ঈশ্বরদীতে বিএনপি নেতা হত্যাকাণ্ড: প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
- প্রকাশঃ ০১:২২:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
- / 77
পাবনার ঈশ্বরদীতে লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক বিরু মোল্লা (৬৫) হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি জহুরুল মোল্লাকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং দুই দিনের পুলিশি রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, সোমবার (২২ ডিসেম্বর) গভীর রাতে র্যাব-১২ এর নেতৃত্বে পাবনা, কুষ্টিয়া, বগুড়া ও সিরাজগঞ্জের একটি যৌথ দল অভিযান চালিয়ে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন রঘুনাথপুর এলাকা থেকে জহুরুল মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে ঈশ্বরদী থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর জহুরুল মোল্লার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তার মালিকানাধীন একটি ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে মাটির নিচ থেকে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৩১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে একটি ওয়ান শট গান, একটি বিদেশি রিভলভার, শর্টগানের পাঁচ রাউন্ড এবং রিভলভারের ২৬ রাউন্ড গুলি।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার জহুরুল মোল্লা ঈশ্বরদী উপজেলার লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়নের কামালপুর দক্ষিণপাড়া এলাকার মোল্লাপাড়ার বাসিন্দা। তিনি মৃত ইসলাম মোল্লার ছেলে। নিহত বিএনপি নেতা বিরু মোল্লা একই এলাকার মৃত আবুল মোল্লার ছেলে। সম্পর্কে তারা চাচাতো ভাই।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার আরও জানান, গত ১৬ ডিসেম্বর রাত থেকে ভোর পর্যন্ত জহুরুল মোল্লা একটি এস্কেভেটর ব্যবহার করে বিরু মোল্লার জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে তা নিজের ইটভাটায় নিয়ে যান। বিষয়টি জানতে ১৭ ডিসেম্বর সকালে বিরু মোল্লা জহুরুল মোল্লার বাড়িতে গেলে তাকে লক্ষ্য করে জহুরুল মোল্লা ও তার ছেলে আল আমিন মোল্লা প্রকাশ্যে গুলি চালান। এতে ঘটনাস্থলেই বিরু মোল্লা নিহত হন।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে রাজীব আহমেদ মোল্লা বাদী হয়ে ১৮ ডিসেম্বর ঈশ্বরদী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় জহুরুল মোল্লা, তার ছেলে আল আমিন মোল্লা এবং তার বড় ভাই মৃত আলম মোল্লার দুই ছেলে মনোয়ারুল ইসলাম ওরফে নয়ন মোল্লা ও মো. নাইম মোল্লাকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


























