ঢাকা ০৮:৪০ , Fri, ১১ Sep ২০২৬

কোটি টাকার স্কলারশিপ পেলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হৃদয় হাওলাদার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশঃ ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:০৯
  • / 10
যুক্তরাজ্যের নিউক্যাসল ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডির সুযোগ পাওয়া বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মো. হৃদয় হাওলাদার ছবি: সংগৃহীত

বরিশাল, ১০ সেপ্টেম্বর, (প্রজন্ম কথা) – বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মো. হৃদয় হাওলাদার যুক্তরাজ্যের নিউক্যাসল ইউনিভার্সিটিতে রাজনীতি বিষয়ে পিএইচডির সুযোগ পেয়েছেন। তাঁর জন্য রয়েছে নিউক্যাসল ইউনিভার্সিটি ওভারসিজ রিসার্চ স্কলারশিপ এবং শিক্ষক সহকারী হিসেবে কাজের সুযোগ। পাশাপাশি গবেষণায় আয়ারল্যান্ডের কুইন্স ইউনিভার্সিটি বেলফাস্টের যৌথ তত্ত্বাবধান থাকবে। স্কলারশিপ ও ফেলোশিপের আওতায় তিনি বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ কোটি ৪ লাখ টাকার আর্থিক সুবিধা পাবেন বলে জানানো হয়েছে।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন হৃদয়। বিভাগটি প্রতিষ্ঠার পর পিএইচডির সুযোগ পাওয়া প্রথম শিক্ষার্থী তিনি। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য পাওয়া ওভারসিজ রিসার্চ স্কলারশিপের আওতায় সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য টিউশন ফি ও যুক্তরাজ্যের শিক্ষার্থীদের টিউশন ফির পার্থক্য কভার করা হবে। এর সঙ্গে শিক্ষক সহকারী হিসেবে তাঁর আর্থিক সহায়তার সুযোগও রয়েছে।

পিএইচডিতে তাঁর গবেষণার আগ্রহের মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, অভিবাসন ও শরণার্থী অধ্যয়ন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার শাসন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং পরিবেশ রাজনীতি। এর আগে ভারত-বাংলাদেশের পানি বিরোধের ভূরাজনৈতিক ও আর্থসামাজিক প্রভাব, রোহিঙ্গা সংকট, যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রতিদ্বন্দ্বিতা, জলনিরাপত্তা ও জলবায়ু রাজনীতি এবং দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব নিয়ে গবেষণা করেছেন তিনি।

হৃদয়ের উল্লেখযোগ্য গবেষণার একটি ‘বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সংকট: চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’। গবেষণাটি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান স্প্রিংগারের ‘ডিসকভার গ্লোবাল সোসাইটি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রোহিঙ্গা সংকটের মানবিক, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত প্রভাব এবং বাংলাদেশে সংকটটির কূটনৈতিক ও অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

জলবায়ু ও পানিনিরাপত্তা নিয়েও কাজ করেছেন হৃদয়। তাঁর আরেক গবেষণায় জলনিরাপত্তা, জলবায়ু ঝুঁকি, অভিবাসন এবং যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সম্পৃক্ততার বিষয় বিশ্লেষণ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা নিয়ে করা গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সেমিকন্ডাক্টর ও ফাইভজি প্রযুক্তিকে ঘিরে দুই দেশের প্রতিযোগিতা এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে এর প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে। ভারত-বাংলাদেশের আন্তঃসীমান্ত নদীর পানি বণ্টন ও এর ভূরাজনৈতিক এবং আর্থসামাজিক প্রভাব নিয়েও গবেষণা করেছেন তিনি।

উচ্চশিক্ষার পথচলায় হৃদয় এর আগে ডেনমার্কের অ্যালবর্গ ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও বৈশ্বিক শরণার্থী অধ্যয়ন বিষয়ে স্নাতকোত্তর পড়তে যান। তখন তাঁর পরিকল্পনা ছিল মাস্টার্স শেষ করে উত্তর আমেরিকায় পিএইচডির পথে এগিয়ে যাওয়া। তবে ডেনমার্কে যাওয়ার পর কাজের অনিশ্চয়তা, সিপিআর-সংক্রান্ত জটিলতা ও অন্যান্য বাস্তব পরিস্থিতি তাঁর পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনে।

হৃদয়ের ভাষ্য, অর্থ উপার্জন কখনো তাঁর চূড়ান্ত লক্ষ্য ছিল না। গবেষণা, উচ্চশিক্ষা ও আন্তর্জাতিক একাডেমিক ক্যারিয়ার গড়াই ছিল তাঁর প্রধান লক্ষ্য। এ কারণে ইউরোপে থেকে যাওয়ার সম্ভাবনার চেয়ে দীর্ঘমেয়াদি একাডেমিক লক্ষ্যকে গুরুত্ব দিয়ে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। অ্যালবর্গ ইউনিভার্সিটির নীতিমালা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভর্তি বাতিল করায় টিউশন ফির ৭৫ শতাংশ ফেরত পাওয়ার সুযোগও পান। দেশে ফিরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সের চূড়ান্ত পরীক্ষা শেষ করেন।

