ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে জুলাইযোদ্ধা হাসনাত আবদুল্লাহর ওপর সশস্ত্র হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশঃ ০২:১৮:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 23

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও গেজেটপ্রাপ্ত বীর হাসনাত আবদুল্লাহ ও এক যুবকের ওপর সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার সময় মাঈনউদ্দীন নামের আরও একজন আহত হন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ১৫ থেকে ২০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল লাঠি ও চাকু নিয়ে বদুরপাড়া এলাকার পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন সড়কে হামলা চালায়। হামলার পেছনে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কর্মসূচির যোগসূত্র থাকতে পারে বলে স্থানীয় জুলাইযোদ্ধারা মনে করছেন।

এক জুলাইযোদ্ধা জানান, চট্টগ্রাম–১৪ আসনের বিতর্কিত প্রার্থী জসিম উদ্দিনের মনোনয়ন বাতিল ও গ্রেপ্তারের দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়ার কারণে এ হামলা হতে পারে।

এলডিপি প্রার্থী অধ্যাপক ওমর ফারুক বলেন, জুলাইযোদ্ধাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়ানো ব্যক্তিদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে নির্বাচন ও রাজনৈতিক পরিবেশ স্বাভাবিক থাকতে পারে না।

হাসনাত আবদুল্লাহ ও মাঈনউদ্দীর ঘনিষ্ঠরা জানান, দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এনসিপি নেতা হাসান আলী তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমার অত্যন্ত কাছের ছোট ভাই, জুলাইয়ের আহত গেজেটপ্রাপ্ত বীর হাসনাত আবদুল্লাহর ওপর চন্দনাইশ বদুরপাড়ায় সন্দেহভাজন স্বৈরাচারের দোসররা হামলা করেছে। আমি এই দৃশ্য কোনোভাবেই স্বাভাবিকভাবে নিতে পারছি না।

উল্লেখ্য, হাসান আলী আগে এনসিপির প্রার্থী ছিলেন। পরে ১১ দলীয় জোট গঠনের পর তিনি চট্টগ্রাম–১৪ আসনে এলডিপি প্রার্থী অধ্যাপক ওমর ফারুকের প্রতি আনুষ্ঠানিক সমর্থন ঘোষণা করেন।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”

শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে জুলাইযোদ্ধা হাসনাত আবদুল্লাহর ওপর সশস্ত্র হামলা

প্রকাশঃ ০২:১৮:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও গেজেটপ্রাপ্ত বীর হাসনাত আবদুল্লাহ ও এক যুবকের ওপর সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার সময় মাঈনউদ্দীন নামের আরও একজন আহত হন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ১৫ থেকে ২০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল লাঠি ও চাকু নিয়ে বদুরপাড়া এলাকার পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন সড়কে হামলা চালায়। হামলার পেছনে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কর্মসূচির যোগসূত্র থাকতে পারে বলে স্থানীয় জুলাইযোদ্ধারা মনে করছেন।

এক জুলাইযোদ্ধা জানান, চট্টগ্রাম–১৪ আসনের বিতর্কিত প্রার্থী জসিম উদ্দিনের মনোনয়ন বাতিল ও গ্রেপ্তারের দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়ার কারণে এ হামলা হতে পারে।

এলডিপি প্রার্থী অধ্যাপক ওমর ফারুক বলেন, জুলাইযোদ্ধাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়ানো ব্যক্তিদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে নির্বাচন ও রাজনৈতিক পরিবেশ স্বাভাবিক থাকতে পারে না।

হাসনাত আবদুল্লাহ ও মাঈনউদ্দীর ঘনিষ্ঠরা জানান, দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এনসিপি নেতা হাসান আলী তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমার অত্যন্ত কাছের ছোট ভাই, জুলাইয়ের আহত গেজেটপ্রাপ্ত বীর হাসনাত আবদুল্লাহর ওপর চন্দনাইশ বদুরপাড়ায় সন্দেহভাজন স্বৈরাচারের দোসররা হামলা করেছে। আমি এই দৃশ্য কোনোভাবেই স্বাভাবিকভাবে নিতে পারছি না।

উল্লেখ্য, হাসান আলী আগে এনসিপির প্রার্থী ছিলেন। পরে ১১ দলীয় জোট গঠনের পর তিনি চট্টগ্রাম–১৪ আসনে এলডিপি প্রার্থী অধ্যাপক ওমর ফারুকের প্রতি আনুষ্ঠানিক সমর্থন ঘোষণা করেন।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”