ঢাকা ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি: বাংলাদেশের ২৬ অভিবাসীর নৌকা উল্টে ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশঃ ১০:২৮:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫
  • / 162

লিবিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় আল-খুমস উপকূলে দুটি অভিবাসীবাহী নৌকা ডুবে চারজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। দেশটির রেড ক্রিসেন্ট শনিবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে সমুদ্র উপকূলে নৌকাডুবির খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করে।

রেড ক্রিসেন্টের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম নৌকাটিতে ছিলেন বাংলাদেশের ২৬ জন অভিবাসী। তাঁদের মধ্যে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকিদের উদ্ধার বা নিখোঁজ অবস্থা সম্পর্কে এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য দেয়নি সংস্থাটি।

দ্বিতীয় নৌকাটিতে ছিলেন মোট ৬৯ জন অভিবাসী—যাদের মধ্যে দুজন মিসরীয় এবং ৬৭ জন সুদানি নাগরিক। এ নৌকায় আটজন শিশু ছিল বলেও জানায় সংস্থাটি। দুর্ঘটনার পর কতজনকে জীবিত উদ্ধার করা গেছে—তা এখনো স্পষ্ট নয়।

রেড ক্রিসেন্ট জানায়, নৌকাডুবির খবর পাওয়ার পরপরই উদ্ধারকারী দল তৎপর হয়। তারা মরদেহ উদ্ধার ও জীবিতদের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার কাজ পরিচালনা করে।

উল্লেখ্য, অবৈধ পথে ইউরোপমুখী অভিবাসীদের অন্যতম প্রধান রুট লিবিয়া। ঝুঁকিপূর্ণ এ পথ ব্যবহারকারীর সংখ্যা কমাতে স্থানীয় সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে রয়েছে।
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানায়, চলতি বছর মধ্য ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে এক হাজারের বেশি অভিবাসনের মৃত্যু হয়েছে।

প্রাসঙ্গিক

শেয়ার করুন

লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি: বাংলাদেশের ২৬ অভিবাসীর নৌকা উল্টে ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশঃ ১০:২৮:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

লিবিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় আল-খুমস উপকূলে দুটি অভিবাসীবাহী নৌকা ডুবে চারজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। দেশটির রেড ক্রিসেন্ট শনিবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে সমুদ্র উপকূলে নৌকাডুবির খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করে।

রেড ক্রিসেন্টের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম নৌকাটিতে ছিলেন বাংলাদেশের ২৬ জন অভিবাসী। তাঁদের মধ্যে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকিদের উদ্ধার বা নিখোঁজ অবস্থা সম্পর্কে এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য দেয়নি সংস্থাটি।

দ্বিতীয় নৌকাটিতে ছিলেন মোট ৬৯ জন অভিবাসী—যাদের মধ্যে দুজন মিসরীয় এবং ৬৭ জন সুদানি নাগরিক। এ নৌকায় আটজন শিশু ছিল বলেও জানায় সংস্থাটি। দুর্ঘটনার পর কতজনকে জীবিত উদ্ধার করা গেছে—তা এখনো স্পষ্ট নয়।

রেড ক্রিসেন্ট জানায়, নৌকাডুবির খবর পাওয়ার পরপরই উদ্ধারকারী দল তৎপর হয়। তারা মরদেহ উদ্ধার ও জীবিতদের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার কাজ পরিচালনা করে।

উল্লেখ্য, অবৈধ পথে ইউরোপমুখী অভিবাসীদের অন্যতম প্রধান রুট লিবিয়া। ঝুঁকিপূর্ণ এ পথ ব্যবহারকারীর সংখ্যা কমাতে স্থানীয় সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে রয়েছে।
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানায়, চলতি বছর মধ্য ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে এক হাজারের বেশি অভিবাসনের মৃত্যু হয়েছে।