ঢাকা ১১:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থী হোসাইন আহমেদ রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব ও অসহযোগিতার অভিযোগ

তুর্য দাস। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশঃ ০৭:৩৪:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 29

সুনামগঞ্জ-৩ (শান্তিগঞ্জ-জগন্নাথপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হোসাইন আহমেদ সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন, যেখানে তিনি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়াকে পক্ষপাতিত্ব ও ইচ্ছাকৃত অসহযোগিতার অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগপত্রে হোসাইন উল্লেখ করেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে শতকরা ১ ভাগ ভোটারের সমর্থন যাচাইয়ে দৈবচয়ন পদ্ধতিতে অসঙ্গতি দেখিয়ে তাঁর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। বাতিল আদেশের সার্টিফাইড কপি পাওয়া গেলেও সেখানে ভোটারের নাম, ঠিকানা বা ভোটার নম্বরের তথ্য ও যাচাই রিপোর্ট সংযুক্ত করা হয়নি। এতে তিনি আপিলে আইনি যুক্তি উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

হোসাইন আরও অভিযোগ করেছেন, প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আনোয়ার হোসেনের মনোনয়ন যাচাই চ্যালেঞ্জ করতে চাইলে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে সহায়তা পাননি। শতকরা ১ ভাগ ভোটার সমর্থন যাচাইয়ের বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হলেও তা এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, আপিল প্রস্তুতি বিলম্বিত করা হয়েছে, যা তিনি ইচ্ছাকৃত বলে মনে করছেন।

হোসাইন আহমেদ দাবি করেছেন, কমিশন দ্রুত তদন্ত করে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে তাঁর সকল আবেদন গ্রহণের নির্দেশ দিতে হবে।

অপর দিকে, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১০ জন ভোটারের স্বাক্ষরের যাচাই বাধ্যতামূলক। হোসাইন আহমেদের ক্ষেত্রে সাত-আটজন ভোটার স্বাক্ষর দেননি, তাই মনোনয়ন বাতিলের বাইরে অন্য কোনো উপায় ছিল না। তিনি জানিয়েছেন, হোসাইনকে ইচ্ছাকৃতভাবে অসহযোগিতা করা হয়নি।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”

শেয়ার করুন

সুনামগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থী হোসাইন আহমেদ রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব ও অসহযোগিতার অভিযোগ

প্রকাশঃ ০৭:৩৪:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

সুনামগঞ্জ-৩ (শান্তিগঞ্জ-জগন্নাথপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হোসাইন আহমেদ সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন, যেখানে তিনি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়াকে পক্ষপাতিত্ব ও ইচ্ছাকৃত অসহযোগিতার অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগপত্রে হোসাইন উল্লেখ করেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে শতকরা ১ ভাগ ভোটারের সমর্থন যাচাইয়ে দৈবচয়ন পদ্ধতিতে অসঙ্গতি দেখিয়ে তাঁর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। বাতিল আদেশের সার্টিফাইড কপি পাওয়া গেলেও সেখানে ভোটারের নাম, ঠিকানা বা ভোটার নম্বরের তথ্য ও যাচাই রিপোর্ট সংযুক্ত করা হয়নি। এতে তিনি আপিলে আইনি যুক্তি উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

হোসাইন আরও অভিযোগ করেছেন, প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আনোয়ার হোসেনের মনোনয়ন যাচাই চ্যালেঞ্জ করতে চাইলে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে সহায়তা পাননি। শতকরা ১ ভাগ ভোটার সমর্থন যাচাইয়ের বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হলেও তা এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, আপিল প্রস্তুতি বিলম্বিত করা হয়েছে, যা তিনি ইচ্ছাকৃত বলে মনে করছেন।

হোসাইন আহমেদ দাবি করেছেন, কমিশন দ্রুত তদন্ত করে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে তাঁর সকল আবেদন গ্রহণের নির্দেশ দিতে হবে।

অপর দিকে, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১০ জন ভোটারের স্বাক্ষরের যাচাই বাধ্যতামূলক। হোসাইন আহমেদের ক্ষেত্রে সাত-আটজন ভোটার স্বাক্ষর দেননি, তাই মনোনয়ন বাতিলের বাইরে অন্য কোনো উপায় ছিল না। তিনি জানিয়েছেন, হোসাইনকে ইচ্ছাকৃতভাবে অসহযোগিতা করা হয়নি।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”