ঢাকা ১০:১৫ , Fri, ১১ Sep ২০২৬

বাংলা মাধ্যম থেকে ব্রিটিশ কারিকুলাম: যুক্তরাজ্যে ১ কোটি ২৬ লাখ টাকার স্কলারশিপ পেলেন তাজরিয়ান

এ্যানী রহমান যুক্তরাজ্য
  • প্রকাশঃ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:৫০
  • / 8
ইউনিভার্সিটি অব লেস্টারে প্রায় ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা মূল্যের স্কলারশিপ পাওয়া সিলেটের শিক্ষার্থী মো. তাজরিয়ান রশিদ ছবি: প্রজন্ম কথা

যুক্তরাজ্য, ১১ সেপ্টেম্বর (প্রজন্ম কথা) – বাংলা মাধ্যমের শিক্ষাজীবন থেকে ব্রিটিশ কারিকুলামে রূপান্তর, এরপর যুক্তরাজ্যের দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ধারাবাহিকভাবে মেধাভিত্তিক স্কলারশিপ অর্জন। সিলেটের শিক্ষার্থী মো. তাজরিয়ান রশিদের শিক্ষাজীবনে এবার যুক্ত হয়েছে আরও বড় সাফল্য। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব লেস্টারে বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিষয়ে তিন বছর মেয়াদি স্নাতক পড়াশোনার জন্য প্রায় ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা মূল্যের পূর্ণ টিউশন ফি স্কলারশিপ পেয়েছেন তিনি।

২০২৬ সালে শুরু হতে যাওয়া এই পড়াশোনার জন্য তাজরিয়ান মেধাভিত্তিক এ স্কলারশিপ অর্জন করেন। এর আওতায় তাঁর তিন বছরের সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ হবে। স্কলারশিপটির মূল্য ৭৫ হাজার ৩০০ পাউন্ড, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা।

বিশ্বের নির্বাচিত মাত্র ৩০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে জায়গা করে নিয়ে এ স্কলারশিপ অর্জন করেছেন তাজরিয়ান। ইউনিভার্সিটি অব লেস্টারের ২০২৬ সালের বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিষয়ে তিন বছরের স্নাতক কোর্সের তথ্যও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশিত রয়েছে।

এর আগে ২০২৫ সালে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব প্লাইমাউথে রোবোটিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক পড়ার জন্য ৫০ শতাংশ মেধাভিত্তিক স্কলারশিপ পেয়েছিলেন তাজরিয়ান। তিন বছরে ওই স্কলারশিপের মূল্য ছিল ২৮ হাজার ৮০০ পাউন্ড।

তাজরিয়ানের একাডেমিক সাফল্যের শুরু আরও আগে। ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষায় তিনি জিপিএ ৪ দশমিক ৬১ অর্জন করেন। এরপর বাংলা মাধ্যম থেকে ব্রিটিশ কারিকুলামে রূপান্তর হয়ে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে আইএএল পড়াশোনা শুরু করেন।

গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও ফারদার ম্যাথমেটিকসে তাঁর ফলাফল যথাক্রমে এ স্টার, এ এবং এ স্টার। এসব ফলাফলের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি পেয়েছেন পিয়ারসন এডেক্সেল হাই অ্যাচিভার অ্যাওয়ার্ড।

পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পড়ানো ও মেন্টরিংয়ের সঙ্গেও যুক্ত তাজরিয়ান। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই গড়ে তোলেন ‘এ-লেভেল ক্র্যাশ কোর্সেস’। অনলাইনভিত্তিক এ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের আইজিসিএসই ও এ-লেভেলের শিক্ষার্থীদের গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও ফারদার ম্যাথমেটিকসে শিক্ষা এবং একাডেমিক দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

তাজরিয়ানের বাবা ইঞ্জিনিয়ার মো. হাসানুর রশীদ এবং মা রওশন রশীদ। পরিবারের তৃতীয় পুত্র তাজরিয়ানের এ অর্জনে আনন্দিত তাঁর পরিবার, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

বাংলা মাধ্যম থেকে ব্রিটিশ কারিকুলামে পর ধারাবাহিক একাডেমিক সাফল্য, শিক্ষার্থীদের মেন্টরিং এবং যুক্তরাজ্যের দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলারশিপ অর্জনের মধ্য দিয়ে তাজরিয়ানের শিক্ষাজীবনের পথচলায় নতুন একটি অধ্যায় যুক্ত হলো।

