ঢাকা ০৪:৩২ , Thu, ২২ Oct ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র
নিউইয়র্ক

মেডিকেইড জালিয়াতির তদন্তে নিউইয়র্কের একাধিক ডে কেয়ার সেন্টারে অভিযান

প্রজন্ম কথা ডেস্ক
  • প্রকাশঃ ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬:০৬
  • / 7
মেডিকেইড কর্মসূচির অর্থ নিয়ে সম্ভাব্য জালিয়াতির তদন্তে নিউইয়র্ক সিটির কুইন্স, ব্রুকলিন ও স্ট্যাটেন আইল্যান্ডের একাধিক অ্যাডাল্ট ডে কেয়ার সেন্টার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে যৌথ অভিযান চালিয়েছে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্ক, ২১ অক্টোবর, (প্রজন্ম কথা): যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে মেডিকেইড কর্মসূচির অর্থ নিয়ে সম্ভাব্য জালিয়াতির তদন্তে একযোগে একাধিক অ্যাডাল্ট ডে কেয়ার সেন্টার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়েছে ফেডারেল, অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) কুইন্স, ব্রুকলিন ও স্ট্যাটেন আইল্যান্ডের বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালানো হয়। অর্থ পাচার, অবৈধ কমিশন লেনদেন এবং সেবা প্রদানের বিপরীতে অনিয়মিত বিল জমা দেওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে কয়েক মাস ধরে চলা তদন্তের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

এবিসি৭ নিউইয়র্ক, সিবিএস নিউইয়র্ক ও এএমনিউইয়র্কের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকালে ব্রুকলিনের বরো পার্ক এলাকার ফোর্ট হ্যামিল্টন পার্কওয়েতে অবস্থিত হ্যাপি অ্যাডাল্ট ডে কেয়ার সেন্টারে তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। অষ্টম অ্যাভিনিউয়ের কাছাকাছি আরেকটি প্রতিষ্ঠানেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের অভিযান চালাতে দেখা যায়।

একই দিনে কুইন্সের ফ্লাশিং এলাকায় ৩২-৩৮, ১৪৮তম স্ট্রিটে অবস্থিত হানমাউম ডে কেয়ার সেন্টারেও অভিযান চালানো হয়। প্রতিষ্ঠানটি কোরীয় ও অন্যান্য এশীয় বংশোদ্ভূত প্রবীণদের সামাজিক পরিচর্যা সেবা দিয়ে থাকে।

এএমনিউইয়র্কের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে ফেডারেল কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানটি থেকে প্রায় ছয় বাক্স নথিপত্র, দুটি কম্পিউটার এবং একটি বড় প্লাস্টিকের কনটেইনার নিয়ে যান। এসব সামগ্রী চিহ্নবিহীন গাড়িতে তোলা হয়। তবে ঘটনাস্থলে কর্মকর্তারা অভিযানের বিস্তারিত বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে কোনো মন্তব্য করেননি।

কুইন্স ও ব্রুকলিনের পাশাপাশি স্ট্যাটেন আইল্যান্ডের একাধিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও তল্লাশি পরোয়ানা কার্যকর করা হয়। এবিসি৭ নিউইয়র্কের প্রাথমিক প্রতিবেদনে স্ট্যাটেন আইল্যান্ডে অন্তত দুজনকে গ্রেপ্তারের কথা বলা হয়েছে। তবে তাঁদের পরিচয় ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

একাধিক সংস্থার যৌথ অভিযান

অভিযানে অংশ নেয় ফেডারেল তদন্ত সংস্থা এফবিআই, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইনভেস্টিগেশনস, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব পরিষেবা, নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের মেডিকেইড ইন্সপেক্টর জেনারেলের কার্যালয় এবং নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা। অঙ্গরাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগও তদন্তে সহযোগিতা করছে।

এফবিআইয়ের নিউইয়র্ক কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানায়, চলমান ফেডারেল তদন্তের অংশ হিসেবে ব্রুকলিন, কুইন্স, স্ট্যাটেন আইল্যান্ড এবং নিউইয়র্ক সিটির অন্যান্য এলাকায় বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে।

মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুল বলেন, সামাজিক পরিচর্যাভিত্তিক অ্যাডাল্ট ডে কেয়ার কর্মসূচিতে সন্দেহজনক জালিয়াতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সমন্বিত অভিযান শুরু হয়েছে। কয়েক মাস ধরে ফেডারেল সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে তদন্ত চালানো হচ্ছে। তদন্ত চলমান থাকায় সব তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি।

হোকুলের ভাষ্য অনুযায়ী, তদন্তকারীরা এমন কিছু সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানকে খতিয়ে দেখছেন, যাদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার, অবৈধ কমিশন দেওয়া-নেওয়া, অনিয়মিত বিল জমা এবং অন্যান্য প্রতারণামূলক কার্যক্রমে জড়িত থাকার সন্দেহ রয়েছে।

সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির অর্থ নিয়ে প্রশ্ন

সোশ্যাল অ্যাডাল্ট ডে কেয়ার কর্মসূচিতে সাধারণত প্রবীণ ও বিশেষ সহায়তা প্রয়োজন এমন ব্যক্তিদের দিনের নির্দিষ্ট সময়ে সামাজিক কার্যক্রম, তত্ত্বাবধান এবং অন্যান্য সহায়ক সেবা দেওয়া হয়। নির্ধারিত যোগ্যতা ও শর্ত পূরণ হলে এসব সেবার খরচ মেডিকেইড কর্মসূচির মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়।

তদন্তকারীদের সন্দেহ, কিছু প্রতিষ্ঠান সেবা দেওয়ার তথ্য ও বিল জমার ক্ষেত্রে অনিয়ম করে সরকারি অর্থ আদায়ের চেষ্টা করে থাকতে পারে। তবে কোন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কত অর্থের জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।

গভর্নর হোকুল জানান, তাঁর প্রশাসন মেডিকেইড কর্মসূচিতে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগসংক্রান্ত ১০০টির বেশি বিষয় তদন্ত এবং সম্ভাব্য আইনগত ব্যবস্থার জন্য অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে পাঠিয়েছে। ২০২১ সাল থেকে নজরদারি জোরদারসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে মেডিকেইড কর্মসূচিতে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের বেশি সাশ্রয় হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

এদিকে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, মঙ্গলবারের অভিযানে তাঁদের সদস্যরা অংশ নিয়েছেন। তবে এটি কোনো অভিবাসনবিষয়ক অভিযান নয়। মেডিকেইড কর্মসূচির অর্থ নিয়ে সম্ভাব্য জালিয়াতির তদন্তের অংশ হিসেবেই প্রতিষ্ঠানগুলোতে তল্লাশি চালানো হয়েছে।

হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইনভেস্টিগেশনসের নিউইয়র্ক কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানায়, স্বাস্থ্যসেবা জালিয়াতির ফলে সরকারি অর্থের অপচয় হয়, গুরুত্বপূর্ণ সেবার ওপর মানুষের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীরা ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন। সরকারি অর্থ সুরক্ষা ও জালিয়াতি প্রতিরোধে তদন্ত অব্যাহত থাকবে বলেও জানায় সংস্থাটি।

তবে তল্লাশি চালানো প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ এখনো তদন্তাধীন। কোনো প্রতিষ্ঠানে অভিযান বা তল্লাশি চালানো হয়েছে বলেই সেখানে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অপরাধী বলে প্রমাণিত হয়েছেন, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। অভিযানে জব্দ করা সামগ্রীর পূর্ণাঙ্গ বিবরণ, সম্ভাব্য জালিয়াতির মোট অর্থের পরিমাণ এবং সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজনদের পরিচয় সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি।

সূত্র: এবিসি৭ নিউইয়র্ক, সিবিএস নিউইয়র্ক

❤️
👏
🙂
😞

মেডিকেইড জালিয়াতির তদন্তে নিউইয়র্কের একাধিক ডে কেয়ার সেন্টারে অভিযান

প্রকাশঃ ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬:০৬

নিউইয়র্ক, ২১ অক্টোবর, (প্রজন্ম কথা): যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে মেডিকেইড কর্মসূচির অর্থ নিয়ে সম্ভাব্য জালিয়াতির তদন্তে একযোগে একাধিক অ্যাডাল্ট ডে কেয়ার সেন্টার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়েছে ফেডারেল, অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) কুইন্স, ব্রুকলিন ও স্ট্যাটেন আইল্যান্ডের বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালানো হয়। অর্থ পাচার, অবৈধ কমিশন লেনদেন এবং সেবা প্রদানের বিপরীতে অনিয়মিত বিল জমা দেওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে কয়েক মাস ধরে চলা তদন্তের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

এবিসি৭ নিউইয়র্ক, সিবিএস নিউইয়র্ক ও এএমনিউইয়র্কের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকালে ব্রুকলিনের বরো পার্ক এলাকার ফোর্ট হ্যামিল্টন পার্কওয়েতে অবস্থিত হ্যাপি অ্যাডাল্ট ডে কেয়ার সেন্টারে তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। অষ্টম অ্যাভিনিউয়ের কাছাকাছি আরেকটি প্রতিষ্ঠানেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের অভিযান চালাতে দেখা যায়।

একই দিনে কুইন্সের ফ্লাশিং এলাকায় ৩২-৩৮, ১৪৮তম স্ট্রিটে অবস্থিত হানমাউম ডে কেয়ার সেন্টারেও অভিযান চালানো হয়। প্রতিষ্ঠানটি কোরীয় ও অন্যান্য এশীয় বংশোদ্ভূত প্রবীণদের সামাজিক পরিচর্যা সেবা দিয়ে থাকে।

এএমনিউইয়র্কের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে ফেডারেল কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানটি থেকে প্রায় ছয় বাক্স নথিপত্র, দুটি কম্পিউটার এবং একটি বড় প্লাস্টিকের কনটেইনার নিয়ে যান। এসব সামগ্রী চিহ্নবিহীন গাড়িতে তোলা হয়। তবে ঘটনাস্থলে কর্মকর্তারা অভিযানের বিস্তারিত বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে কোনো মন্তব্য করেননি।

