ঢাকা ১১:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিকল্প দেশ থেকে এলপিজি আমদানি, রমজানের আগেই সংকট কাটবে: জ্বালানি উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশঃ ০৮:৫৬:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 27

ইরান থেকে আমদানিকৃত এলপিজি বহনকারী জাহাজগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশের বাজারে এলপিজির সাময়িক সংকট তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। তিনি আশ্বস্ত করে বলেছেন, বিকল্প দেশ থেকে এলপিজি আমদানি করা হচ্ছে এবং রমজানের আগেই এ সংকটের সমাধান হবে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন জ্বালানি উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, এলপিজি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ও বড় কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আমরা বৈঠক করেছি। তারা আমাদের জানিয়েছে, আগে ইরান থেকে নিয়মিত এলপিজি আসত। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ায় ইরানি এলপিজি বহনকারী জাহাজগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। যেহেতু এসব জাহাজই এ অঞ্চলে এলপিজি সরবরাহ করত, তাই সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে।

উপদেষ্টা জানান, আমদানিকারকরা ইতোমধ্যে বিকল্প উৎস থেকে এলপিজি আনার উদ্যোগ নিয়েছেন। “রমজানের আগেই বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসবে”— বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এলপিজি বিক্রির সময় অনেক ক্ষেত্রে রসিদ না দেওয়ার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আমরা বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছি। গ্রাহক যেন কম দামে এলপিজি পান, সে জন্য আমাদের সামর্থ্যের মধ্যে সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এলপিজি বাজারে নিয়ন্ত্রণহীনতার বিষয়ে সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এলপিজি পুরোপুরি বেসরকারি খাতনির্ভর হওয়ায় সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ নেই। তবে বিইআরসির মাধ্যমে মূল্য সমন্বয় করা হয়। তিনি বলেন, আগে আমরা এলপিজির আমদানি তেমনভাবে মনিটর করতাম না। এখন বিইআরসি ও জ্বালানি বিভাগের মধ্যে একটি সমন্বিত সিস্টেম গড়ে তোলার চিন্তা করছি, যাতে আগাম সংকটের পূর্বাভাস পাওয়া যায়।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”

শেয়ার করুন

বিকল্প দেশ থেকে এলপিজি আমদানি, রমজানের আগেই সংকট কাটবে: জ্বালানি উপদেষ্টা

প্রকাশঃ ০৮:৫৬:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

ইরান থেকে আমদানিকৃত এলপিজি বহনকারী জাহাজগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশের বাজারে এলপিজির সাময়িক সংকট তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। তিনি আশ্বস্ত করে বলেছেন, বিকল্প দেশ থেকে এলপিজি আমদানি করা হচ্ছে এবং রমজানের আগেই এ সংকটের সমাধান হবে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন জ্বালানি উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, এলপিজি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ও বড় কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আমরা বৈঠক করেছি। তারা আমাদের জানিয়েছে, আগে ইরান থেকে নিয়মিত এলপিজি আসত। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ায় ইরানি এলপিজি বহনকারী জাহাজগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। যেহেতু এসব জাহাজই এ অঞ্চলে এলপিজি সরবরাহ করত, তাই সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে।

উপদেষ্টা জানান, আমদানিকারকরা ইতোমধ্যে বিকল্প উৎস থেকে এলপিজি আনার উদ্যোগ নিয়েছেন। “রমজানের আগেই বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসবে”— বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এলপিজি বিক্রির সময় অনেক ক্ষেত্রে রসিদ না দেওয়ার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আমরা বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছি। গ্রাহক যেন কম দামে এলপিজি পান, সে জন্য আমাদের সামর্থ্যের মধ্যে সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এলপিজি বাজারে নিয়ন্ত্রণহীনতার বিষয়ে সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এলপিজি পুরোপুরি বেসরকারি খাতনির্ভর হওয়ায় সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ নেই। তবে বিইআরসির মাধ্যমে মূল্য সমন্বয় করা হয়। তিনি বলেন, আগে আমরা এলপিজির আমদানি তেমনভাবে মনিটর করতাম না। এখন বিইআরসি ও জ্বালানি বিভাগের মধ্যে একটি সমন্বিত সিস্টেম গড়ে তোলার চিন্তা করছি, যাতে আগাম সংকটের পূর্বাভাস পাওয়া যায়।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”