আসন্ন নির্বাচন আয়োজনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত: প্রধান উপদেষ্টা
- প্রকাশঃ ০৬:০৮:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
- / 75
ছবি: সংগৃহীত
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার পুরোপুরি প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাতে তিনি এ কথা জানান। সাক্ষাতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ছাড়াও বাণিজ্য, বেসামরিক বিমান চলাচল, শ্রম সংস্কার এবং বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত।” তিনি আরও জানান, নির্বাচনের আগে ও নির্বাচনের সময় শান্তি বিনষ্টের যেকোনো প্রচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে। একই সঙ্গে তিনি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
এক বছর বাংলাদেশে দায়িত্ব পালন করা মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন গত ১৭ মাসে অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। তিনি আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সমর্থনের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাতে অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত সংস্কারগুলোর প্রশংসা করে জ্যাকবসন বিশেষভাবে শ্রম আইনকে ‘অত্যন্ত ব্যতিক্রমী ও অসাধারণ’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এসব সংস্কার বাংলাদেশে বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়ক হবে। এ ছাড়া পূর্ববর্তী সরকারগুলোর সময়ে শ্রম নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ৪৬টি মামলার মধ্যে ৪৫টি প্রত্যাহার করায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রশংসা করেন তিনি।
জবাবে প্রধান উপদেষ্টা নতুন শ্রম অধ্যাদেশকে ‘একটি সেরা আইন’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, শীর্ষস্থানীয় বাংলাদেশি শ্রম আন্দোলনকর্মীরা এসব সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) কনভেনশন অনুমোদনকে প্রকাশ্যে স্বাগত জানিয়েছেন।
সাক্ষাতে রোহিঙ্গা মানবিক সহায়তার অর্থায়ন নিয়েও আলোচনা হয়। অধ্যাপক ইউনূস রোহিঙ্গাদের জন্য অব্যাহত সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের শিবিরগুলোতে বসবাসরত এক মিলিয়নেরও বেশি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গার জন্য জীবনরক্ষাকারী মানবিক সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে সবচেয়ে বড় দাতা।
বিদায়ী সাক্ষাতে প্রধান উপদেষ্টা তার দায়িত্বকালীন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার জন্য মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।





























