জামায়াতের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হতে পারে কাল; ইইউ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে শফিকুর রহমান
- প্রকাশঃ ০৭:৫৬:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
- / 51
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভার্স ইজাবস। আজ সোমবার দুপুরে বসুন্ধরায় জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে। ছবি: জামায়াতে ইসলামীর সৌজন্যে
জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের নির্বাচনী আসন সমঝোতা আগামীকাল (মঙ্গলবার) চূড়ান্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, সমঝোতা না হলে পরশু (বুধবার) সব দল একসঙ্গে গণমাধ্যমের সামনে আসবে।
আজ সোমবার রাজধানীর বসুন্ধরায় জামায়াতের কার্যালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভার্স ইজাবসের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল শফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকের পরে তিনি সাংবাদিকদের জানান, বৈঠকে ইইউ প্রতিনিধিদল জানতে চেয়েছে, সব দলের জন্য সমান সুযোগ আছে কি না, কোনো সুনির্দিষ্ট চ্যালেঞ্জ বা অভিযোগ আছে কি না। জামায়াত জানিয়েছে, তাদের কিছু অভিযোগ রয়েছে, তবে তা এখনই প্রকাশ করবে না। প্রথমে তারা নির্বাচন কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকারকে জানাবে।
জামায়াতের সরকারের প্রতিবেশী রাষ্ট্রসহ বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক বিষয়ে শফিকুর রহমান বলেন, বিশ্বের শান্তিকামী, গণতান্ত্রিক সব রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকবে। প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক হবে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে।
নারীদের নিরাপত্তা বিষয়ে তিনি বলেন, মা-বোনেরা এবার জামায়াতকে বেছে নেবেন। তবে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়া নারীদের বাধা দেওয়া হচ্ছে; এমনকি হিজাব খুলে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। রাজনৈতিক কারণে কাউকে অপমান করার অধিকার কারও নেই।
শফিকুর রহমান আরও বলেন, আগামী নির্বাচনে জনগণ সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে। জামায়াত অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবে। দেশের স্থিতিশীলতার জন্য কোনো রাজনৈতিক দল নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা থাকবে, তবে জবাবদিহি ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা হবে।
তিনি দেশের রাজনৈতিক সংস্কারের পক্ষে ভোটের আহ্বান জানিয়ে বলেন, জামায়াত সংস্কারের পক্ষে, তাই জনগণ গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিক। নির্বাচনের পরিবেশ হাতছাড়া হলে জাতিকে মূল্য দিতে হবে।
শফিকুর রহমান গণমাধ্যমের ভূমিকার বিষয়ে বলেন, গণমাধ্যম দলীয়ভাবে পক্ষপাতদুষ্ট হলে তা দেশের জন্য ক্ষতিকর। আমরা প্রত্যাশা করি গণমাধ্যম সত্যনির্ভর ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে।




























