১ অক্টোবর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ৩ ভিসায় বাধ্যতামূলক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাই
- প্রকাশঃ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:৩৬
- / 2
ওয়াশিংটন, ২৪ সেপ্টেম্বর, (প্রজন্ম কথা) – যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা যাচাই প্রক্রিয়ায় আরও তিনটি অস্থায়ী ভিসা শ্রেণিকে যুক্ত করা হচ্ছে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে আই, টিএন ও টিডি ভিসার সব আবেদনকারীর অনলাইন উপস্থিতি পর্যালোচনা করবে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর। এ জন্য আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সব হিসাবের গোপনীয়তা সেটিংস ‘সবার জন্য উন্মুক্ত’ রাখতে বলা হয়েছে।
নতুন নিয়মে আই ভিসার আওতায় থাকা বিদেশি গণমাধ্যমকর্মী, টিএন ভিসার আওতায় যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা চুক্তির অধীনে নির্দিষ্ট পেশায় কাজ করতে যাওয়া ব্যক্তিরা এবং টিডি ভিসার আওতায় থাকা তাঁদের নির্ভরশীল স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানদের আবেদন যাচাইয়ের সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য পর্যালোচনা করা হবে।
পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, আই, টিএন ও টিডি ভিসার সব আবেদনকারীকে নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের হিসাবের গোপনীয়তা সেটিংস ‘সবার জন্য উন্মুক্ত’ করতে হবে। এর মাধ্যমে ভিসা কর্মকর্তারা আবেদনকারীর অনলাইন উপস্থিতি পর্যালোচনা করতে পারবেন।
এর আগে থেকেই বিভিন্ন ভিসা শ্রেণির আবেদনকারীদের অনলাইন উপস্থিতি যাচাই করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে কিছু কূটনৈতিক ও সরকারি ভিসা, এফ ও এম শিক্ষার্থী ভিসা, এইচ-১বি ও সংশ্লিষ্ট নির্ভরশীল ভিসা, জে-১ ও জে-২ বিনিময় কর্মসূচির ভিসা, কে-১, কে-২ ও কে-৩, কিউ, আর-১ ও আর-২ এবং এস, টি ও ইউ শ্রেণির ভিসা।
পররাষ্ট্র দপ্তরের ভাষ্য অনুযায়ী, ভিসা যাচাইয়ের সময় আবেদনকারীর বিষয়ে পাওয়া সব ধরনের তথ্য বিবেচনায় নেওয়া হয়। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে অযোগ্য হতে পারেন বা জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারেন, এমন আবেদনকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হয়।
দপ্তর আরও জানিয়েছে, প্রতিটি ভিসা আবেদন যাচাইয়ের ক্ষেত্রে জাতীয় নিরাপত্তাকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আবেদনকারী যে ভিসার জন্য আবেদন করেছেন, তার শর্ত মেনে চলার প্রকৃত ইচ্ছা রয়েছে কি না এবং তিনি সংশ্লিষ্ট ভিসার যোগ্যতা যথাযথভাবে প্রমাণ করতে পারছেন কি না, সেটিও যাচাই করা হবে।
চলতি বছরের মার্চেও এক দফা অনলাইন উপস্থিতি যাচাই সম্প্রসারণ করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। ৩০ মার্চ থেকে এফ, এম ও জে ভিসার পাশাপাশি এইচ-১বি, এইচ-৩, এইচ-৪, কে-১, কে-২, কে-৩, কিউ, আর-১, আর-২, এস, টি ও ইউসহ আরও কয়েকটি শ্রেণির আবেদনকারীদের এই যাচাইয়ের আওতায় আনা হয়। তখনও সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের হিসাব ‘সবার জন্য উন্মুক্ত’ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
২০১৯ সাল থেকেই অধিকাংশ যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা আবেদনকারীর আবেদনপত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হচ্ছে। নতুন নিয়মের ফলে নির্দিষ্ট আরও তিনটি ভিসা শ্রেণির আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অনলাইন উপস্থিতি যাচাইয়ের পরিধি বাড়ল।


























