ঢাকা ১০:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

“কেটি” ১১ মিনিটের মহাকাশ যাত্রা শেষে মাটিতে ফিরলেন

  • প্রকাশঃ ০৪:৩৫:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫
  • / 131

১৪ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে জনপ্রিয় মার্কিন গায়িকা কেটি পেরি ব্লু অরিজিনের এনএস-৩১ মিশনে অংশ নিয়ে ইতিহাস গড়লেন। ১১ মিনিটের এই সাব-অরবিটাল মহাকাশ যাত্রা শেষে পৃথিবীতে ফিরে এসে তিনি মাটিতে চুমু খান — যা ছিল স্বস্তি ও কৃতজ্ঞতার প্রতীক।

এই মিশনটি ছিল সম্পূর্ণ নারী ক্রু নিয়ে পরিচালিত, যেখানে কেটি পেরির সঙ্গে ছিলেন লরেন সানচেজ, গেইল কিং, অ্যামান্ডা এনগুয়েন, আইশা বোয়ে ও কেরিয়ান ফ্লিন। ১৯৬৩ সালের পর এই প্রথমবারের মতো একটি অল-ফিমেল স্পেস ক্রু মহাকাশে পাড়ি জমাল, যা বিশ্বব্যাপী আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

যদিও এই অভিযানের প্রতীকী ও সামাজিক গুরুত্ব অনেক, তবুও অনেকেই এর বৈজ্ঞানিক অবদান ও পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্লু অরিজিনের নিউ শেফার্ডের মতো স্পেস ট্যুরিজম ফ্লাইট প্রতি যাত্রীতে সাধারণ বিমানের তুলনায় ১০০ গুণ বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ করে। এ ছাড়া রকেট লঞ্চের ধোঁয়া ও রাসায়নিক উপাদানগুলো ওজোন স্তরের জন্য হুমকিস্বরূপ হতে পারে।

বর্ধিত আগ্রহ ও বিনিয়োগের ফলে স্পেস ট্যুরিজমের এই ধারা ভবিষ্যতে পরিবেশগত দিক থেকে আরও চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পরিবেশবিদরা।

প্রতিবেদক: আলী আজগর ইসতিয়াক

প্রাসঙ্গিক

শেয়ার করুন

“কেটি” ১১ মিনিটের মহাকাশ যাত্রা শেষে মাটিতে ফিরলেন

প্রকাশঃ ০৪:৩৫:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫

১৪ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে জনপ্রিয় মার্কিন গায়িকা কেটি পেরি ব্লু অরিজিনের এনএস-৩১ মিশনে অংশ নিয়ে ইতিহাস গড়লেন। ১১ মিনিটের এই সাব-অরবিটাল মহাকাশ যাত্রা শেষে পৃথিবীতে ফিরে এসে তিনি মাটিতে চুমু খান — যা ছিল স্বস্তি ও কৃতজ্ঞতার প্রতীক।

এই মিশনটি ছিল সম্পূর্ণ নারী ক্রু নিয়ে পরিচালিত, যেখানে কেটি পেরির সঙ্গে ছিলেন লরেন সানচেজ, গেইল কিং, অ্যামান্ডা এনগুয়েন, আইশা বোয়ে ও কেরিয়ান ফ্লিন। ১৯৬৩ সালের পর এই প্রথমবারের মতো একটি অল-ফিমেল স্পেস ক্রু মহাকাশে পাড়ি জমাল, যা বিশ্বব্যাপী আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

যদিও এই অভিযানের প্রতীকী ও সামাজিক গুরুত্ব অনেক, তবুও অনেকেই এর বৈজ্ঞানিক অবদান ও পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্লু অরিজিনের নিউ শেফার্ডের মতো স্পেস ট্যুরিজম ফ্লাইট প্রতি যাত্রীতে সাধারণ বিমানের তুলনায় ১০০ গুণ বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ করে। এ ছাড়া রকেট লঞ্চের ধোঁয়া ও রাসায়নিক উপাদানগুলো ওজোন স্তরের জন্য হুমকিস্বরূপ হতে পারে।

বর্ধিত আগ্রহ ও বিনিয়োগের ফলে স্পেস ট্যুরিজমের এই ধারা ভবিষ্যতে পরিবেশগত দিক থেকে আরও চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পরিবেশবিদরা।

প্রতিবেদক: আলী আজগর ইসতিয়াক