এরপর নিজের একাডেমিক প্রোফাইল শক্তিশালী করতে গবেষণায় মনোযোগ দেন হৃদয়। ডেস্কভিত্তিক গবেষণার পাশাপাশি সুন্দরবনে মাঠপর্যায়ে গবেষণায় অংশ নেন। তথ্য সংগ্রহ, গবেষণাপত্র লেখা ও সংশোধন এবং বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্পে কাজের মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে নিজের গবেষণার ক্ষেত্র তৈরি করেন।

দেশে ফেরার সিদ্ধান্তের পর নানা সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছিল বলে জানান হৃদয়। তাঁর সাময়িক দেশে ফেরাকে অনেকে ব্যর্থতা হিসেবে দেখেছিলেন। এ নিয়ে তাঁর পরিবারকেও বিভিন্ন কথা শুনতে হয়েছে। তবে বাবা-মা, ভাই-বোন, শিক্ষক, পরামর্শদাতা, সহকর্মী ও বন্ধুদের সহযোগিতা তাঁকে গবেষণায় এগিয়ে যেতে সহায়তা করেছে বলে জানান তিনি।

গবেষণার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রকাশনা ও একাডেমিক কাজের সঙ্গেও যুক্ত হয়েছেন হৃদয়। একাধিক গবেষণাপত্র প্রকাশের পাশাপাশি বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্পে কাজ করে নিজের একাডেমিক অভিজ্ঞতা বাড়িয়েছেন। তাঁর সাম্প্রতিক অর্জন সেই ধারাবাহিকতারই পরবর্তী ধাপ।

এখন যুক্তরাজ্যের নিউক্যাসল ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি শুরু করতে যাচ্ছেন হৃদয় হাওলাদার। তাঁর কাছে এই অর্জন ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি দীর্ঘদিনের গবেষণার লক্ষ্য পূরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। নতুন একাডেমিক যাত্রায় গবেষণার মাধ্যমে জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি দায়িত্বশীল ও বিনয়ী গবেষক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে চান তিনি।

নতুন এই যাত্রার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন হৃদয়। তাঁর বিশ্বাস, পরিবারের ত্যাগ, শিক্ষক ও পরামর্শদাতাদের সহযোগিতা এবং কঠিন সময়ে পাশে থাকা মানুষদের আস্থাই তাঁকে এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সবচেয়ে বেশি সহায়তা করেছে।

❤️
👏
🙂
😞

কোটি টাকার স্কলারশিপ পেলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হৃদয় হাওলাদার

প্রকাশঃ ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:০৯

বরিশাল, ১০ সেপ্টেম্বর, (প্রজন্ম কথা) – বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মো. হৃদয় হাওলাদার যুক্তরাজ্যের নিউক্যাসল ইউনিভার্সিটিতে রাজনীতি বিষয়ে পিএইচডির সুযোগ পেয়েছেন। তাঁর জন্য রয়েছে নিউক্যাসল ইউনিভার্সিটি ওভারসিজ রিসার্চ স্কলারশিপ এবং শিক্ষক সহকারী হিসেবে কাজের সুযোগ। পাশাপাশি গবেষণায় আয়ারল্যান্ডের কুইন্স ইউনিভার্সিটি বেলফাস্টের যৌথ তত্ত্বাবধান থাকবে। স্কলারশিপ ও ফেলোশিপের আওতায় তিনি বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ কোটি ৪ লাখ টাকার আর্থিক সুবিধা পাবেন বলে জানানো হয়েছে।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন হৃদয়। বিভাগটি প্রতিষ্ঠার পর পিএইচডির সুযোগ পাওয়া প্রথম শিক্ষার্থী তিনি। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য পাওয়া ওভারসিজ রিসার্চ স্কলারশিপের আওতায় সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য টিউশন ফি ও যুক্তরাজ্যের শিক্ষার্থীদের টিউশন ফির পার্থক্য কভার করা হবে। এর সঙ্গে শিক্ষক সহকারী হিসেবে তাঁর আর্থিক সহায়তার সুযোগও রয়েছে।

পিএইচডিতে তাঁর গবেষণার আগ্রহের মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, অভিবাসন ও শরণার্থী অধ্যয়ন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার শাসন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং পরিবেশ রাজনীতি। এর আগে ভারত-বাংলাদেশের পানি বিরোধের ভূরাজনৈতিক ও আর্থসামাজিক প্রভাব, রোহিঙ্গা সংকট, যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রতিদ্বন্দ্বিতা, জলনিরাপত্তা ও জলবায়ু রাজনীতি এবং দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব নিয়ে গবেষণা করেছেন তিনি।

