ঢাকা ০৭:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ম্যাজিস্ট্রেট না বাড়লে পুলিশের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার দাবি, নির্বাচনকে ঘিরে এসপি-ডিসিদের একাধিক সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশঃ ০২:২৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 99

ছবি: সংগৃহীত


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মাঠপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন দেশের পুলিশ সুপাররা (এসপি)। একই সঙ্গে এই দাবি বাস্তবায়ন না হলে নির্বাচনকালীন সময়ে পুলিশের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা প্রদানের সুপারিশও করেন তারা।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে নির্বাচন কমিশন আয়োজিত এক সমন্বয় সভায় এসব দাবি তুলে ধরা হয়। সভায় জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), সব রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি), বিভাগীয় কমিশনার এবং আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় পুলিশ সুপাররা বলেন, নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও অপরাধী গ্রেপ্তার করা হলেও জনবল ও যানবাহনের ঘাটতি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচনকালীন দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালনে জনবল বাড়ানো জরুরি। একই দিনে একাধিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে তা পুলিশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে বলেও জানান তারা।

এসপিরা আরও বলেন, ভোটের দিন অসুস্থ ও প্রতিবন্ধী ভোটারদের সহযোগিতা করতে গিয়ে পুলিশকে নানা সমস্যার মুখে পড়তে হয়। এ ক্ষেত্রে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কর্মীদের দায়িত্বে রাখার সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি বিগত নির্বাচনগুলোতে পুলিশের জন্য বরাদ্দ বাজেটে বৈষম্য ছিল উল্লেখ করে আসন্ন নির্বাচনে বাজেট বাড়ানোর দাবি জানান তারা।

মাঠপর্যায়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি ম্যাজিস্ট্রেট সংকট দেখা দিলে পুলিশকে সীমিত ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন পুলিশ সুপাররা।

অন্যদিকে সভায় জেলা প্রশাসকরা বলেন, মাঠপর্যায়ে এখনো যেসব বৈধ অস্ত্র রয়েছে, সেগুলো দ্রুত উদ্ধার করতে পুলিশের সহযোগিতা প্রয়োজন। দুর্গম ও দূরবর্তী এলাকায় যাতায়াত সহজ করতে হেলিকপ্টার ব্যবহারের সুপারিশও করেন তারা।

ডিসিরা আরও জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও অপতথ্য প্রচার আসন্ন নির্বাচনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আইনের শাসনের বাইরে গিয়ে কোনো কাজ না করার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন তারা। একই সঙ্গে বিভিন্ন উপজেলায় সহিংসতায় গাড়ি পুড়ে যাওয়ায় নতুন যানবাহনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।

এ ছাড়া গণভোট ও নির্বাচনী প্রচারের জন্য সময় বাড়ানো এবং সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান জেলা প্রশাসকরা।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”

প্রাসঙ্গিক

শেয়ার করুন

ম্যাজিস্ট্রেট না বাড়লে পুলিশের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার দাবি, নির্বাচনকে ঘিরে এসপি-ডিসিদের একাধিক সুপারিশ

প্রকাশঃ ০২:২৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মাঠপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন দেশের পুলিশ সুপাররা (এসপি)। একই সঙ্গে এই দাবি বাস্তবায়ন না হলে নির্বাচনকালীন সময়ে পুলিশের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা প্রদানের সুপারিশও করেন তারা।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে নির্বাচন কমিশন আয়োজিত এক সমন্বয় সভায় এসব দাবি তুলে ধরা হয়। সভায় জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), সব রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি), বিভাগীয় কমিশনার এবং আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় পুলিশ সুপাররা বলেন, নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও অপরাধী গ্রেপ্তার করা হলেও জনবল ও যানবাহনের ঘাটতি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচনকালীন দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালনে জনবল বাড়ানো জরুরি। একই দিনে একাধিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে তা পুলিশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে বলেও জানান তারা।

এসপিরা আরও বলেন, ভোটের দিন অসুস্থ ও প্রতিবন্ধী ভোটারদের সহযোগিতা করতে গিয়ে পুলিশকে নানা সমস্যার মুখে পড়তে হয়। এ ক্ষেত্রে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কর্মীদের দায়িত্বে রাখার সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি বিগত নির্বাচনগুলোতে পুলিশের জন্য বরাদ্দ বাজেটে বৈষম্য ছিল উল্লেখ করে আসন্ন নির্বাচনে বাজেট বাড়ানোর দাবি জানান তারা।

মাঠপর্যায়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি ম্যাজিস্ট্রেট সংকট দেখা দিলে পুলিশকে সীমিত ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন পুলিশ সুপাররা।

অন্যদিকে সভায় জেলা প্রশাসকরা বলেন, মাঠপর্যায়ে এখনো যেসব বৈধ অস্ত্র রয়েছে, সেগুলো দ্রুত উদ্ধার করতে পুলিশের সহযোগিতা প্রয়োজন। দুর্গম ও দূরবর্তী এলাকায় যাতায়াত সহজ করতে হেলিকপ্টার ব্যবহারের সুপারিশও করেন তারা।

ডিসিরা আরও জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও অপতথ্য প্রচার আসন্ন নির্বাচনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আইনের শাসনের বাইরে গিয়ে কোনো কাজ না করার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন তারা। একই সঙ্গে বিভিন্ন উপজেলায় সহিংসতায় গাড়ি পুড়ে যাওয়ায় নতুন যানবাহনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।

এ ছাড়া গণভোট ও নির্বাচনী প্রচারের জন্য সময় বাড়ানো এবং সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান জেলা প্রশাসকরা।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”