দুর্নীতিতে বাংলাদেশ ১৩তম: স্কোর বাড়লেও র্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ অবনতি
- প্রকাশঃ ০১:০০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 37
দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই) ২০২৫’ প্রকাশ করেছে টিআইবি। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান সূচকের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরছেন। ছবি: সংগৃহীত
২০২৫ সালে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান দাঁড়িয়েছে ১৩তম। ১৮২টি দেশের মধ্যে ১০০-এর স্কেলে বাংলাদেশের স্কোর ২৪, যা বৈশ্বিক গড় স্কোরের (৪২) চেয়ে অনেক নিচে।
গত বছরের তুলনায় বাংলাদেশের স্কোর ১ পয়েন্ট বেড়েছে, কিন্তু সামগ্রিক র্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ পিছিয়েছে। ২০২৪ সালে এই র্যাঙ্ক ছিল ১৪তম।
মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) তাদের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ‘দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই) ২০২৫’ প্রকাশ করে। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান সূচকের তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি বলেন,
বাংলাদেশের ১ পয়েন্ট বৃদ্ধি হয়েছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিবাচক মূল্যায়নের কারণে। তবে সংস্কারপ্রক্রিয়ার দুর্বলতা এবং মাঠপর্যায়ে চলমান দুর্নীতির কারণে সামগ্রিকভাবে র্যাঙ্কিংয়ে আমরা এক ধাপ পিছিয়েছি। অন্তর্বর্তী সরকার স্বচ্ছতার দৃষ্টান্ত তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা একটি বড় সুযোগ হারালাম।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের ২০২৫ সালের দুর্নীতির ধারণা সূচকে ডেনমার্ক শীর্ষে (৮৯ স্কোর), ফিনল্যান্ড (৮৮ স্কোর) এবং সিঙ্গাপুর (৮৪ স্কোর) যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে আছে। অন্যদিকে, সর্বনিম্ন স্কোর ৯ নিয়ে যৌথভাবে শীর্ষে আছে দক্ষিণ সুদান ও সোমালিয়া। ১০ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ভেনেজুয়েলা, আর ১৩ স্কোর নিয়ে যৌথভাবে তৃতীয় অবস্থানে আছে ইয়েমেন, লিবিয়া ও ইরিত্রিয়া।
দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের মধ্যে ভুটানের স্কোর ৭১, ভারত ও মালদ্বীপের ৩৯, শ্রীলঙ্কার ৩৫, নেপালের ৩৪, পাকিস্তানের ২৮ এবং আফগানিস্তানের ১৬।
সিপিআই সূচক অনুযায়ী, ০ থেকে ১০০-এর স্কেলে নির্ধারণ করা হয়। ০ স্কোরের মানে হলো দুর্নীতির ব্যাপকতা সর্বোচ্চ, এবং ১০০ স্কোরের অর্থ দুর্নীতির ব্যাপকতা সর্বনিম্ন।





























