জামালপুরে স্বতন্ত্র সংসদ প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার হেলাল গ্রেপ্তার
- প্রকাশঃ ০২:৩৮:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
- / 71
ছবি: সংগৃহীত
জামালপুরে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও মাদারগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার হেলালুর রহমান হেলালকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে জামালপুর পৌর শহরের মৃধাপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে একটি বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। রাতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হন ইঞ্জিনিয়ার হেলালুর রহমান হেলাল। গণঅভ্যুত্থানের পর একই বছরের ১৯ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার তাকে ওই পদ থেকে অপসারণ করে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর-৩ (মেলান্দহ–মাদারগঞ্জ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দেন তিনি। মঙ্গলবার তিনি জেলা নির্বাচন অফিস থেকে মনোনয়নপত্রও সংগ্রহ করেন। তার প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এ সময় তিনি জামালপুর পৌর শহরের মৃধাপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।
রাতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ-১ এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাইয়ুম জানান, ‘ডেভিল হান্ট-২’ অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইঞ্জিনিয়ার হেলালুর রহমান হেলালকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বলেন, গ্রেপ্তারের পর বিস্ফোরক মামলায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ইঞ্জিনিয়ার হেলালুর রহমান হেলাল মাদারগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা কি না—এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিবি কর্মকর্তা বলেন, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় খোঁজ নিলে বিস্তারিত জানা যাবে।
মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকের আহমেদ জানান, আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে ইঞ্জিনিয়ার হেলালের কিছু ছবি পাওয়া গেছে। তবে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দলের উপদেষ্টা কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য নেই।
অন্যদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাদারগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের এক নেতা দাবি করেন, ইঞ্জিনিয়ার হেলালুর রহমান হেলাল আওয়ামী লীগের কোনো নেতা বা কর্মী নন। তিনি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে নির্বাচন করে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।





























