ঢাকা ০৯:২৪ , Sat, ০৮ Aug ২০২৬
বিশ্বসমাচার
যুক্তরাজ্যে

যুক্তরাজ্যে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় মাসে প্রায় £৭৪৮ পর্যন্ত ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ভাতা, যেভাবে আবেদন করবেন

প্রজন্ম কথা ডেস্ক
  • প্রকাশঃ ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২০:৩২
  • / 5
ফাইল ছবি

লন্ডন, (প্রজন্ম কথা): দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক বা মানসিক স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে দৈনন্দিন জীবনযাপন কিংবা চলাচলে উল্লেখযোগ্য অসুবিধা হলে যুক্তরাজ্যে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ভাতা (PIP) পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। যোগ্যতার মানদণ্ড পূরণ করে দৈনন্দিন জীবনযাপন ও চলাচল, উভয় অংশের সর্বোচ্চ হারের জন্য উপযুক্ত বিবেচিত হলে একজন ব্যক্তি সপ্তাহে সর্বোচ্চ ১৯৪ দশমিক ৯০ পাউন্ড, অর্থাৎ মাসে প্রায় ৭৪৮ পাউন্ড পর্যন্ত সহায়তা পেতে পারেন।

PIP মূলত ১৬ বছর বয়স থেকে রাষ্ট্রীয় পেনশনের বয়স পর্যন্ত এমন ব্যক্তিদের জন্য, যাদের দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতা বা প্রতিবন্ধকতার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাপনে অতিরিক্ত খরচ হয়। তবে কোনো নির্দিষ্ট রোগ বা স্বাস্থ্যগত সমস্যায় আক্রান্ত হওয়াই ভাতা পাওয়ার নিশ্চয়তা দেয় না। একজন ব্যক্তির শারীরিক বা মানসিক সমস্যা তার দৈনন্দিন কাজ ও চলাচলের সক্ষমতাকে কীভাবে প্রভাবিত করছে, সেটিই যোগ্যতা নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

PIP-এর দুটি অংশ রয়েছে। দৈনন্দিন জীবনযাপনের অংশে সপ্তাহে ৭৬ দশমিক ৫৫ পাউন্ড থেকে সর্বোচ্চ ১১৪ দশমিক ৮০ পাউন্ড পর্যন্ত পাওয়া যেতে পারে। চলাচলের অংশে সপ্তাহে ৩০ দশমিক ২০ পাউন্ড থেকে সর্বোচ্চ ৮০ দশমিক ১০ পাউন্ড পর্যন্ত সহায়তা পাওয়া সম্ভব।

উভয় অংশের সর্বোচ্চ হারের জন্য যোগ্য হলে সাপ্তাহিক সহায়তার পরিমাণ দাঁড়ায় সর্বোচ্চ ১৯৪ দশমিক ৯০ পাউন্ড। মাসিক হিসাবে এর পরিমাণ প্রায় ৭৪৮ পাউন্ড। তবে প্রত্যেক আবেদনকারীর প্রাপ্য অর্থ এক হবে না। কারও ক্ষেত্রে উভয় অংশে মৌলিক হার প্রযোজ্য হতে পারে, আবার কেউ একটি অংশে মৌলিক এবং অন্য অংশে সর্বোচ্চ হারের জন্য যোগ্য হতে পারেন।

কাজ ও পেনশনবিষয়ক দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, PIP-এর মূল্যায়নে ৫০০টিরও বেশি স্বাস্থ্যগত সমস্যা এবং বিভিন্ন বিস্তৃত রোগের শ্রেণি বিবেচনায় নেওয়া হয়। তালিকায় কোনো নির্দিষ্ট রোগের নাম না থাকলেও সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যগত সমস্যাটি যদি ব্যক্তির দৈনন্দিন জীবনযাপন বা চলাচলের ওপর যথেষ্ট প্রভাব ফেলে, তাহলে সেটিও মূল্যায়নের আওতায় আসতে পারে।

মানসিক স্বাস্থ্যগত সমস্যার ক্ষেত্রেও বিভিন্ন ধরনের সমস্যা মূল্যায়ন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ব্যক্তিত্বজনিত সমস্যা, নির্দিষ্ট শিক্ষাগত সমস্যা, কথা বলা বা ভাষাগত সমস্যা, আঘাত-পরবর্তী মানসিক চাপ, উদ্বেগজনিত সমস্যা, সাধারণীকৃত উদ্বেগ, আকস্মিক আতঙ্কজনিত সমস্যা এবং বিভিন্ন ধরনের ভয় বা ফোবিয়া।