কুইন্স ও ব্রুকলিনের পাশাপাশি স্ট্যাটেন আইল্যান্ডের একাধিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও তল্লাশি পরোয়ানা কার্যকর করা হয়। এবিসি৭ নিউইয়র্কের প্রাথমিক প্রতিবেদনে স্ট্যাটেন আইল্যান্ডে অন্তত দুজনকে গ্রেপ্তারের কথা বলা হয়েছে। তবে তাঁদের পরিচয় ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

একাধিক সংস্থার যৌথ অভিযান

অভিযানে অংশ নেয় ফেডারেল তদন্ত সংস্থা এফবিআই, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইনভেস্টিগেশনস, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব পরিষেবা, নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের মেডিকেইড ইন্সপেক্টর জেনারেলের কার্যালয় এবং নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা। অঙ্গরাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগও তদন্তে সহযোগিতা করছে।

এফবিআইয়ের নিউইয়র্ক কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানায়, চলমান ফেডারেল তদন্তের অংশ হিসেবে ব্রুকলিন, কুইন্স, স্ট্যাটেন আইল্যান্ড এবং নিউইয়র্ক সিটির অন্যান্য এলাকায় বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে।

মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুল বলেন, সামাজিক পরিচর্যাভিত্তিক অ্যাডাল্ট ডে কেয়ার কর্মসূচিতে সন্দেহজনক জালিয়াতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সমন্বিত অভিযান শুরু হয়েছে। কয়েক মাস ধরে ফেডারেল সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে তদন্ত চালানো হচ্ছে। তদন্ত চলমান থাকায় সব তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি।

হোকুলের ভাষ্য অনুযায়ী, তদন্তকারীরা এমন কিছু সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানকে খতিয়ে দেখছেন, যাদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার, অবৈধ কমিশন দেওয়া-নেওয়া, অনিয়মিত বিল জমা এবং অন্যান্য প্রতারণামূলক কার্যক্রমে জড়িত থাকার সন্দেহ রয়েছে।

সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির অর্থ নিয়ে প্রশ্ন

সোশ্যাল অ্যাডাল্ট ডে কেয়ার কর্মসূচিতে সাধারণত প্রবীণ ও বিশেষ সহায়তা প্রয়োজন এমন ব্যক্তিদের দিনের নির্দিষ্ট সময়ে সামাজিক কার্যক্রম, তত্ত্বাবধান এবং অন্যান্য সহায়ক সেবা দেওয়া হয়। নির্ধারিত যোগ্যতা ও শর্ত পূরণ হলে এসব সেবার খরচ মেডিকেইড কর্মসূচির মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়।

তদন্তকারীদের সন্দেহ, কিছু প্রতিষ্ঠান সেবা দেওয়ার তথ্য ও বিল জমার ক্ষেত্রে অনিয়ম করে সরকারি অর্থ আদায়ের চেষ্টা করে থাকতে পারে। তবে কোন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কত অর্থের জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।

গভর্নর হোকুল জানান, তাঁর প্রশাসন মেডিকেইড কর্মসূচিতে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগসংক্রান্ত ১০০টির বেশি বিষয় তদন্ত এবং সম্ভাব্য আইনগত ব্যবস্থার জন্য অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে পাঠিয়েছে। ২০২১ সাল থেকে নজরদারি জোরদারসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে মেডিকেইড কর্মসূচিতে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের বেশি সাশ্রয় হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

এদিকে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, মঙ্গলবারের অভিযানে তাঁদের সদস্যরা অংশ নিয়েছেন। তবে এটি কোনো অভিবাসনবিষয়ক অভিযান নয়। মেডিকেইড কর্মসূচির অর্থ নিয়ে সম্ভাব্য জালিয়াতির তদন্তের অংশ হিসেবেই প্রতিষ্ঠানগুলোতে তল্লাশি চালানো হয়েছে।

হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইনভেস্টিগেশনসের নিউইয়র্ক কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানায়, স্বাস্থ্যসেবা জালিয়াতির ফলে সরকারি অর্থের অপচয় হয়, গুরুত্বপূর্ণ সেবার ওপর মানুষের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীরা ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন। সরকারি অর্থ সুরক্ষা ও জালিয়াতি প্রতিরোধে তদন্ত অব্যাহত থাকবে বলেও জানায় সংস্থাটি।

তবে তল্লাশি চালানো প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ এখনো তদন্তাধীন। কোনো প্রতিষ্ঠানে অভিযান বা তল্লাশি চালানো হয়েছে বলেই সেখানে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অপরাধী বলে প্রমাণিত হয়েছেন, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। অভিযানে জব্দ করা সামগ্রীর পূর্ণাঙ্গ বিবরণ, সম্ভাব্য জালিয়াতির মোট অর্থের পরিমাণ এবং সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজনদের পরিচয় সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি।

সূত্র: এবিসি৭ নিউইয়র্ক, সিবিএস নিউইয়র্ক