ঢাকা ০৯:০৭ , Thu, ২০ Aug ২০২৬
বিশ্বসমাচার
নিউইয়র্ক

নিউইয়র্কে রেস্টুরেন্ট ব্যবসায় হিল্লোল-নওশীন, লং আইল্যান্ডে খুললেন নতুন রেস্টুরেন্ট

প্রজন্ম কথা ডেস্ক
  • প্রকাশঃ ২০ অগাস্ট ২০২৬, ১৯:২৬
  • / 5
নিউইয়র্কে রেস্টুরেন্ট খুললেন তারকা দম্পতি হিল্লোল-নওশীন ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্ক, ৩০ মে (প্রজন্ম কথা) – যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগ শুরু করেছেন বাংলাদেশের অভিনয়জগতের তারকা দম্পতি আদনান ফারুক হিল্লোল ও নওশীন নাহরিন মৌ। লং আইল্যান্ডে ‘এন ক্যাফে ৩৬৫ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বার’ নামে একটি রেস্টুরেন্ট চালু করেছেন তারা। গত ৩০ মে শুক্রবার লং আইল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে রেস্টুরেন্টটির যাত্রা শুরু হয়।

নতুন উদ্যোগের বিষয়ে হিল্লোল জানান, শুরুতে ক্যাফে করার পরিকল্পনা থাকলেও পরে সেটি পূর্ণাঙ্গ রেস্টুরেন্ট ও বারে রূপ নেয়। নিউইয়র্কে তাদের প্রথম রেস্টুরেন্ট চালু হওয়াকে তিনি ব্যবসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সূচনা হিসেবে দেখছেন।

হিল্লোল বলেন, রেস্টুরেন্টে হালাল মাংস ব্যবহার করা হচ্ছে। বিভিন্ন খাবারের রেসিপি নিজেরা তৈরি করেছেন। ফ্রেঞ্চ ফ্রাইজের জন্য আলু কাটা থেকে শুরু করে ল্যাম্ব শ্যাঙ্ক রান্না পর্যন্ত বেশ কিছু খাবার রেস্টুরেন্টেই প্রস্তুত করা হয়। প্রায় এক বছর প্রস্তুতি ও নানা চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে তারা রেস্টুরেন্টটি চালু করেছেন বলেও জানান তিনি।

খাবারের সঙ্গে হিল্লোলের সম্পৃক্ততা অবশ্য নতুন নয়। অভিনয়ের পাশাপাশি কয়েক বছর ধরে খাবারবিষয়ক কনটেন্ট তৈরি করছেন তিনি। ‘ডাইন আউট উইথ আদনান’ নামে ইউটিউব অনুষ্ঠানেও দেশের বিভিন্ন স্থানের খাবার, রান্না ও পরিবেশনের নানা দিক তুলে ধরেছেন। অনুষ্ঠানটি দর্শকদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পায়।

তবে খাবার নিয়ে কাজ করলেও শুরুতে রেস্টুরেন্ট ব্যবসায় আসার পরিকল্পনা ছিল না বলে জানিয়েছেন হিল্লোল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে স্ত্রী নওশীনের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে হিল্লোল জানান, ২০১৭ সালের মার্চে তার খাবারকেন্দ্রিক কাজের যাত্রা শুরু হয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে রেস্টুরেন্ট খোলার প্রস্তাব পেলেও ব্যবসাটির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ তার ছিল না। পরে নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডে তাদের বাসার কাছাকাছি একটি রেস্টুরেন্ট স্পেস পাওয়ার পর নওশীন রেস্টুরেন্ট খোলার বিষয়ে উদ্যোগী হন।

নতুন রেস্টুরেন্টে বিভিন্ন দেশের খাবারের পাশাপাশি বাংলাদেশের জনপ্রিয় কাচ্চিও রাখা হয়েছে। হিল্লোলের আশা, নিউইয়র্কের স্থানীয় গ্রাহকদের কাছেও বাংলাদেশের এই খাবারটি পরিচিত ও জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।

❤️
👏
🙂
😞

নিউইয়র্কে রেস্টুরেন্ট ব্যবসায় হিল্লোল-নওশীন, লং আইল্যান্ডে খুললেন নতুন রেস্টুরেন্ট

প্রকাশঃ ২০ অগাস্ট ২০২৬, ১৯:২৬

নিউইয়র্ক, ৩০ মে (প্রজন্ম কথা) – যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগ শুরু করেছেন বাংলাদেশের অভিনয়জগতের তারকা দম্পতি আদনান ফারুক হিল্লোল ও নওশীন নাহরিন মৌ। লং আইল্যান্ডে ‘এন ক্যাফে ৩৬৫ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বার’ নামে একটি রেস্টুরেন্ট চালু করেছেন তারা। গত ৩০ মে শুক্রবার লং আইল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে রেস্টুরেন্টটির যাত্রা শুরু হয়।

নতুন উদ্যোগের বিষয়ে হিল্লোল জানান, শুরুতে ক্যাফে করার পরিকল্পনা থাকলেও পরে সেটি পূর্ণাঙ্গ রেস্টুরেন্ট ও বারে রূপ নেয়। নিউইয়র্কে তাদের প্রথম রেস্টুরেন্ট চালু হওয়াকে তিনি ব্যবসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সূচনা হিসেবে দেখছেন।

হিল্লোল বলেন, রেস্টুরেন্টে হালাল মাংস ব্যবহার করা হচ্ছে। বিভিন্ন খাবারের রেসিপি নিজেরা তৈরি করেছেন। ফ্রেঞ্চ ফ্রাইজের জন্য আলু কাটা থেকে শুরু করে ল্যাম্ব শ্যাঙ্ক রান্না পর্যন্ত বেশ কিছু খাবার রেস্টুরেন্টেই প্রস্তুত করা হয়। প্রায় এক বছর প্রস্তুতি ও নানা চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে তারা রেস্টুরেন্টটি চালু করেছেন বলেও জানান তিনি।

খাবারের সঙ্গে হিল্লোলের সম্পৃক্ততা অবশ্য নতুন নয়। অভিনয়ের পাশাপাশি কয়েক বছর ধরে খাবারবিষয়ক কনটেন্ট তৈরি করছেন তিনি। ‘ডাইন আউট উইথ আদনান’ নামে ইউটিউব অনুষ্ঠানেও দেশের বিভিন্ন স্থানের খাবার, রান্না ও পরিবেশনের নানা দিক তুলে ধরেছেন। অনুষ্ঠানটি দর্শকদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পায়।

তবে খাবার নিয়ে কাজ করলেও শুরুতে রেস্টুরেন্ট ব্যবসায় আসার পরিকল্পনা ছিল না বলে জানিয়েছেন হিল্লোল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে স্ত্রী নওশীনের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে হিল্লোল জানান, ২০১৭ সালের মার্চে তার খাবারকেন্দ্রিক কাজের যাত্রা শুরু হয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে রেস্টুরেন্ট খোলার প্রস্তাব পেলেও ব্যবসাটির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ তার ছিল না। পরে নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডে তাদের বাসার কাছাকাছি একটি রেস্টুরেন্ট স্পেস পাওয়ার পর নওশীন রেস্টুরেন্ট খোলার বিষয়ে উদ্যোগী হন।

নতুন রেস্টুরেন্টে বিভিন্ন দেশের খাবারের পাশাপাশি বাংলাদেশের জনপ্রিয় কাচ্চিও রাখা হয়েছে। হিল্লোলের আশা, নিউইয়র্কের স্থানীয় গ্রাহকদের কাছেও বাংলাদেশের এই খাবারটি পরিচিত ও জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।