ঢাকা ০৪:১২ , Sun, ২০ Sep ২০২৬
বিশ্বসমাচার
যুক্তরাষ্ট্র

ভিসা অনিশ্চয়তায় যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আবেদন কমেছে, বাড়ছে উদ্বেগ

তানজিম হোসেন
  • প্রকাশঃ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫:৪৮
  • / 1
ভিসা অনিশ্চয়তা ও অভিবাসন নীতির পরিবর্তনে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী আবেদন কমার তথ্য উঠে এসেছে ছবি: সংগৃহীত

ওয়াশিংটন, ২০ সেপ্টেম্বর (প্রজন্ম কথা) – ভিসা প্রক্রিয়ায় বিলম্ব, আবেদন প্রত্যাখ্যানের আশঙ্কা এবং অভিবাসন নীতির পরিবর্তন নিয়ে অনিশ্চয়তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চশিক্ষা খাতে। সাম্প্রতিক এক জরিপে দেশটির অর্ধেকের বেশি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আবেদন আগের তুলনায় কমেছে।

আমেরিকান কাউন্সিল অন এডুকেশনের সাম্প্রতিক ‘পালস পয়েন্ট’ জরিপে অংশ নেওয়া উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নেতারা জানিয়েছেন, পরিবর্তনশীল কেন্দ্রীয় অভিবাসন নীতি, ভিসা প্রক্রিয়াকরণে দীর্ঘসূত্রতা এবং যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করতে আসা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা বিদেশি শিক্ষার্থী আকর্ষণের ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ভারত ও চীনের মতো যুক্তরাষ্ট্রে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী পাঠানো দেশ থেকেও শিক্ষার্থী সংগ্রহের ক্ষেত্রে চাপের কথা জানিয়েছে অনেক প্রতিষ্ঠান।

ভিসা নিয়ে উদ্বেগ আগেও প্রভাব ফেলেছে

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার প্রবণতা নতুন নয়। আমেরিকান কাউন্সিল অন এডুকেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শরৎ সেমিস্টারে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তি ১৭ শতাংশ কমেছিল।

যেসব প্রতিষ্ঠান তখন নতুন বিদেশি শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার কথা জানিয়েছিল, তাদের ৯৬ শতাংশ ভিসা আবেদনসংক্রান্ত সমস্যাকে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে। এর মধ্যে ভিসা পেতে বিলম্ব এবং আবেদন প্রত্যাখ্যানের আশঙ্কা ছিল। এ ছাড়া ৬৮ শতাংশ প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ বিধিনিষেধকেও শিক্ষার্থী কমার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করে।

অভিবাসন নীতি নিয়েও উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও গবেষকদের ভিসা প্রক্রিয়াকরণ নিয়ে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্বেগের পাশাপাশি অভিবাসন বিধির পরিবর্তনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।

শরৎকালীন সেমিস্টার শুরুর আগে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের ভিসা প্রক্রিয়াকরণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল আমেরিকান কাউন্সিল অন এডুকেশনসহ ৩২টি উচ্চশিক্ষা সংগঠন। তাদের বক্তব্য ছিল, ভিসা পেতে দেরি হলে অনেক শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে পারবেন না। এতে শেষ পর্যন্ত তারা অন্য কোনো দেশে পড়াশোনার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতভিত্তিক উচ্চশিক্ষা এবং গবেষণায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও গবেষকদের ভূমিকা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। আমেরিকান কাউন্সিল অন এডুকেশনের ভাষ্য অনুযায়ী, ভিসা জটিলতা, অতিরিক্ত যাচাই এবং অভিবাসন নীতির অনিশ্চয়তা যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক মেধাবী শিক্ষার্থী ও গবেষক আকর্ষণের সক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে।

শিক্ষার্থী কমলে অর্থনীতিতেও প্রভাব

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কমে যাওয়ার প্রভাব বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ ও গবেষণাগারের বাইরে স্থানীয় অর্থনীতিতেও পড়ে। বিদেশি শিক্ষার্থীরা শিক্ষা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত থাকার পাশাপাশি আবাসন, খাবার, পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে অর্থ ব্যয় করেন।

আমেরিকান কাউন্সিল অন এডুকেশনের ফেব্রুয়ারির হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তির পতনের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে আনুমানিক ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক কার্যক্রম এবং প্রায় ২৩ হাজার চাকরির সমপরিমাণ প্রভাব পড়েছে।

শিক্ষার্থী ধরে রাখতে সক্রিয় হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়

পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী সংগ্রহ ও ভর্তি নিশ্চিত করার কার্যক্রম জোরদার করছে। আগের এক জরিপে বিদেশি শিক্ষার্থী বৃদ্ধি পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর ৭১ শতাংশ বেশি সক্রিয় নিয়োগ কার্যক্রমকে কার্যকর কৌশল হিসেবে উল্লেখ করেছিল।

এ ছাড়া ৫৪ শতাংশ প্রতিষ্ঠান ভর্তি নিশ্চিত হওয়া শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হিসেবে চিহ্নিত করে। একই জরিপে ৮৪ শতাংশ প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী সংগ্রহকে নিজেদের অগ্রাধিকারের তালিকায় রেখেছিল।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য কী অর্থ বহন করছে

বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা করা শিক্ষার্থীদের জন্য বর্তমান পরিস্থিতির অর্থ শিক্ষার্থী ভিসা বন্ধ হয়ে যাওয়া নয়। তবে ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সম্ভাব্য সময়, প্রয়োজনীয় যাচাই এবং অভিবাসন নীতির পরিবর্তন সম্পর্কে আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়ার গুরুত্ব বেড়েছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও বিনিময় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের দীর্ঘদিনের ‘ডিউরেশন অব স্ট্যাটাস’ ব্যবস্থা পরিবর্তনের বিষয়ে করা নতুন বিধি নিয়ে আইনি জটিলতাও তৈরি হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর আমেরিকান কাউন্সিল অন এডুকেশন জানিয়েছে, ফেডারেল আদালত ওই বিধির কার্যকারিতা সাময়িকভাবে আটকে দিয়েছেন।

ফলে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা ও অভিবাসন নীতির পরিবেশ এখনও পরিবর্তনশীল। এর সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন বিষয় আদালতের বিচারাধীন থাকায় সামনে আরও নীতিগত পরিবর্তন আসতে পারে।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ধরে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে একদিকে শিক্ষার্থীদের আস্থা বজায় রাখতে হচ্ছে, অন্যদিকে পরিবর্তনশীল ভিসা ও অভিবাসন বিধির সঙ্গে নিজেদের কার্যক্রম সমন্বয় করতে হচ্ছে। নতুন জরিপে অর্ধেকের বেশি প্রতিষ্ঠানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আবেদন কমে যাওয়ার তথ্য সেই পরিবর্তনেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত।

❤️
👏
🙂
😞

ভিসা অনিশ্চয়তায় যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আবেদন কমেছে, বাড়ছে উদ্বেগ

প্রকাশঃ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫:৪৮

ওয়াশিংটন, ২০ সেপ্টেম্বর (প্রজন্ম কথা) – ভিসা প্রক্রিয়ায় বিলম্ব, আবেদন প্রত্যাখ্যানের আশঙ্কা এবং অভিবাসন নীতির পরিবর্তন নিয়ে অনিশ্চয়তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চশিক্ষা খাতে। সাম্প্রতিক এক জরিপে দেশটির অর্ধেকের বেশি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আবেদন আগের তুলনায় কমেছে।

আমেরিকান কাউন্সিল অন এডুকেশনের সাম্প্রতিক ‘পালস পয়েন্ট’ জরিপে অংশ নেওয়া উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নেতারা জানিয়েছেন, পরিবর্তনশীল কেন্দ্রীয় অভিবাসন নীতি, ভিসা প্রক্রিয়াকরণে দীর্ঘসূত্রতা এবং যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করতে আসা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা বিদেশি শিক্ষার্থী আকর্ষণের ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ভারত ও চীনের মতো যুক্তরাষ্ট্রে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী পাঠানো দেশ থেকেও শিক্ষার্থী সংগ্রহের ক্ষেত্রে চাপের কথা জানিয়েছে অনেক প্রতিষ্ঠান।

ভিসা নিয়ে উদ্বেগ আগেও প্রভাব ফেলেছে

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার প্রবণতা নতুন নয়। আমেরিকান কাউন্সিল অন এডুকেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শরৎ সেমিস্টারে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তি ১৭ শতাংশ কমেছিল।

যেসব প্রতিষ্ঠান তখন নতুন বিদেশি শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার কথা জানিয়েছিল, তাদের ৯৬ শতাংশ ভিসা আবেদনসংক্রান্ত সমস্যাকে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে। এর মধ্যে ভিসা পেতে বিলম্ব এবং আবেদন প্রত্যাখ্যানের আশঙ্কা ছিল। এ ছাড়া ৬৮ শতাংশ প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ বিধিনিষেধকেও শিক্ষার্থী কমার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করে।

