ঢাকা ০৩:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক হলে অবৈধ সদস্যের প্রায় এক বছর ধরে অবস্থান: সিট না পেয়ে দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা

  • প্রকাশঃ ০৫:৪৬:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫
  • / 228

পটুয়াখালী বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) সুফিয়া কামাল হলের গণরুমে প্রায় এক বছর ধরে এক কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী অননুমোদিতভাবে অবস্থান করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক নীতিমালা অনুযায়ী, হলে অবস্থানের জন্য অনুমোদিত সিট থাকা বাধ্যতামূলক হলেও, প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এই অনিয়ম চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১-২২ সেশনের পঞ্চম সেমিস্টারে অধ্যয়নরত বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী বর্তমানে সিট না পেয়ে গণরুমে মানবেতর পরিবেশে বসবাস করছেন। তারা জানান, নিয়মিত শিক্ষার্থীরা বৈধভাবে হলে থাকার অনুমতি না পেলেও একজন কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থী কিভাবে দীর্ঘদিন ধরে হলে অবস্থান করছেন, তা নিয়ে তাঁরা বিস্মিত এবং ক্ষুব্ধ।

জানা গেছে, অবৈধভাবে হলে অবস্থানকারী শিক্ষার্থী একজন ভর্তি-প্রত্যাশী, যিনি কোনোভাবেই বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক সুবিধার আওতাভুক্ত নন। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করছেন, হল প্রশাসনের নীরবতা এবং তদারকির অভাবেই এই ধরনের অনিয়ম দীর্ঘস্থায়ী রূপ নিচ্ছে।

এই বিষয়ে সুফিয়া কামাল হলের তত্ত্বাবধায়কের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এদিকে, দীর্ঘমেয়াদী এই অনিয়ম প্রশাসনের নিরব ভূমিকা নিয়ে আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাঁদের আশঙ্কা, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে সামনের দিনগুলোতে সিট সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করবে, যা আবাসিক পরিবেশ এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য—উভয়ের উপরই নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন-“প্রজন্ম কথা

শেয়ার করুন

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক হলে অবৈধ সদস্যের প্রায় এক বছর ধরে অবস্থান: সিট না পেয়ে দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা

প্রকাশঃ ০৫:৪৬:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫

পটুয়াখালী বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) সুফিয়া কামাল হলের গণরুমে প্রায় এক বছর ধরে এক কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী অননুমোদিতভাবে অবস্থান করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক নীতিমালা অনুযায়ী, হলে অবস্থানের জন্য অনুমোদিত সিট থাকা বাধ্যতামূলক হলেও, প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এই অনিয়ম চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১-২২ সেশনের পঞ্চম সেমিস্টারে অধ্যয়নরত বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী বর্তমানে সিট না পেয়ে গণরুমে মানবেতর পরিবেশে বসবাস করছেন। তারা জানান, নিয়মিত শিক্ষার্থীরা বৈধভাবে হলে থাকার অনুমতি না পেলেও একজন কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থী কিভাবে দীর্ঘদিন ধরে হলে অবস্থান করছেন, তা নিয়ে তাঁরা বিস্মিত এবং ক্ষুব্ধ।

জানা গেছে, অবৈধভাবে হলে অবস্থানকারী শিক্ষার্থী একজন ভর্তি-প্রত্যাশী, যিনি কোনোভাবেই বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক সুবিধার আওতাভুক্ত নন। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করছেন, হল প্রশাসনের নীরবতা এবং তদারকির অভাবেই এই ধরনের অনিয়ম দীর্ঘস্থায়ী রূপ নিচ্ছে।

এই বিষয়ে সুফিয়া কামাল হলের তত্ত্বাবধায়কের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এদিকে, দীর্ঘমেয়াদী এই অনিয়ম প্রশাসনের নিরব ভূমিকা নিয়ে আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাঁদের আশঙ্কা, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে সামনের দিনগুলোতে সিট সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করবে, যা আবাসিক পরিবেশ এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য—উভয়ের উপরই নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন-“প্রজন্ম কথা