❤️
👏
🙂
😞

বাংলা মাধ্যম থেকে ব্রিটিশ কারিকুলাম: যুক্তরাজ্যে ১ কোটি ২৬ লাখ টাকার স্কলারশিপ পেলেন তাজরিয়ান

প্রকাশঃ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:৫০

যুক্তরাজ্য, ১১ সেপ্টেম্বর (প্রজন্ম কথা) – বাংলা মাধ্যমের শিক্ষাজীবন থেকে ব্রিটিশ কারিকুলামে রূপান্তর, এরপর যুক্তরাজ্যের দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ধারাবাহিকভাবে মেধাভিত্তিক স্কলারশিপ অর্জন। সিলেটের শিক্ষার্থী মো. তাজরিয়ান রশিদের শিক্ষাজীবনে এবার যুক্ত হয়েছে আরও বড় সাফল্য। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব লেস্টারে বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিষয়ে তিন বছর মেয়াদি স্নাতক পড়াশোনার জন্য প্রায় ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা মূল্যের পূর্ণ টিউশন ফি স্কলারশিপ পেয়েছেন তিনি।

২০২৬ সালে শুরু হতে যাওয়া এই পড়াশোনার জন্য তাজরিয়ান মেধাভিত্তিক এ স্কলারশিপ অর্জন করেন। এর আওতায় তাঁর তিন বছরের সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ হবে। স্কলারশিপটির মূল্য ৭৫ হাজার ৩০০ পাউন্ড, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা।

বিশ্বের নির্বাচিত মাত্র ৩০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে জায়গা করে নিয়ে এ স্কলারশিপ অর্জন করেছেন তাজরিয়ান। ইউনিভার্সিটি অব লেস্টারের ২০২৬ সালের বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিষয়ে তিন বছরের স্নাতক কোর্সের তথ্যও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশিত রয়েছে।

এর আগে ২০২৫ সালে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব প্লাইমাউথে রোবোটিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক পড়ার জন্য ৫০ শতাংশ মেধাভিত্তিক স্কলারশিপ পেয়েছিলেন তাজরিয়ান। তিন বছরে ওই স্কলারশিপের মূল্য ছিল ২৮ হাজার ৮০০ পাউন্ড।

তাজরিয়ানের একাডেমিক সাফল্যের শুরু আরও আগে। ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষায় তিনি জিপিএ ৪ দশমিক ৬১ অর্জন করেন। এরপর বাংলা মাধ্যম থেকে ব্রিটিশ কারিকুলামে রূপান্তর হয়ে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে আইএএল পড়াশোনা শুরু করেন।

গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও ফারদার ম্যাথমেটিকসে তাঁর ফলাফল যথাক্রমে এ স্টার, এ এবং এ স্টার। এসব ফলাফলের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি পেয়েছেন পিয়ারসন এডেক্সেল হাই অ্যাচিভার অ্যাওয়ার্ড।

পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পড়ানো ও মেন্টরিংয়ের সঙ্গেও যুক্ত তাজরিয়ান। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই গড়ে তোলেন ‘এ-লেভেল ক্র্যাশ কোর্সেস’। অনলাইনভিত্তিক এ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের আইজিসিএসই ও এ-লেভেলের শিক্ষার্থীদের গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও ফারদার ম্যাথমেটিকসে শিক্ষা এবং একাডেমিক দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

তাজরিয়ানের বাবা ইঞ্জিনিয়ার মো. হাসানুর রশীদ এবং মা রওশন রশীদ। পরিবারের তৃতীয় পুত্র তাজরিয়ানের এ অর্জনে আনন্দিত তাঁর পরিবার, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

বাংলা মাধ্যম থেকে ব্রিটিশ কারিকুলামে পর ধারাবাহিক একাডেমিক সাফল্য, শিক্ষার্থীদের মেন্টরিং এবং যুক্তরাজ্যের দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলারশিপ অর্জনের মধ্য দিয়ে তাজরিয়ানের শিক্ষাজীবনের পথচলায় নতুন একটি অধ্যায় যুক্ত হলো।