ঢাকা ০৮:৪৯ , Wed, ০৫ Aug ২০২৬
ইউরোপ
জার্মানি

২০৫০ সালে ইউরোপে মুসলিম জনসংখ্যায় শীর্ষে থাকবে জার্মানি, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স

নূজহাত নাছিম
  • প্রকাশঃ ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১৫:০৫
  • / 7
ইউরোপের বিভিন্ন দেশে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রক্ষেপণ ২০৫০ সালের জনমিতিক পরিবর্তনের সম্ভাব্য চিত্র তুলে ধরছে ছবি: রয়াটার্স

২০৫০ সালকে সামনে রেখে ইউরোপের মুসলিম জনসংখ্যার সম্ভাব্য চিত্রে বড় ধরনের জনমিতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। সম্ভাব্য হিসাব অনুযায়ী, মুসলিম জনসংখ্যার দিক থেকে ইউরোপে শীর্ষে থাকবে জার্মানি, এরপর যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। অভিবাসন, জন্মহার এবং সামাজিক একীভূত হওয়ার প্রবণতা এই পরিবর্তনের প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, জার্মানিতে ২০৫০ সালে মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৭৪ লাখ ৯০ হাজারে পৌঁছাতে পারে, যা দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৯ দশমিক ৭ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা যুক্তরাজ্যে মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে, যা মোট জনসংখ্যার ১৭ দশমিক ২ শতাংশ। একই সময়ে ফ্রান্সে মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৩২ লাখ ১০ হাজার হতে পারে, যা দেশটির জনসংখ্যার প্রায় ১৮ শতাংশ।

এই তিনটি দেশ ইউরোপের বৃহৎ অর্থনীতি ও গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই অভিবাসীদের প্রধান গন্তব্য হিসেবে পরিচিত। ফলে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এগুলো শীর্ষ অবস্থানে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শীর্ষ তিন দেশের বাইরে ইতালি ও সুইডেনেও মুসলিম জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। ইতালিতে মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ৮২ লাখ ৫০ হাজারে পৌঁছাতে পারে, যা মোট জনসংখ্যার ১৪ দশমিক ১ শতাংশ। অন্যদিকে তুলনামূলক ছোট জনসংখ্যার দেশ সুইডেনে মুসলিমদের অনুপাত প্রায় ৩০ দশমিক ৬ শতাংশে পৌঁছাতে পারে, যা ইউরোপের সর্বোচ্চ হারগুলোর একটি।

এ ছাড়া স্পেন, নেদারল্যান্ডস ও বেলজিয়ামেও মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রবণতা অব্যাহত থাকবে বলে প্রক্ষেপণে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি পশ্চিম ও উত্তর ইউরোপে ক্রমবর্ধমান বহুসাংস্কৃতিক সমাজের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শীর্ষ দশের তালিকায় রয়েছে অস্ট্রিয়া ও সুইজারল্যান্ডও। প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, অস্ট্রিয়ায় মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ২১ লাখ ২০ হাজার এবং সুইজারল্যান্ডে প্রায় ১৫ লাখ ২০ হাজারে পৌঁছাতে পারে। সংখ্যার দিক থেকে তুলনামূলক কম হলেও, দেশ দুটিতে মুসলিমদের জনসংখ্যার অনুপাত উল্লেখযোগ্য থাকবে।

সামগ্রিকভাবে এই প্রক্ষেপণ ইঙ্গিত দিচ্ছে, আগামী কয়েক দশকে অভিবাসন, জন্মহার এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তির ধারাবাহিকতায় ইউরোপের জনমিতিক ও সাংস্কৃতিক চিত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটতে পারে।

❤️
👏
🙂
😞

২০৫০ সালে ইউরোপে মুসলিম জনসংখ্যায় শীর্ষে থাকবে জার্মানি, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স

প্রকাশঃ ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১৫:০৫

২০৫০ সালকে সামনে রেখে ইউরোপের মুসলিম জনসংখ্যার সম্ভাব্য চিত্রে বড় ধরনের জনমিতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। সম্ভাব্য হিসাব অনুযায়ী, মুসলিম জনসংখ্যার দিক থেকে ইউরোপে শীর্ষে থাকবে জার্মানি, এরপর যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। অভিবাসন, জন্মহার এবং সামাজিক একীভূত হওয়ার প্রবণতা এই পরিবর্তনের প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, জার্মানিতে ২০৫০ সালে মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৭৪ লাখ ৯০ হাজারে পৌঁছাতে পারে, যা দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৯ দশমিক ৭ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা যুক্তরাজ্যে মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে, যা মোট জনসংখ্যার ১৭ দশমিক ২ শতাংশ। একই সময়ে ফ্রান্সে মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৩২ লাখ ১০ হাজার হতে পারে, যা দেশটির জনসংখ্যার প্রায় ১৮ শতাংশ।

এই তিনটি দেশ ইউরোপের বৃহৎ অর্থনীতি ও গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই অভিবাসীদের প্রধান গন্তব্য হিসেবে পরিচিত। ফলে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এগুলো শীর্ষ অবস্থানে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শীর্ষ তিন দেশের বাইরে ইতালি ও সুইডেনেও মুসলিম জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। ইতালিতে মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ৮২ লাখ ৫০ হাজারে পৌঁছাতে পারে, যা মোট জনসংখ্যার ১৪ দশমিক ১ শতাংশ। অন্যদিকে তুলনামূলক ছোট জনসংখ্যার দেশ সুইডেনে মুসলিমদের অনুপাত প্রায় ৩০ দশমিক ৬ শতাংশে পৌঁছাতে পারে, যা ইউরোপের সর্বোচ্চ হারগুলোর একটি।

এ ছাড়া স্পেন, নেদারল্যান্ডস ও বেলজিয়ামেও মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রবণতা অব্যাহত থাকবে বলে প্রক্ষেপণে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি পশ্চিম ও উত্তর ইউরোপে ক্রমবর্ধমান বহুসাংস্কৃতিক সমাজের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শীর্ষ দশের তালিকায় রয়েছে অস্ট্রিয়া ও সুইজারল্যান্ডও। প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, অস্ট্রিয়ায় মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ২১ লাখ ২০ হাজার এবং সুইজারল্যান্ডে প্রায় ১৫ লাখ ২০ হাজারে পৌঁছাতে পারে। সংখ্যার দিক থেকে তুলনামূলক কম হলেও, দেশ দুটিতে মুসলিমদের জনসংখ্যার অনুপাত উল্লেখযোগ্য থাকবে।

সামগ্রিকভাবে এই প্রক্ষেপণ ইঙ্গিত দিচ্ছে, আগামী কয়েক দশকে অভিবাসন, জন্মহার এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তির ধারাবাহিকতায় ইউরোপের জনমিতিক ও সাংস্কৃতিক চিত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটতে পারে।