এ ছাড়া অতিরিক্ত চিন্তা ও বাধ্যতামূলক আচরণজনিত সমস্যা, উদ্বেগ ও বিষণ্নতার মিশ্র সমস্যা, নিজের শারীরিক চেহারা নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বেগ, বিচ্ছিন্নতাজনিত সমস্যা, শারীরিক উপসর্গকেন্দ্রিক মানসিক সমস্যা, দ্বিমেরু মেজাজজনিত সমস্যা, বিষণ্নতা এবং অন্যান্য মেজাজজনিত সমস্যাও মূল্যায়নের আওতায় রয়েছে।

আরও গুরুতর মানসিক সমস্যার ক্ষেত্রে মনোবিকৃতিজনিত সমস্যা, সিজোফ্রেনিয়া, স্মৃতিভ্রংশ, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা-সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা এবং শিশু ও কিশোরদের কিছু মানসিক ও আচরণগত সমস্যাও বিবেচনা করা হতে পারে।

খাদ্যগ্রহণসংক্রান্ত সমস্যাও মূল্যায়নের আওতায় পড়ে। অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা, বুলিমিয়া এবং অন্যান্য খাদ্যগ্রহণজনিত সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও অসুস্থতার কারণে দৈনন্দিন জীবনযাপনে কী ধরনের প্রভাব পড়ছে, তার ভিত্তিতে সহায়তার যোগ্যতা বিবেচনা করা হতে পারে।

অটিজম, অ্যাসপারজার সিনড্রোম, এডিএইচডি বা মনোযোগ ঘাটতি ও অতিসক্রিয়তাজনিত সমস্যা, ডাউন সিনড্রোম, ফ্র্যাজাইল এক্স সিনড্রোম এবং বিভিন্ন ধরনের শেখার অক্ষমতাও সংশ্লিষ্ট তালিকায় রয়েছে। শিশুদের আচরণগত সমস্যা, বিছানায় প্রস্রাব করা, অনিচ্ছাকৃত মলত্যাগ এবং অন্যান্য মানসিক সমস্যাও মূল্যায়নের আওতায় আসতে পারে।

তবে কোনো ব্যক্তির রোগ বা সমস্যার নাম সংশ্লিষ্ট তালিকায় থাকলেই PIP পাওয়ার যোগ্যতা তৈরি হয় না। মূল্যায়নে দেখা হয়, ওই স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে ব্যক্তি নিজে খাবার তৈরি করতে পারছেন কি না, পোশাক পরা বা ব্যক্তিগত পরিচর্যায় অসুবিধা হচ্ছে কি না, অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগে সমস্যা হচ্ছে কি না, বাইরে চলাফেরা করতে পারছেন কি না এবং নিরাপদে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারছেন কি না।

মানসিক স্বাস্থ্যগত সমস্যার ক্ষেত্রেও রোগের তীব্রতার পাশাপাশি দৈনন্দিন জীবনে তার প্রভাব বিবেচনা করা হয়। উদ্বেগ বা বিষণ্নতার কারণে কেউ নিয়মিত দৈনন্দিন কাজ করতে না পারলে, বাইরে বের হওয়া, মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করা কিংবা নিজের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সমস্যায় পড়লে সেই প্রভাব মূল্যায়নের অংশ হতে পারে।

এ কারণে দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক বা মানসিক স্বাস্থ্যগত সমস্যায় থাকা ব্যক্তিদের আবেদন করার সময় নিজেদের পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত ও যথাযথ তথ্য দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। PIP-এর ক্ষেত্রে রোগের নামের পাশাপাশি অসুস্থতার কারণে প্রতিদিন কী ধরনের সমস্যা হচ্ছে এবং সেই সমস্যার কারণে কী ধরনের সহায়তা প্রয়োজন, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মূল্যায়নে যোগ্যতা প্রমাণিত হলে আবেদনকারী তার পরিস্থিতি অনুযায়ী দৈনন্দিন জীবনযাপন ও চলাচলের জন্য নির্ধারিত হারে ভাতা পেতে পারেন। উভয় অংশের সর্বোচ্চ হারের জন্য যোগ্য হলে মাসে প্রায় ৭৪৮ পাউন্ড পর্যন্ত সহায়তা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