হৃদয়ের উল্লেখযোগ্য গবেষণার একটি ‘বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সংকট: চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’। গবেষণাটি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান স্প্রিংগারের ‘ডিসকভার গ্লোবাল সোসাইটি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রোহিঙ্গা সংকটের মানবিক, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত প্রভাব এবং বাংলাদেশে সংকটটির কূটনৈতিক ও অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

জলবায়ু ও পানিনিরাপত্তা নিয়েও কাজ করেছেন হৃদয়। তাঁর আরেক গবেষণায় জলনিরাপত্তা, জলবায়ু ঝুঁকি, অভিবাসন এবং যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সম্পৃক্ততার বিষয় বিশ্লেষণ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা নিয়ে করা গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সেমিকন্ডাক্টর ও ফাইভজি প্রযুক্তিকে ঘিরে দুই দেশের প্রতিযোগিতা এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে এর প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে। ভারত-বাংলাদেশের আন্তঃসীমান্ত নদীর পানি বণ্টন ও এর ভূরাজনৈতিক এবং আর্থসামাজিক প্রভাব নিয়েও গবেষণা করেছেন তিনি।

উচ্চশিক্ষার পথচলায় হৃদয় এর আগে ডেনমার্কের অ্যালবর্গ ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও বৈশ্বিক শরণার্থী অধ্যয়ন বিষয়ে স্নাতকোত্তর পড়তে যান। তখন তাঁর পরিকল্পনা ছিল মাস্টার্স শেষ করে উত্তর আমেরিকায় পিএইচডির পথে এগিয়ে যাওয়া। তবে ডেনমার্কে যাওয়ার পর কাজের অনিশ্চয়তা, সিপিআর-সংক্রান্ত জটিলতা ও অন্যান্য বাস্তব পরিস্থিতি তাঁর পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনে।

হৃদয়ের ভাষ্য, অর্থ উপার্জন কখনো তাঁর চূড়ান্ত লক্ষ্য ছিল না। গবেষণা, উচ্চশিক্ষা ও আন্তর্জাতিক একাডেমিক ক্যারিয়ার গড়াই ছিল তাঁর প্রধান লক্ষ্য। এ কারণে ইউরোপে থেকে যাওয়ার সম্ভাবনার চেয়ে দীর্ঘমেয়াদি একাডেমিক লক্ষ্যকে গুরুত্ব দিয়ে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। অ্যালবর্গ ইউনিভার্সিটির নীতিমালা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভর্তি বাতিল করায় টিউশন ফির ৭৫ শতাংশ ফেরত পাওয়ার সুযোগও পান। দেশে ফিরে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সের চূড়ান্ত পরীক্ষা শেষ করেন।

এরপর নিজের একাডেমিক প্রোফাইল শক্তিশালী করতে গবেষণায় মনোযোগ দেন হৃদয়। ডেস্কভিত্তিক গবেষণার পাশাপাশি সুন্দরবনে মাঠপর্যায়ে গবেষণায় অংশ নেন। তথ্য সংগ্রহ, গবেষণাপত্র লেখা ও সংশোধন এবং বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্পে কাজের মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে নিজের গবেষণার ক্ষেত্র তৈরি করেন।

দেশে ফেরার সিদ্ধান্তের পর নানা সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছিল বলে জানান হৃদয়। তাঁর সাময়িক দেশে ফেরাকে অনেকে ব্যর্থতা হিসেবে দেখেছিলেন। এ নিয়ে তাঁর পরিবারকেও বিভিন্ন কথা শুনতে হয়েছে। তবে বাবা-মা, ভাই-বোন, শিক্ষক, পরামর্শদাতা, সহকর্মী ও বন্ধুদের সহযোগিতা তাঁকে গবেষণায় এগিয়ে যেতে সহায়তা করেছে বলে জানান তিনি।

গবেষণার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রকাশনা ও একাডেমিক কাজের সঙ্গেও যুক্ত হয়েছেন হৃদয়। একাধিক গবেষণাপত্র প্রকাশের পাশাপাশি বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্পে কাজ করে নিজের একাডেমিক অভিজ্ঞতা বাড়িয়েছেন। তাঁর সাম্প্রতিক অর্জন সেই ধারাবাহিকতারই পরবর্তী ধাপ।

এখন যুক্তরাজ্যের নিউক্যাসল ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি শুরু করতে যাচ্ছেন হৃদয় হাওলাদার। তাঁর কাছে এই অর্জন ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি দীর্ঘদিনের গবেষণার লক্ষ্য পূরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। নতুন একাডেমিক যাত্রায় গবেষণার মাধ্যমে জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি দায়িত্বশীল ও বিনয়ী গবেষক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে চান তিনি।

নতুন এই যাত্রার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন হৃদয়। তাঁর বিশ্বাস, পরিবারের ত্যাগ, শিক্ষক ও পরামর্শদাতাদের সহযোগিতা এবং কঠিন সময়ে পাশে থাকা মানুষদের আস্থাই তাঁকে এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সবচেয়ে বেশি সহায়তা করেছে।