ঢাকা ০৬:৩৩ , Sat, ২৯ Aug ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র
নিউইয়র্ক

নিউইয়র্কে প্রবীণ ভারতীয়দের সঙ্গে রাখীবন্ধনে মেয়র জোহরান মামদানি

প্রজন্ম কথা ডেস্ক
  • প্রকাশঃ ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৩
  • / 7
নিউইয়র্কের মেয়র মামদানি ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের রক্ষা বন্ধনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ছবি: জোহরান মামদানির এক্স পোস্ট

নিউইয়র্ক, ২৯ আগস্ট, (প্রজন্ম কথা) – ভারতীয় প্রবাসী সম্প্রদায়ের সঙ্গে রাখিবন্ধন উৎসবে অংশ নিয়েছেন নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি। শুক্রবার দক্ষিণ এশীয় প্রবীণদের জন্য পরিচালিত ‘ইন্ডিয়া হোম’ কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এক প্রবীণ নারী মামদানির কবজিতে রাখি পরিয়ে দেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরা ওই নারী মামদানির হাতে রাখি বাঁধছেন। এ সময় রাখিবন্ধনের প্রতীকী তাৎপর্য তুলে ধরে মামদানি বলেন, এই পবিত্র সুতো একে অপরকে রক্ষা, সহযোগিতা ও পাশে থাকার অঙ্গীকারের প্রতীক।

মামদানি বলেন, ইন্ডিয়া হোমে দক্ষিণ এশীয় প্রবীণদের সঙ্গে এই আয়োজনের আনন্দ ভাগ করে নিয়েছেন তিনি। তাঁর ভাষায়, এই কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রবীণরা নিজেদের সম্প্রদায়, যত্ন এবং আপনজনের মতো একটি সামাজিক পরিবেশ খুঁজে পান।

Image
ছবি: জোহরান মামদানি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম

রাখিবন্ধন হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। এ দিনে বোনেরা ভাইদের হাতে রাখি বাঁধেন এবং ভাইয়েরা তাঁদের পাশে থাকার ও সুরক্ষা দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। মামদানি এই পারস্পরিক সহযোগিতার ভাবনাকে পুরো নিউইয়র্ক নগরের ক্ষেত্রেও প্রাসঙ্গিক বলে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, পারস্পরিকভাবে পাশে থাকার এই চেতনা পুরো শহরজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন। নিরাপদ ও সবার জন্য আরও সাশ্রয়ী নিউইয়র্ক গড়ে তুলতে নাগরিকদের একে অপরের পাশে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

এর আগে গত বছরও রাখিবন্ধন উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন মামদানি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে উৎসব উদযাপনের জন্য শুভকামনা জানান।

এদিকে নিউইয়র্কে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবতের একটি অনুষ্ঠান নিয়ে সম্প্রতি মন্তব্য করে আলোচনায় আসেন মামদানি। ২৯ আগস্ট ম্যানহাটনে অনুষ্ঠেয় ওই আয়োজনকে আয়োজকেরা ‘সার্বজনীন একাত্মতা উদযাপন’ হিসেবে প্রচার করেছেন।

Image
ছবি: জোহরান মামদানি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম

মামদানি জানান, তিনি ওই অনুষ্ঠান সমর্থন করেন না। তবে এটি একটি বেসরকারি আয়োজন হওয়ায় অনুষ্ঠানটি বাতিল করার ক্ষেত্রে নগর কর্তৃপক্ষের আইনি এখতিয়ার আছে কি না, সে বিষয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।

তিনি আরও বলেন, তাঁর পরিবার থেকে শেখা ভারতের ধারণা ছিল বহুত্ববাদী ও ধর্মনিরপেক্ষ একটি রাষ্ট্রের, যেখানে প্রত্যেক ভারতীয়ের অন্তর্ভুক্তির সুযোগ রয়েছে। তাঁর মতে, বর্জনমূলক দৃষ্টিভঙ্গির ওপর ভিত্তি করে কোনো আন্দোলনের উত্থান উদ্বেগের বিষয়।