অভিবাসন নীতি নিয়েও উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও গবেষকদের ভিসা প্রক্রিয়াকরণ নিয়ে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্বেগের পাশাপাশি অভিবাসন বিধির পরিবর্তনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।

শরৎকালীন সেমিস্টার শুরুর আগে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের ভিসা প্রক্রিয়াকরণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল আমেরিকান কাউন্সিল অন এডুকেশনসহ ৩২টি উচ্চশিক্ষা সংগঠন। তাদের বক্তব্য ছিল, ভিসা পেতে দেরি হলে অনেক শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে পারবেন না। এতে শেষ পর্যন্ত তারা অন্য কোনো দেশে পড়াশোনার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতভিত্তিক উচ্চশিক্ষা এবং গবেষণায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও গবেষকদের ভূমিকা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। আমেরিকান কাউন্সিল অন এডুকেশনের ভাষ্য অনুযায়ী, ভিসা জটিলতা, অতিরিক্ত যাচাই এবং অভিবাসন নীতির অনিশ্চয়তা যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক মেধাবী শিক্ষার্থী ও গবেষক আকর্ষণের সক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে।

শিক্ষার্থী কমলে অর্থনীতিতেও প্রভাব

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কমে যাওয়ার প্রভাব বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ ও গবেষণাগারের বাইরে স্থানীয় অর্থনীতিতেও পড়ে। বিদেশি শিক্ষার্থীরা শিক্ষা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত থাকার পাশাপাশি আবাসন, খাবার, পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে অর্থ ব্যয় করেন।

আমেরিকান কাউন্সিল অন এডুকেশনের ফেব্রুয়ারির হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তির পতনের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে আনুমানিক ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক কার্যক্রম এবং প্রায় ২৩ হাজার চাকরির সমপরিমাণ প্রভাব পড়েছে।

শিক্ষার্থী ধরে রাখতে সক্রিয় হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়

পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী সংগ্রহ ও ভর্তি নিশ্চিত করার কার্যক্রম জোরদার করছে। আগের এক জরিপে বিদেশি শিক্ষার্থী বৃদ্ধি পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর ৭১ শতাংশ বেশি সক্রিয় নিয়োগ কার্যক্রমকে কার্যকর কৌশল হিসেবে উল্লেখ করেছিল।

এ ছাড়া ৫৪ শতাংশ প্রতিষ্ঠান ভর্তি নিশ্চিত হওয়া শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হিসেবে চিহ্নিত করে। একই জরিপে ৮৪ শতাংশ প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী সংগ্রহকে নিজেদের অগ্রাধিকারের তালিকায় রেখেছিল।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য কী অর্থ বহন করছে

বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা করা শিক্ষার্থীদের জন্য বর্তমান পরিস্থিতির অর্থ শিক্ষার্থী ভিসা বন্ধ হয়ে যাওয়া নয়। তবে ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সম্ভাব্য সময়, প্রয়োজনীয় যাচাই এবং অভিবাসন নীতির পরিবর্তন সম্পর্কে আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়ার গুরুত্ব বেড়েছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও বিনিময় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের দীর্ঘদিনের ‘ডিউরেশন অব স্ট্যাটাস’ ব্যবস্থা পরিবর্তনের বিষয়ে করা নতুন বিধি নিয়ে আইনি জটিলতাও তৈরি হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর আমেরিকান কাউন্সিল অন এডুকেশন জানিয়েছে, ফেডারেল আদালত ওই বিধির কার্যকারিতা সাময়িকভাবে আটকে দিয়েছেন।

ফলে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা ও অভিবাসন নীতির পরিবেশ এখনও পরিবর্তনশীল। এর সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন বিষয় আদালতের বিচারাধীন থাকায় সামনে আরও নীতিগত পরিবর্তন আসতে পারে।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ধরে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে একদিকে শিক্ষার্থীদের আস্থা বজায় রাখতে হচ্ছে, অন্যদিকে পরিবর্তনশীল ভিসা ও অভিবাসন বিধির সঙ্গে নিজেদের কার্যক্রম সমন্বয় করতে হচ্ছে। নতুন জরিপে অর্ধেকের বেশি প্রতিষ্ঠানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আবেদন কমে যাওয়ার তথ্য সেই পরিবর্তনেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত।