ঢাকা ০৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতে ‘অদ্ভুত’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন জোহরান মামদানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশঃ ০৩:৪৪:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • / 84

হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং নিউইয়র্কের মেয়র নির্বাচিত হওয়া জোহরান মামদানি। ২১ নভেম্বর, ২০২৫ছবি: সংগৃহীত


যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক নগরের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে হোয়াইট হাউসে বৈঠক করেছেন। আর এই সফরেই তিনি দেখেছেন এমন এক ‘অদ্ভুত’ জিনিস, যা পরে প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় ওয়েবভিত্তিক আলোচনামঞ্চ ‘দ্য অ্যাডাম ফ্রিডল্যান্ড শো’-তে।

জোহরান জানান, ট্রাম্পের পড়ার টেবিলের বইপত্রের মধ্যে তিনি দেখতে পান একটি ইউএফসি কফি টেবিল বুক—যা দেখে তিনি চমকে যান। কারণ, জুনে হোয়াইট হাউসের সাউথ লনে মিক্সড মার্শাল আর্টস (এমএমএ) ইভেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনার বিষয়ে তাঁর কোনো ধারণাই ছিল না।

৩৪ বছর বয়সী এই ডেমোক্র্যাট সমাজতান্ত্রিক নেতা বলেন, সভার সময়ের অপেক্ষায় বসে ছিলাম। সামনে সাজানো ছিল নানা ধরনের কফি টেবিল বুক। সেগুলোর একটি ছিল হোয়াইট হাউসে ইউএফসি। আগে কখনো ভাবিনি এমন কিছু হতে পারে। বইটি উল্টাতে গিয়ে তিনি দেখেন, সেখানে মূলত দেখানো হয়েছে—ইউএফসির অষ্টভুজাকার লড়াইয়ের খাঁচা হোয়াইট হাউসের সাউথ লনে বসালে কেমন দেখাবে।

এরই মধ্যে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা-বার্ষিকী উপলক্ষে ২০২৬ সালের ১৪ জুন—ট্রাম্পের ৮০তম জন্মদিনে—এই এমএমএ ইভেন্ট আয়োজনের ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। জোহরান মামদানিকে যখন জিজ্ঞেস করা হয়, তিনি কি সেই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন, তিনি হাসতে হাসতেই বলেন, ‘না’।

অপ্রত্যাশিতভাবে সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠকের কয়েক দিনের মধ্যেই এনবিসির ‘মিট দ্য প্রেস’–এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে জোহরান পুনর্ব্যক্ত করেন— ট্রাম্প এখনো আমার কাছে ফ্যাসিবাদী ও স্বৈরাচারী। তাঁকে যখন আবারও প্রশ্ন করা হয়, ট্রাম্প কি গণতন্ত্রের জন্য হুমকি—তখনও তিনি তাঁর আগের বক্তব্য থেকে সরে আসেননি।

সাংবাদিকদের সঙ্গে যৌথ আলাপের সময় এক রিপোর্টার জোহরানকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি এখনও প্রেসিডেন্টকে ‘ফ্যাসিবাদী’ মনে করেন। প্রশ্নটির জবাব দেওয়ার আগেই ট্রাম্প হাসিমুখে তাঁকে বাধা দিয়ে বলেন— ঠিক আছে। আপনি শুধু বলতে পারেন, হ্যাঁ, বলেছি… এতে কোনো সমস্যা নেই। এটা ব্যাখ্যা করার চেয়ে সহজ। এই মুহূর্তটি দ্রুতই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়, যেখানে অনেকে দুই বিপরীতধর্মী রাজনৈতিক নেতার অপ্রত্যাশিত বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ নিয়ে মন্তব্য করেন।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”

শেয়ার করুন

হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতে ‘অদ্ভুত’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন জোহরান মামদানি

প্রকাশঃ ০৩:৪৪:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং নিউইয়র্কের মেয়র নির্বাচিত হওয়া জোহরান মামদানি। ২১ নভেম্বর, ২০২৫ছবি: সংগৃহীত


যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক নগরের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে হোয়াইট হাউসে বৈঠক করেছেন। আর এই সফরেই তিনি দেখেছেন এমন এক ‘অদ্ভুত’ জিনিস, যা পরে প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় ওয়েবভিত্তিক আলোচনামঞ্চ ‘দ্য অ্যাডাম ফ্রিডল্যান্ড শো’-তে।

জোহরান জানান, ট্রাম্পের পড়ার টেবিলের বইপত্রের মধ্যে তিনি দেখতে পান একটি ইউএফসি কফি টেবিল বুক—যা দেখে তিনি চমকে যান। কারণ, জুনে হোয়াইট হাউসের সাউথ লনে মিক্সড মার্শাল আর্টস (এমএমএ) ইভেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনার বিষয়ে তাঁর কোনো ধারণাই ছিল না।

৩৪ বছর বয়সী এই ডেমোক্র্যাট সমাজতান্ত্রিক নেতা বলেন, সভার সময়ের অপেক্ষায় বসে ছিলাম। সামনে সাজানো ছিল নানা ধরনের কফি টেবিল বুক। সেগুলোর একটি ছিল হোয়াইট হাউসে ইউএফসি। আগে কখনো ভাবিনি এমন কিছু হতে পারে। বইটি উল্টাতে গিয়ে তিনি দেখেন, সেখানে মূলত দেখানো হয়েছে—ইউএফসির অষ্টভুজাকার লড়াইয়ের খাঁচা হোয়াইট হাউসের সাউথ লনে বসালে কেমন দেখাবে।

এরই মধ্যে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা-বার্ষিকী উপলক্ষে ২০২৬ সালের ১৪ জুন—ট্রাম্পের ৮০তম জন্মদিনে—এই এমএমএ ইভেন্ট আয়োজনের ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। জোহরান মামদানিকে যখন জিজ্ঞেস করা হয়, তিনি কি সেই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন, তিনি হাসতে হাসতেই বলেন, ‘না’।

অপ্রত্যাশিতভাবে সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠকের কয়েক দিনের মধ্যেই এনবিসির ‘মিট দ্য প্রেস’–এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে জোহরান পুনর্ব্যক্ত করেন— ট্রাম্প এখনো আমার কাছে ফ্যাসিবাদী ও স্বৈরাচারী। তাঁকে যখন আবারও প্রশ্ন করা হয়, ট্রাম্প কি গণতন্ত্রের জন্য হুমকি—তখনও তিনি তাঁর আগের বক্তব্য থেকে সরে আসেননি।

সাংবাদিকদের সঙ্গে যৌথ আলাপের সময় এক রিপোর্টার জোহরানকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি এখনও প্রেসিডেন্টকে ‘ফ্যাসিবাদী’ মনে করেন। প্রশ্নটির জবাব দেওয়ার আগেই ট্রাম্প হাসিমুখে তাঁকে বাধা দিয়ে বলেন— ঠিক আছে। আপনি শুধু বলতে পারেন, হ্যাঁ, বলেছি… এতে কোনো সমস্যা নেই। এটা ব্যাখ্যা করার চেয়ে সহজ। এই মুহূর্তটি দ্রুতই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়, যেখানে অনেকে দুই বিপরীতধর্মী রাজনৈতিক নেতার অপ্রত্যাশিত বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ নিয়ে মন্তব্য করেন।

সর্বশেষ খবর পেতে অনুসরণ করুন- “প্রজন্ম কথা”