ঢাকা ১১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খুনি যখন ঘরের মানুষ: ফটিকছড়িতে রাজু হত্যার নেপথ্যে দুলাভাই-শাশুড়ি জোট

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশঃ ১২:০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 15

ফটিকছড়িতে শ্যালিকার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের প্রতিশোধের কারণে কিশোর রাজু মিঞা (১৯) হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনা তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে, হত্যার পরিকল্পনায় সরাসরি জড়িত ছিলেন ফিরোজ আহাম্মদ (৩৪) এবং তার শাশুড়ি ফাতেমা বেগম (৪২)।

পুলিশ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) জানিয়েছে, চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গ্রেপ্তার আসামিরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। প্রধান আসামি ফিরোজ আহাম্মদকে মঙ্গলবার কুমিল্লার কোতোয়ালী থানাধীন পাঁচথুবি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শাশুড়ি ফাতেমা বেগমকেও আটক করা হয়। হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো ছুরিটি উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশের তথ্যমতে, ঘটনার মূল প্রেক্ষাপট ছিল ফিরোজের শ্যালিকার সঙ্গে প্রেম এবং পরে তার ভায়রার সঙ্গে সামাজিক মীমাংসার মাধ্যমে বিবাহ। ফিরোজ ও তার শাশুড়ি ক্ষুব্ধ হয়ে পরিকল্পিতভাবে রাজু মিঞাকে হত্যার আয়োজন করেন।

চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল জানিয়েছেন, ২১ জানুয়ারি রাতে ফিরোজ আহাম্মদ রাজুকে খনখাইয়া খালের পাড়ে ডেকে নিয়ে ধারালো ছুরি দিয়ে তার পেট, গলা ও পিঠে আঘাত করে হত্যা করেন। পরে মরদেহ খালের ঢালে চাপা দেওয়া হয় এবং হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি খালে ফেলে দেওয়া হয়। হত্যাকাণ্ডের পর ফিরোজ প্রথমে ঢাকায়, পরে কুমিল্লায় পালিয়ে যান।

পুলিশের অভিযানে হত্যা পরিকল্পনায় জড়িত অপর আসামি শাশুড়ি ফাতেমা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি খুনে ব্যবহৃত ছুরি এবং স্থান থেকে থ্রি-পিসও উদ্ধার করা হয়েছে।

এই ঘটনার পর পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে, যথাযথভাবে তদন্ত চালিয়ে সকল দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”

প্রাসঙ্গিক

শেয়ার করুন

খুনি যখন ঘরের মানুষ: ফটিকছড়িতে রাজু হত্যার নেপথ্যে দুলাভাই-শাশুড়ি জোট

প্রকাশঃ ১২:০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

ফটিকছড়িতে শ্যালিকার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের প্রতিশোধের কারণে কিশোর রাজু মিঞা (১৯) হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনা তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে, হত্যার পরিকল্পনায় সরাসরি জড়িত ছিলেন ফিরোজ আহাম্মদ (৩৪) এবং তার শাশুড়ি ফাতেমা বেগম (৪২)।

পুলিশ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) জানিয়েছে, চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গ্রেপ্তার আসামিরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। প্রধান আসামি ফিরোজ আহাম্মদকে মঙ্গলবার কুমিল্লার কোতোয়ালী থানাধীন পাঁচথুবি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শাশুড়ি ফাতেমা বেগমকেও আটক করা হয়। হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো ছুরিটি উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশের তথ্যমতে, ঘটনার মূল প্রেক্ষাপট ছিল ফিরোজের শ্যালিকার সঙ্গে প্রেম এবং পরে তার ভায়রার সঙ্গে সামাজিক মীমাংসার মাধ্যমে বিবাহ। ফিরোজ ও তার শাশুড়ি ক্ষুব্ধ হয়ে পরিকল্পিতভাবে রাজু মিঞাকে হত্যার আয়োজন করেন।

চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল জানিয়েছেন, ২১ জানুয়ারি রাতে ফিরোজ আহাম্মদ রাজুকে খনখাইয়া খালের পাড়ে ডেকে নিয়ে ধারালো ছুরি দিয়ে তার পেট, গলা ও পিঠে আঘাত করে হত্যা করেন। পরে মরদেহ খালের ঢালে চাপা দেওয়া হয় এবং হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি খালে ফেলে দেওয়া হয়। হত্যাকাণ্ডের পর ফিরোজ প্রথমে ঢাকায়, পরে কুমিল্লায় পালিয়ে যান।

পুলিশের অভিযানে হত্যা পরিকল্পনায় জড়িত অপর আসামি শাশুড়ি ফাতেমা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি খুনে ব্যবহৃত ছুরি এবং স্থান থেকে থ্রি-পিসও উদ্ধার করা হয়েছে।

এই ঘটনার পর পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে, যথাযথভাবে তদন্ত চালিয়ে সকল দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”