বিদেশ ভ্রমণের আগে পাসপোর্টের মেয়াদ কতদিন থাকা উচিত? ছয় মাসের নিয়ম কি সব দেশের জন্য
- প্রকাশঃ ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩০
- / 9
ঢাকা, ১৬ আগস্ট, (প্রজন্ম কথা) – বিদেশ ভ্রমণের পরিকল্পনা করার আগে পাসপোর্টের মেয়াদ যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ। অনেক দেশে ভ্রমণকারীর পাসপোর্টে নির্দিষ্ট সময়ের বৈধতা না থাকলে ভিসা আবেদন বা দেশে প্রবেশের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। সাধারণভাবে পাসপোর্টে অন্তত ছয় মাসের মেয়াদ থাকা নিরাপদ হলেও সব দেশের নিয়ম এক নয়।
কিছু দেশে প্রবেশের সময় পাসপোর্টে ছয় মাস বা তার বেশি মেয়াদ চাওয়া হয়। আবার কোনো কোনো দেশে তিন মাসের বৈধতা যথেষ্ট হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে পাসপোর্টের মেয়াদ ভ্রমণ বা নির্ধারিত অবস্থানের সময়ের ওপরও নির্ভর করে।
এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন জনপ্রিয় গন্তব্যে সাধারণত পাসপোর্টের ছয় মাস বা তার বেশি বৈধতা চাওয়া হয়। ভারত, ভুটান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানের মতো দেশে ভিসার ধরন ও প্রবেশের শর্ত অনুযায়ী নিয়ম ভিন্ন হতে পারে।
সৌদি আরবের বিভিন্ন ভিসা ব্যবস্থাতেও পাসপোর্টের বৈধতার শর্ত রয়েছে। বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য ভিসার ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট শর্ত আগে যাচাই করা প্রয়োজন।
শেনজেন ভ্রমণে পাসপোর্টের মেয়াদ
ইউরোপের শেনজেন অঞ্চলে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে পরিকল্পিতভাবে শেনজেন এলাকা ছাড়ার তারিখের পর পাসপোর্টের অন্তত তিন মাস বৈধতা থাকতে হয়। পাশাপাশি পাসপোর্টটি সাধারণত গত ১০ বছরের মধ্যে ইস্যু করা হতে হয়।
ভ্রমণের আগে কী করবেন?
পাসপোর্টের মেয়াদ ছয় মাসের কম থাকলে ভিসা আবেদন বা বিমান টিকিট কেনার আগে নবায়নের বিষয়টি বিবেচনা করা নিরাপদ। এতে ভিসা আবেদন, বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন এবং গন্তব্য দেশে প্রবেশের সময় সম্ভাব্য জটিলতা এড়ানো সহজ হতে পারে।
তবে ছয় মাসের মেয়াদকে সব দেশের জন্য বাধ্যতামূলক নিয়ম হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক নয়। ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস, ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ বা সরকারি ভিসা পোর্টালের সর্বশেষ নির্দেশনা যাচাই করা উচিত।
বিদেশ যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে পাসপোর্টে অন্তত ছয় মাসের মেয়াদ রাখা সাধারণভাবে নিরাপদ। মেয়াদ এর চেয়ে কম থাকলে ভ্রমণের আগে নবায়নের প্রয়োজনীয়তা যাচাই করে নেওয়া ভালো।




























