে প্রয়োজনীয় অর্থ প্রকাশ না পাওয়ায় উত্তরটি গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে।

২. বলা শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ লেখা

কর্মকর্তার বলা কোনো শব্দকে সংক্ষিপ্ত করে লিখলে তা গ্রহণযোগ্য নয়। ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, বলা কোনো শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ লিখলে আবেদনকারী লিখিত পরীক্ষার ওই উত্তরের জন্য প্রয়োজনীয় মান পূরণ করতে পারবেন না।

৩. পুরো বাক্য না লিখে কিছু না লেখা বা খুব অল্প লেখা

কর্মকর্তার বলা বাক্যের পরিবর্তে কিছুই না লেখা, কিংবা এমন অল্প কিছু শব্দ লেখা যাতে বাক্যের মূল অর্থ প্রকাশ পায় না, তা গ্রহণযোগ্য উত্তরের মান পূরণ করবে না। তবে অর্থে প্রভাব না ফেললে ছোট কিছু শব্দ বাদ পড়ার সুযোগ রয়েছে।

৪. এমনভাবে লেখা যাতে বাক্যটি বোঝা না যায়

হাতের লেখা কর্মকর্তার কাছে পাঠযোগ্য হতে হবে। লেখা এমন অস্পষ্ট হলে যাতে বাক্যটি পড়া বা এর অর্থ বোঝা সম্ভব না হয়, সেটি লিখিত পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার কারণ হতে পারে।

বানান ভুল হলেই কি ফেল?

না। ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকা অনুযায়ী, বানান, ব্যাকরণ, যতিচিহ্ন বা বড় হাতের অক্ষর ব্যবহারে ভুল থাকলেও সেই ভুল যদি বাক্যের অর্থ বুঝতে বাধা না দেয়, তাহলে আবেদনকারীকে শুধু ওই কারণে ফেল করা যাবে না। মূল বিষয় হলো লেখাটি থেকে বাক্যের সাধারণ অর্থ বোঝা যাচ্ছে কি না।

লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ইউএসসিআইএস ইংরেজি লেখার পরীক্ষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোর একটি তালিকাও প্রকাশ করেছে। আবেদনকারীরা ওই তালিকার শব্দ ব্যবহার করে সম্ভাব্য বাক্য লেখার অনুশীলন করতে পারেন।

প্রথমবার নাগরিকত্ব পরীক্ষার কোনো অংশে ব্যর্থ হলেও আবেদনকারীর আবার সেই অংশ দেওয়ার সুযোগ থাকে। ইউএসসিআইএসের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রথম সাক্ষাৎকারে কোনো অংশে ব্যর্থ হলে দ্বিতীয় সাক্ষাৎকারে সেই অংশ পুনরায় দিতে হয়। সাধারণত প্রথম সাক্ষাৎকারের ৬০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হয়।

তাই লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় কর্মকর্তার বলা বাক্য মনোযোগ দিয়ে শোনা, বাক্যের মূল অর্থ ঠিক রাখা, সংক্ষিপ্ত রূপ এড়িয়ে চলা এবং হাতের লেখা পরিষ্কার রাখার দিকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

সূত্র: লেজিট