ঢাকা ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্বাস্থ্য ও ডিজিটাল সংযোগে সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশ–ভুটানের দুটি সমঝোতা স্মারক সই

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশঃ ০৯:১১:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫
  • / 107

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি ও ইন্টারনেট সংযোগ বিষয়ে দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, তেজগাঁও, ঢাকা। ২২ নভেম্বরছবি: পিআইডি


বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের অংশ হিসেবে আজ শনিবার স্বাস্থ্য খাতে কর্মী বিনিময় এবং আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট সংযোগ–সংক্রান্ত দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে এসব এমওইউ সই হয়।

স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগসংক্রান্ত প্রথম সমঝোতা স্মারকে সই করে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং ভুটানের রয়্যাল সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশের পক্ষে স্মারকে সই করেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান।

আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ ও টেলিযোগাযোগসেবা বাণিজ্যসংক্রান্ত দ্বিতীয় সমঝোতা স্মারকে সই করেন বাংলাদেশের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান। ভুটানের রয়্যাল সরকারও এতে অংশ নেয়।

সই অনুষ্ঠান ও নথি বিনিময় প্রত্যক্ষ করেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে।

এর আগে প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী তোবগে একান্ত বৈঠক করেন। পরে অনুষ্ঠিত হয় দুই দেশের আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় আলোচনা। প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে গতকাল সকালে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শেরিং তোবগে ঢাকায় পৌঁছান। সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে তাঁকে বহনকারী ড্রুকএয়ারের ফ্লাইট শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস তাঁকে স্বাগত জানান।

বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে দুই নেতার মধ্যে সংক্ষিপ্ত বৈঠক হয়। এ সময় ভুটানের প্রধানমন্ত্রী গত শুক্রবারের ভূমিকম্পে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে খোঁজ নেন এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতায় তোবগেকে দেওয়া হয় গার্ড অব অনার, ১৯ বার তোপধ্বনি এবং সামরিক সালাম। পরে তিনি সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান, পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে একটি গাছ রোপণ করেন।

দুপুরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এবং বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। সন্ধ্যায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে সরকারের পক্ষ থেকে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।

আপনি চাইলে এই প্রতিবেদনটি আরেকটু সংক্ষিপ্ত, ব্রেকিং নিউজ–স্টাইলে বা টিভি বুলেটিন–স্টাইলে সাজিয়ে দিতে পারি।

শেয়ার করুন

স্বাস্থ্য ও ডিজিটাল সংযোগে সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশ–ভুটানের দুটি সমঝোতা স্মারক সই

প্রকাশঃ ০৯:১১:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি ও ইন্টারনেট সংযোগ বিষয়ে দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, তেজগাঁও, ঢাকা। ২২ নভেম্বরছবি: পিআইডি


বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের অংশ হিসেবে আজ শনিবার স্বাস্থ্য খাতে কর্মী বিনিময় এবং আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট সংযোগ–সংক্রান্ত দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে এসব এমওইউ সই হয়।

স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগসংক্রান্ত প্রথম সমঝোতা স্মারকে সই করে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং ভুটানের রয়্যাল সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশের পক্ষে স্মারকে সই করেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান।

আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ ও টেলিযোগাযোগসেবা বাণিজ্যসংক্রান্ত দ্বিতীয় সমঝোতা স্মারকে সই করেন বাংলাদেশের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান। ভুটানের রয়্যাল সরকারও এতে অংশ নেয়।

সই অনুষ্ঠান ও নথি বিনিময় প্রত্যক্ষ করেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে।

এর আগে প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী তোবগে একান্ত বৈঠক করেন। পরে অনুষ্ঠিত হয় দুই দেশের আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় আলোচনা। প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে গতকাল সকালে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে শেরিং তোবগে ঢাকায় পৌঁছান। সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে তাঁকে বহনকারী ড্রুকএয়ারের ফ্লাইট শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস তাঁকে স্বাগত জানান।

বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে দুই নেতার মধ্যে সংক্ষিপ্ত বৈঠক হয়। এ সময় ভুটানের প্রধানমন্ত্রী গত শুক্রবারের ভূমিকম্পে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে খোঁজ নেন এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতায় তোবগেকে দেওয়া হয় গার্ড অব অনার, ১৯ বার তোপধ্বনি এবং সামরিক সালাম। পরে তিনি সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান, পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে একটি গাছ রোপণ করেন।

দুপুরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এবং বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। সন্ধ্যায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে সরকারের পক্ষ থেকে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।

আপনি চাইলে এই প্রতিবেদনটি আরেকটু সংক্ষিপ্ত, ব্রেকিং নিউজ–স্টাইলে বা টিভি বুলেটিন–স্টাইলে সাজিয়ে দিতে পারি।