❤️
👏
🙂
😞

যুক্তরাজ্যে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় মাসে প্রায় £৭৪৮ পর্যন্ত ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ভাতা, যেভাবে আবেদন করবেন

প্রকাশঃ ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২০:৩২

লন্ডন, (প্রজন্ম কথা): দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক বা মানসিক স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে দৈনন্দিন জীবনযাপন কিংবা চলাচলে উল্লেখযোগ্য অসুবিধা হলে যুক্তরাজ্যে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ভাতা (PIP) পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। যোগ্যতার মানদণ্ড পূরণ করে দৈনন্দিন জীবনযাপন ও চলাচল, উভয় অংশের সর্বোচ্চ হারের জন্য উপযুক্ত বিবেচিত হলে একজন ব্যক্তি সপ্তাহে সর্বোচ্চ ১৯৪ দশমিক ৯০ পাউন্ড, অর্থাৎ মাসে প্রায় ৭৪৮ পাউন্ড পর্যন্ত সহায়তা পেতে পারেন।

PIP মূলত ১৬ বছর বয়স থেকে রাষ্ট্রীয় পেনশনের বয়স পর্যন্ত এমন ব্যক্তিদের জন্য, যাদের দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতা বা প্রতিবন্ধকতার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাপনে অতিরিক্ত খরচ হয়। তবে কোনো নির্দিষ্ট রোগ বা স্বাস্থ্যগত সমস্যায় আক্রান্ত হওয়াই ভাতা পাওয়ার নিশ্চয়তা দেয় না। একজন ব্যক্তির শারীরিক বা মানসিক সমস্যা তার দৈনন্দিন কাজ ও চলাচলের সক্ষমতাকে কীভাবে প্রভাবিত করছে, সেটিই যোগ্যতা নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

PIP-এর দুটি অংশ রয়েছে। দৈনন্দিন জীবনযাপনের অংশে সপ্তাহে ৭৬ দশমিক ৫৫ পাউন্ড থেকে সর্বোচ্চ ১১৪ দশমিক ৮০ পাউন্ড পর্যন্ত পাওয়া যেতে পারে। চলাচলের অংশে সপ্তাহে ৩০ দশমিক ২০ পাউন্ড থেকে সর্বোচ্চ ৮০ দশমিক ১০ পাউন্ড পর্যন্ত সহায়তা পাওয়া সম্ভব।

উভয় অংশের সর্বোচ্চ হারের জন্য যোগ্য হলে সাপ্তাহিক সহায়তার পরিমাণ দাঁড়ায় সর্বোচ্চ ১৯৪ দশমিক ৯০ পাউন্ড। মাসিক হিসাবে এর পরিমাণ প্রায় ৭৪৮ পাউন্ড। তবে প্রত্যেক আবেদনকারীর প্রাপ্য অর্থ এক হবে না। কারও ক্ষেত্রে উভয় অংশে মৌলিক হার প্রযোজ্য হতে পারে, আবার কেউ একটি অংশে মৌলিক এবং অন্য অংশে সর্বোচ্চ হারের জন্য যোগ্য হতে পারেন।

কাজ ও পেনশনবিষয়ক দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, PIP-এর মূল্যায়নে ৫০০টিরও বেশি স্বাস্থ্যগত সমস্যা এবং বিভিন্ন বিস্তৃত রোগের শ্রেণি বিবেচনায় নেওয়া হয়। তালিকায় কোনো নির্দিষ্ট রোগের নাম না থাকলেও সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যগত সমস্যাটি যদি ব্যক্তির দৈনন্দিন জীবনযাপন বা চলাচলের ওপর যথেষ্ট প্রভাব ফেলে, তাহলে সেটিও মূল্যায়নের আওতায় আসতে পারে।

মানসিক স্বাস্থ্যগত সমস্যার ক্ষেত্রেও বিভিন্ন ধরনের সমস্যা মূল্যায়ন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ব্যক্তিত্বজনিত সমস্যা, নির্দিষ্ট শিক্ষাগত সমস্যা, কথা বলা বা ভাষাগত সমস্যা, আঘাত-পরবর্তী মানসিক চাপ, উদ্বেগজনিত সমস্যা, সাধারণীকৃত উদ্বেগ, আকস্মিক আতঙ্কজনিত সমস্যা এবং বিভিন্ন ধরনের ভয় বা ফোবিয়া।

এ ছাড়া অতিরিক্ত চিন্তা ও বাধ্যতামূলক আচরণজনিত সমস্যা, উদ্বেগ ও বিষণ্নতার মিশ্র সমস্যা, নিজের শারীরিক চেহারা নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বেগ, বিচ্ছিন্নতাজনিত সমস্যা, শারীরিক উপসর্গকেন্দ্রিক মানসিক সমস্যা, দ্বিমেরু মেজাজজনিত সমস্যা, বিষণ্নতা এবং অন্যান্য মেজাজজনিত সমস্যাও মূল্যায়নের আওতায় রয়েছে।

আরও গুরুতর মানসিক সমস্যার ক্ষেত্রে মনোবিকৃতিজনিত সমস্যা, সিজোফ্রেনিয়া, স্মৃতিভ্রংশ, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা-সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা এবং শিশু ও কিশোরদের কিছু মানসিক ও আচরণগত সমস্যাও বিবেচনা করা হতে পারে।

খাদ্যগ্রহণসংক্রান্ত সমস্যাও মূল্যায়নের আওতায় পড়ে। অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা, বুলিমিয়া এবং অন্যান্য খাদ্যগ্রহণজনিত সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও অসুস্থতার কারণে দৈনন্দিন জীবনযাপনে কী ধরনের প্রভাব পড়ছে, তার ভিত্তিতে সহায়তার যোগ্যতা বিবেচনা করা হতে পারে।

অটিজম, অ্যাসপারজার সিনড্রোম, এডিএইচডি বা মনোযোগ ঘাটতি ও অতিসক্রিয়তাজনিত সমস্যা, ডাউন সিনড্রোম, ফ্র্যাজাইল এক্স সিনড্রোম এবং বিভিন্ন ধরনের শেখার অক্ষমতাও সংশ্লিষ্ট তালিকায় রয়েছে। শিশুদের আচরণগত সমস্যা, বিছানায় প্রস্রাব করা, অনিচ্ছাকৃত মলত্যাগ এবং অন্যান্য মানসিক সমস্যাও মূল্যায়নের আওতায় আসতে পারে।

তবে কোনো ব্যক্তির রোগ বা সমস্যার নাম সংশ্লিষ্ট তালিকায় থাকলেই PIP পাওয়ার যোগ্যতা তৈরি হয় না। মূল্যায়নে দেখা হয়, ওই স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে ব্যক্তি নিজে খাবার তৈরি করতে পারছেন কি না, পোশাক পরা বা ব্যক্তিগত পরিচর্যায় অসুবিধা হচ্ছে কি না, অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগে সমস্যা হচ্ছে কি না, বাইরে চলাফেরা করতে পারছেন কি না এবং নিরাপদে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারছেন কি না।

মানসিক স্বাস্থ্যগত সমস্যার ক্ষেত্রেও রোগের তীব্রতার পাশাপাশি দৈনন্দিন জীবনে তার প্রভাব বিবেচনা করা হয়। উদ্বেগ বা বিষণ্নতার কারণে কেউ নিয়মিত দৈনন্দিন কাজ করতে না পারলে, বাইরে বের হওয়া, মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করা কিংবা নিজের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সমস্যায় পড়লে সেই প্রভাব মূল্যায়নের অংশ হতে পারে।

এ কারণে দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক বা মানসিক স্বাস্থ্যগত সমস্যায় থাকা ব্যক্তিদের আবেদন করার সময় নিজেদের পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত ও যথাযথ তথ্য দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। PIP-এর ক্ষেত্রে রোগের নামের পাশাপাশি অসুস্থতার কারণে প্রতিদিন কী ধরনের সমস্যা হচ্ছে এবং সেই সমস্যার কারণে কী ধরনের সহায়তা প্রয়োজন, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মূল্যায়নে যোগ্যতা প্রমাণিত হলে আবেদনকারী তার পরিস্থিতি অনুযায়ী দৈনন্দিন জীবনযাপন ও চলাচলের জন্য নির্ধারিত হারে ভাতা পেতে পারেন। উভয় অংশের সর্বোচ্চ হারের জন্য যোগ্য হলে মাসে প্রায় ৭৪৮ পাউন্ড পর্যন্ত সহায়তা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।