ঢাকা ০১:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কৃষ্ণ সাগরে রাশিয়াগামী তেলবাহী ট্যাংকারে ড্রোন হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশঃ ০১:০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 55

কৃষ্ণ সাগরে রাশিয়ার উদ্দেশে যাত্রারত একটি তেলবাহী ট্যাংকার ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। তবে এ ঘটনায় জাহাজটির কোনও নাবিক হতাহত হননি এবং পরিবেশ দূষণের ঘটনাও ঘটেনি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সামুদ্রিক নিরাপত্তা বিষয়ক তথ্য বিশ্লেষক সংস্থা লয়েডস লিস্ট ইন্টেলিজেন্স এবং একটি নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

লয়েডস লিস্ট ইন্টেলিজেন্সের নোটিশ অনুযায়ী, পালাউয়ের পতাকাবাহী ‘এলবাস’ নামের ট্যাংকারটি বুধবার ‘মনুষ্যবিহীন সামুদ্রিক যান ও ড্রোন হামলার’ শিকার হয়। হামলায় ট্যাংকারটির ইঞ্জিন কক্ষ লক্ষ্য করা হয়। তবে জাহাজে থাকা ২৫ জন নাবিক সবাই নিরাপদ রয়েছেন এবং কোনও তেল নিঃসরণের ঘটনাও ঘটেনি।

সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্র জানায়, ক্ষয়ক্ষতি পর্যালোচনার পর নিশ্চিত হওয়া গেছে যে ট্যাংকারটি ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। তবে এ হামলার পেছনে কারা জড়িত, সে বিষয়ে এখনও কোনও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

হামলার পর ট্যাংকারটি তুরস্কের উপকূলরক্ষী বাহিনীর কাছে সহায়তা চায়। পরবর্তীতে নিরাপত্তাজনিত কারণে নির্ধারিত রুট পরিবর্তন করে জাহাজটি তুরস্কের উত্তরাঞ্চলীয় বন্দর ইনেবোলুর নোঙরস্থলে নোঙর ফেলে।

মেরিনট্রাফিকের তথ্য অনুযায়ী, সিঙ্গাপুর থেকে রাশিয়ার নভোরোসিস্ক বন্দরের উদ্দেশে যাত্রারত এলবাস ট্যাংকারটি কৃষ্ণ সাগর অতিক্রমের আগেই পথ পরিবর্তন করে এবং ইনেবোলু উপকূল থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থান নেয়।

এর আগে গত বছরের নভেম্বরে কৃষ্ণ সাগরে রাশিয়াগামী একটি ট্যাংকারে ড্রোন হামলার পর জাহাজ বীমার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। ওই হামলার ঘটনায় ইউক্রেনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে, যদিও কিয়েভ তা অস্বীকার করে আসছে। সর্বশেষ ঘটনায় ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থা, তুরস্কের পরিবহন মন্ত্রণালয় কিংবা আঙ্কারায় নিযুক্ত রাশিয়ার দূতাবাসের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, বিশ্ববাজারে শস্য, তেল ও তেলজাত পণ্য পরিবহনের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হলো কৃষ্ণ সাগর। এই সাগরের জলসীমা তুরস্ক, রাশিয়া, ইউক্রেন, বুলগেরিয়া, জর্জিয়া ও রোমানিয়ার মধ্যে বিভক্ত।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”

শেয়ার করুন

কৃষ্ণ সাগরে রাশিয়াগামী তেলবাহী ট্যাংকারে ড্রোন হামলা

প্রকাশঃ ০১:০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

কৃষ্ণ সাগরে রাশিয়ার উদ্দেশে যাত্রারত একটি তেলবাহী ট্যাংকার ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। তবে এ ঘটনায় জাহাজটির কোনও নাবিক হতাহত হননি এবং পরিবেশ দূষণের ঘটনাও ঘটেনি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সামুদ্রিক নিরাপত্তা বিষয়ক তথ্য বিশ্লেষক সংস্থা লয়েডস লিস্ট ইন্টেলিজেন্স এবং একটি নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

লয়েডস লিস্ট ইন্টেলিজেন্সের নোটিশ অনুযায়ী, পালাউয়ের পতাকাবাহী ‘এলবাস’ নামের ট্যাংকারটি বুধবার ‘মনুষ্যবিহীন সামুদ্রিক যান ও ড্রোন হামলার’ শিকার হয়। হামলায় ট্যাংকারটির ইঞ্জিন কক্ষ লক্ষ্য করা হয়। তবে জাহাজে থাকা ২৫ জন নাবিক সবাই নিরাপদ রয়েছেন এবং কোনও তেল নিঃসরণের ঘটনাও ঘটেনি।

সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্র জানায়, ক্ষয়ক্ষতি পর্যালোচনার পর নিশ্চিত হওয়া গেছে যে ট্যাংকারটি ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। তবে এ হামলার পেছনে কারা জড়িত, সে বিষয়ে এখনও কোনও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

হামলার পর ট্যাংকারটি তুরস্কের উপকূলরক্ষী বাহিনীর কাছে সহায়তা চায়। পরবর্তীতে নিরাপত্তাজনিত কারণে নির্ধারিত রুট পরিবর্তন করে জাহাজটি তুরস্কের উত্তরাঞ্চলীয় বন্দর ইনেবোলুর নোঙরস্থলে নোঙর ফেলে।

মেরিনট্রাফিকের তথ্য অনুযায়ী, সিঙ্গাপুর থেকে রাশিয়ার নভোরোসিস্ক বন্দরের উদ্দেশে যাত্রারত এলবাস ট্যাংকারটি কৃষ্ণ সাগর অতিক্রমের আগেই পথ পরিবর্তন করে এবং ইনেবোলু উপকূল থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থান নেয়।

এর আগে গত বছরের নভেম্বরে কৃষ্ণ সাগরে রাশিয়াগামী একটি ট্যাংকারে ড্রোন হামলার পর জাহাজ বীমার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। ওই হামলার ঘটনায় ইউক্রেনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে, যদিও কিয়েভ তা অস্বীকার করে আসছে। সর্বশেষ ঘটনায় ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থা, তুরস্কের পরিবহন মন্ত্রণালয় কিংবা আঙ্কারায় নিযুক্ত রাশিয়ার দূতাবাসের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, বিশ্ববাজারে শস্য, তেল ও তেলজাত পণ্য পরিবহনের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হলো কৃষ্ণ সাগর। এই সাগরের জলসীমা তুরস্ক, রাশিয়া, ইউক্রেন, বুলগেরিয়া, জর্জিয়া ও রোমানিয়ার মধ্যে বিভক্ত।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”