❤️
👏
🙂
😞

নিউইয়র্কে প্রবীণ ভারতীয়দের সঙ্গে রাখীবন্ধনে মেয়র জোহরান মামদানি

প্রকাশঃ ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৩

নিউইয়র্ক, ২৯ আগস্ট, (প্রজন্ম কথা) – ভারতীয় প্রবাসী সম্প্রদায়ের সঙ্গে রাখিবন্ধন উৎসবে অংশ নিয়েছেন নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি। শুক্রবার দক্ষিণ এশীয় প্রবীণদের জন্য পরিচালিত ‘ইন্ডিয়া হোম’ কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এক প্রবীণ নারী মামদানির কবজিতে রাখি পরিয়ে দেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরা ওই নারী মামদানির হাতে রাখি বাঁধছেন। এ সময় রাখিবন্ধনের প্রতীকী তাৎপর্য তুলে ধরে মামদানি বলেন, এই পবিত্র সুতো একে অপরকে রক্ষা, সহযোগিতা ও পাশে থাকার অঙ্গীকারের প্রতীক।

মামদানি বলেন, ইন্ডিয়া হোমে দক্ষিণ এশীয় প্রবীণদের সঙ্গে এই আয়োজনের আনন্দ ভাগ করে নিয়েছেন তিনি। তাঁর ভাষায়, এই কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রবীণরা নিজেদের সম্প্রদায়, যত্ন এবং আপনজনের মতো একটি সামাজিক পরিবেশ খুঁজে পান।

Image
ছবি: জোহরান মামদানি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম

রাখিবন্ধন হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। এ দিনে বোনেরা ভাইদের হাতে রাখি বাঁধেন এবং ভাইয়েরা তাঁদের পাশে থাকার ও সুরক্ষা দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। মামদানি এই পারস্পরিক সহযোগিতার ভাবনাকে পুরো নিউইয়র্ক নগরের ক্ষেত্রেও প্রাসঙ্গিক বলে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, পারস্পরিকভাবে পাশে থাকার এই চেতনা পুরো শহরজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন। নিরাপদ ও সবার জন্য আরও সাশ্রয়ী নিউইয়র্ক গড়ে তুলতে নাগরিকদের একে অপরের পাশে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

এর আগে গত বছরও রাখিবন্ধন উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন মামদানি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে উৎসব উদযাপনের জন্য শুভকামনা জানান।

এদিকে নিউইয়র্কে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবতের একটি অনুষ্ঠান নিয়ে সম্প্রতি মন্তব্য করে আলোচনায় আসেন মামদানি। ২৯ আগস্ট ম্যানহাটনে অনুষ্ঠেয় ওই আয়োজনকে আয়োজকেরা ‘সার্বজনীন একাত্মতা উদযাপন’ হিসেবে প্রচার করেছেন।

Image
ছবি: জোহরান মামদানি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম

মামদানি জানান, তিনি ওই অনুষ্ঠান সমর্থন করেন না। তবে এটি একটি বেসরকারি আয়োজন হওয়ায় অনুষ্ঠানটি বাতিল করার ক্ষেত্রে নগর কর্তৃপক্ষের আইনি এখতিয়ার আছে কি না, সে বিষয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।

তিনি আরও বলেন, তাঁর পরিবার থেকে শেখা ভারতের ধারণা ছিল বহুত্ববাদী ও ধর্মনিরপেক্ষ একটি রাষ্ট্রের, যেখানে প্রত্যেক ভারতীয়ের অন্তর্ভুক্তির সুযোগ রয়েছে। তাঁর মতে, বর্জনমূলক দৃষ্টিভঙ্গির ওপর ভিত্তি করে কোনো আন্দোলনের উত্থান উদ্বেগের বিষয়।